বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদে দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রেক্ষাপটে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া সময়ের ব্যাপার। আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বৃহস্পতিবার তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বড় কোনো দৈবদুর্বিপাক না ঘটলে তিনিই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন মির্জা ফখরুল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, মামলা ও কারাবরণের মধ্যেও তিনি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল রাখেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা এবং তারেক রহমানের বিদেশে অবস্থানের সময় দল পরিচালনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। পরে সরকারি চাকরি ছেড়ে ১৯৮৬ সালে পূর্ণকালীন রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন। রাজনৈতিক জীবন শুরু ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) দিয়ে হলেও ১৯৯০ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দ্রুত দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হন।
রাজনীতির শুরুতে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে জেলা বিএনপির সভাপতি, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হন। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের নেতৃত্বও দিয়েছেন দীর্ঘদিন।
২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় কৃষি এবং পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হলেও নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার কারাবরণ ও নানা মামলার মুখোমুখি হলেও সংযত বক্তব্য, রাজনৈতিক শিষ্টাচার এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্বের জন্য তিনি পরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম একজন অবসরপ্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। তাদের দুই মেয়ে রয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যায়। ঠাকুরগাঁওয়ের পৌর চেয়ারম্যান থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মনোনয়ন পাওয়া তার রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ঠিকানা/এনআই
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন মির্জা ফখরুল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, মামলা ও কারাবরণের মধ্যেও তিনি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল রাখেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা এবং তারেক রহমানের বিদেশে অবস্থানের সময় দল পরিচালনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। পরে সরকারি চাকরি ছেড়ে ১৯৮৬ সালে পূর্ণকালীন রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন। রাজনৈতিক জীবন শুরু ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) দিয়ে হলেও ১৯৯০ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দ্রুত দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হন।
রাজনীতির শুরুতে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে জেলা বিএনপির সভাপতি, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হন। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের নেতৃত্বও দিয়েছেন দীর্ঘদিন।
২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় কৃষি এবং পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হলেও নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার কারাবরণ ও নানা মামলার মুখোমুখি হলেও সংযত বক্তব্য, রাজনৈতিক শিষ্টাচার এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্বের জন্য তিনি পরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম একজন অবসরপ্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। তাদের দুই মেয়ে রয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যায়। ঠাকুরগাঁওয়ের পৌর চেয়ারম্যান থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মনোনয়ন পাওয়া তার রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ঠিকানা/এনআই