দেশজুড়ে বোমা হামলার আশঙ্কায় হাই অ্যালার্ট জারির যে খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সেটিকে গুজব বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত একটি স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ.এইচ.এম. শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘দেশজুড়ে বোমা হামলার আশঙ্কায় হাই অ্যালার্ট জারির যে খবর প্রচার হচ্ছে, সেটি সঠিক নয়। এটি একটি গুজব।’
সবাইকে গুজবে কান না দিয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের তথ্য প্রচার বা শেয়ার না করতে জানান অনুরোধ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটে দাবি করা হয়, দেশের সব রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি), মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর কাছে এ-সংক্রান্ত জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এতে বিশেষ করে রাতের চেকপোস্ট, মোবাইল পেট্রোল ও টহল ডিউটিতে নিয়োজিত সদস্যদের নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু ও যানবাহনের ওপর নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা (কেপিআই), বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, জনসমাগমপূর্ণ এলাকা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের কথাও ওই স্ক্রিনশটে উল্লেখ করা হয়। তবে এসব তথ্যকে ভিত্তিহীন ও গুজব বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
ঠিকানা/এনআই
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ.এইচ.এম. শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘দেশজুড়ে বোমা হামলার আশঙ্কায় হাই অ্যালার্ট জারির যে খবর প্রচার হচ্ছে, সেটি সঠিক নয়। এটি একটি গুজব।’
সবাইকে গুজবে কান না দিয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের তথ্য প্রচার বা শেয়ার না করতে জানান অনুরোধ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটে দাবি করা হয়, দেশের সব রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি), মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর কাছে এ-সংক্রান্ত জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এতে বিশেষ করে রাতের চেকপোস্ট, মোবাইল পেট্রোল ও টহল ডিউটিতে নিয়োজিত সদস্যদের নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু ও যানবাহনের ওপর নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা (কেপিআই), বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, জনসমাগমপূর্ণ এলাকা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের কথাও ওই স্ক্রিনশটে উল্লেখ করা হয়। তবে এসব তথ্যকে ভিত্তিহীন ও গুজব বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
ঠিকানা/এনআই