​৩৬ জুলাই ২০২৪ সালের পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ কতটা ভালো আছে

প্রকাশ : ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০:৪৮ , অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশের পটভূমিতে সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু বদলে যাবে, এটা যেন একটা অলিখিত সংবিধান। তার বিশেষ উদাহরণ হলো দেশাত্মবোধক সংগীত। বিগত সময়ে যেমন ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ কিংবা আবার জমবে মেলা হাটখোলা’Ñএ গানগুলো গাওয়া কিংবা শোনা যেত না, তেমনি এখন মুক্তিযুদ্ধের গানগুলো মুখে আনাও কঠিন বিষয়। এ কথা বলার কারণ হলো, ছাত্ররা ২০২৪ সালের জুলাইতে কোটাবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশের আমূল পরিবর্তন করার স্বপ্ন দেখেছিল। আর সে স্বপ্নের এক ভয়াবহ রূপ দেখিয়েছে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চার পথকে রুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামী দেশে তাদের শাসনব্যবস্থা কায়েমের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ড. ইউনূস হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হয়ে অনেক নতুন নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বটে। তবে তিনি আর স্বপ্ন-জাগানিয়া বাঁশি হয়ে ওঠেননি। জামায়াতে ইসলামী আর ছাত্রদের নতুন দল এনসিপির চিন্তা একই ঘরনার বলেই কাওয়ালি গানের আসর যেমন বসেছিল, তেমনিভাবে দেশের ইতিহাসকে মুছে নতুন ইতিহাস রচনার চেষ্টারত ছিল তারা। তবে সে চিন্তাকে দেশের মানুষ বুঝতে পেরেই নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছে তাদের অতীতের ভালো-মন্দকে বিবেচনা করে। কারণ দেশের মানুষের কাছে বিকল্প কোনো পথ নেই। এ ক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা, বিএনপি অতীতের ভুল পথে হাঁটবে না। তার কিছু নমুনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের ব্যক্তিজীবনে দেখাচ্ছেন। সে সঙ্গে হয়তো-বা প্রত্যাশা করেন, তার পথেই হাঁটবে দল এবং সাংসদগণ। বাস্তব চিত্র যদিও এখন পর্যন্ত তেমনটা নয়।

নির্বাসিত জীবনে তারেক রহমানের যে পরিবর্তন ঘটেছে, তা দেশ পরিচালনায় বাস্তবায়ন করতে চান বলেই সবার আগে নিজেকে সাধারণ মানুষের নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন নানাভাবে। প্রধানমন্ত্রী নিজের ব্যয় সংকোচন করার পাশাপাশি নিরাপত্তার বলয় কমিয়ে যানজটের দুর্ভোগ কমাতে চেষ্টা করছেন। তার জন্য অবশ্যই সাধুবাদ কাম্য। এখন প্রশ্ন হলো জুলাই আন্দোলন পরবর্তী বাংলাদেশ কি মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে কিংবা পারবে কি? জুলাই সনদ বনাম বিএনপির ৩১ দফাকে বারবার মুখোমুখি করা হচ্ছে। বিএনপি জুলাই সনদ ও গণভোটকে সমর্থন করেছে শুধু নির্বাচনের জন্য। তাদের মূল লক্ষ্য হলো ৩১ দফা বাস্তবায়ন। সে অনুসারে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে বা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সবকিছুকে ছাপিয়ে যখন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তারেক রহমান ছাড়া আর কারও পরিবর্তন ঘটেনি।’ ঘুষ থেকে শুরু করে তদবির, চাঁদাবাজি সবই আগের মতো আছে। তাহলে পরিবর্তনের হাওয়া কি উবে যাচ্ছে ক্রমশ নাকি বলতে হবে বাংলাদেশের পরিবর্তন কেবলই অলীক স্বপ্ন।

চারদিকে জুলাই আন্দোলনের ক্রেডিট নেওয়ার যে কাড়াকাড়ি, তা দেখে কি মনে হয় না, এটা শেখ হাসিনার ৭১-কে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে রূপান্তরিত করার প্রতিধ্বনি। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালে মাত্র দুই বছরেই এনসিপি, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী সবাই বলে আন্দোলনে মূল কান্ডারি হিসেবে সকলেই সম্মিলিত নয়, স্বতন্ত্র ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু কেউ বলে না, কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে এক দফা দাবিÑহাসিনার বিদায়ে সেই জনগণের ভূমিকাই মুখ্য ছিল, যারা তাদের সন্তানকে লড়াই করতে সাহস দিয়েছে। এমনকি সন্তান ঘরে ফিরবে কি না সে চিন্তাকে উপেক্ষা করে আন্দোলনে শামিল করতে দ্বিধাবোধ করেনি। কারণ দাম্ভিকতায় অন্ধ হয়ে শেখ হাসিনা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে রক্তের হোলিখেলায় মেতে উঠেছিল। আর তার এ কর্মকাণ্ডের কারণে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি কিংবা আওয়ামী লীগ সমর্থকেরাও দাঁড়িয়েছে তাদের সন্তানদের পাশে। সেখানে বিচ্ছিন্নভাবে কোনো দলীয় পরিচয় ছিল না। এ কথা সবাইকে স্বীকার করতে হবে, জুলাই আন্দোলনের মূল কান্ডারি জেন-জি বলে যাদের কেউ মানতে পারে না, তারাই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের মধ্যে সবাই কিন্তু ক্ষমতালোভী বা অর্থের পেছনে ছুটে যায়নি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাদের ক্ষমতার মোহতে আবিষ্ট করার জন্য দায়ী এদেশের রাজনৈতিক দলগুলো আর ড. ইউনূস। রাজনৈতিক দল হিসেবে গুপ্ত থাকা জামায়াতে ইসলামী এখন এনসিপিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, তাতেও কোনো সন্দেহ নেই। যে ছেলেমেয়েরা একটা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল, সেই তাদেরকে পুরোনো ধাঁচের রাজনৈতিক দল গঠনের পথে নিয়ে ড. ইউনূস আগামীর বাংলাদেশকে আবারও ধ্বংস করল। বাংলাদেশের ইতিহাসে সকল সময় সকল আন্দোলনের হোতা ছিল ছাত্ররাই। আন্দোলনের সফলতা নিয়ে তাদের ফিরে যাওয়ার কথা ছিল পড়ালেখার জগতে। এবার হয়েছে তার বিপরীত ঘটনা। রাজনৈতিকভাবে অপরিপক্ব ছেলেমেয়েদের চিন্তার জগতে ক্ষমতার মোহকে এমনভাবে প্রবেশ করিয়েছে, তার ফল দেখা গেল নির্বাচনে ৭১ বিরোধী দলের সঙ্গে জোট গঠনের মধ্য দিয়ে। জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির নেতারা এভাবে সাংসদ না হয়ে যদি জনগণের পক্ষ থেকে সরকারের কাজের আলোচনা-সমালোচনা করত, তাহলে মানুষের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ত বই কমত না। তার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার বিকাশ ঘটাতে পারত বলিষ্ঠভাবে।

দুঃখজনক হলো, এই জেন-জিদের নিয়ে বিপাকে আছে সারা দুনিয়া। তাদের অস্থিরতা আর তথ্যপ্রযুক্তির প্রভাব অনেক ক্ষেত্রেই চলন-বলনকে বিপরীত দিকে ধাবিত করছে। নতুন আর পুরাতনের মধ্যে পার্থক্য থাকবেই কিন্তু এদের ভাষার ব্যবহার এতটাই নিম্নমুখী, যা মেনে নেওয়া কষ্টকর। বিশেষ করে, যদি বাংলাদেশের রাজনীতিকে লক্ষ করা হয়, সেখানে প্রথাগত রাজনৈতিক দলের তরুণদের সঙ্গে এনসিপির পার্থক্য পাহাড়সম। এনসিপি জন্মের আগেই সরকারের অংশ হয়ে তারা ভাবে তাদের সবকিছু ঠিক। কারণ তাদের কারণেই ১৬ বছরের নির্যাতিত বিএনপি আজ ক্ষমতায়। তাদের আন্দোলনের কাছে বিএনপির আন্দোলন অসাড়। কারণ প্রশাসনের প্রশ্রয়ে শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময় বিএনপিকে সেভাবে রাজপথে দাঁড়াতে দেয়নি। বিশেষ করে, বেগম খালেদা জিয়ার কারাগারে অন্তরীণ হওয়ার পর অনেক বড় নেতারা সাহস করে মাঠে নামেননি মামলা-হামলার ভয়ে। কিন্তু গণতন্ত্রের নামে একধরনের রাজতন্ত্রের কাছে জিম্মি হয়ে গিয়েছিল সারা দেশ। দেশে এখন যেমন সবাই বিএনপি সমর্থক, তেমনি বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কিছুই ছিল না। কিন্তু কেন এমন হয়? কারণ দেশের সবকিছুতেই রাজনৈতিক ট্যাগিং।

২০২৪ সালের জুলাই থেকে তরুণদের আচরণে যে বিষয়টি লক্ষণীয়, তা হলো তাদের ভাষার ব্যবহার। গালিকে তারা ব্যবহার করে সেøাগানে। এর ধারাবাহিকতায় এনসিপির সিনিয়র নেতাদের থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা সিনিয়র ব্যক্তিসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কথা বলতেও সাধারণ ভদ্রতাটুকু তারা দেখাতে পারে না। আর তাদের অনুসরণ করা ছেলেমেয়েদের আচরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে একধরনের আতঙ্ক কাজ করছে। এখন প্রশ্ন জাগছে, শেখ হাসিনার একক দীর্ঘমেয়াদি শাসনব্যবস্থা কেবল কি রাজনীতিকে ধবংস করেছে নাকি অবকাঠামো উন্নয়নের অন্তরালে অধঃপতন ঘটিয়েছে শিক্ষা ও নৈতিকতার? এর উত্তর শিক্ষার্থীরা দিয়েছে, এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিককালের আন্দোলনে। তাদের ভাষার ব্যবহার, আচরণ দেখে স্তম্ভিত হয়েছে জাতি।

সাম্প্রতিককালে জুলাই পদযাত্রায় এনসিপি হামলার শিকার হয় হবিগঞ্জে। সেখানে যে কথাটা বারবার আলোচনায় আসে, তা হলো এনসিপির নেতা নাসীর উদ্দীন পাটওয়ারীর অসংলগ্ন কথাবার্তার বিষয়টি। এনসিপির ওপর এ হামলাকে যদিও বিএনপি একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করছে। কিন্তু এটা বলে গণতন্ত্রের নতুন পথে হাঁটা বিএনপি সরকার দায় এড়াতে পারে না। কারণ কথা বলার অধিকার সবার আছে। কোনো কথা অন্যায়মূলক বা মানহানিকর হলে তার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও অধিকার রয়েছে। অথচ তা না করে সংঘাতে যাওয়া এ মুহূর্তে সরকারের জন্য ভুল সিদ্ধান্ত। মিডিয়াতে সবাই দেখেছে, এনসিপিকে মামলা না করার জন্য পুলিশের টালবাহানার কাহিনি। সবকিছু মিলিয়ে একটা কথা পরিষ্কার দেশের কাছে, যে যেই দল করুক না কেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ হবেই। কারণ জুলাইয়ের আন্দোলন মানুষকে শিখিয়েছে-অন্যায়কে মেনে নিয়ে দলবাজি করলে তার পরিণতি কতটা ভয়ংকর।

বিএনপির সরকারপ্রধান তারেক রহমান দেশের জন্য একটা পরিবর্তন চাইছেন, তা এখন পর্যন্ত বলা যায়। তবে সে পথ ততটা সহজ নয়। ইতিমধ্যে সচিবালয় থেকে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পদের নিয়োগ নিয়ে কথা উঠেছে। পদ-বাণিজ্য, টেন্ডার-সংক্রান্ত লেনদেন সবকিছুই চলছে আগের মতো। বাঙালির নৈতিক অধঃপতন ঘটেছে বহু আগে। তাই সরকার বদল হলেও মানুষের ধারণা বদল হয় না। তারেক রহমানের একার পক্ষে দলের সকল স্তরের পরিবর্তন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কারণ মনস্তাত্ত্বিকভাবে তাদের ১৬ বছরের আর্থিক চাওয়া-পাওয়ার হিসাব মেলাতে গিয়ে পুরোনো পথে হাঁটবে, এটাই স্বাভাবিক। তাই বিএনপির ভেতর সংস্কার হয়েছে, তা কিন্তু এখনো দৃশ্যমান নয়। বরং এলাকার প্রভাব বিস্তারে কেবল হাতবদল হয়েছে। আর এ হাতবদলের মধ্য দিয়ে যদি আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিকে আগামীতে দেশছাড়া হতে হয়, তবে সেটা হবে এ জাতির জন্য কফিনে শেষ পেরেক মারার মতো ঘটনা।

৩৬ জুলাইয়ের পরবর্তীতে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় সব দল-মতের সমন্বয়ে চলবে বলে বলা হলেও তা সম্ভব নয়, এটা প্রতীয়মান। এখানে বিশেষভাবে লক্ষণীয়, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দুর্বল অবস্থান। পুলিশ তার পুরোনো পদ্ধতিতে গণহারে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে। এ কাজ করার অন্তরালে সরকার ও বিরোধী দলের হাত রয়েছে, তা বোঝা যায় তাদের কার্যক্রম দেখে। সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের কাজের চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র হয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত সংবিধান সংস্কার আর বিশ্লেষণ নিয়ে। তোষামোদের রাজনীতি থেকে পুলিশ প্রশাসন কেবল আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছে। এ বিষয়টি সামনের স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপির জন্য যে চ্যালেঞ্জ হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ অনেক ধারণা করে স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামীপন্থীদের সবাই দলে টানার চেষ্টা করবে নানাভাবে। দলীয় প্রতীক বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে সেখানে আওয়ামীপন্থীদের নির্বাচনকে বাধা দিতে কাজ করবে পুলিশ প্রশাসন। আর তা হবে কারও না কারও আজ্ঞা পালনের জন্যই।

তারেক রহমান তার বিগত দিনের রাজনীতিতে বন্ধু বেষ্টনীকে প্রাধান্য দিয়ে যে ভুল করেছেন, তা করার সুযোগ নেই আর। দেশের আর্থিক পরিস্থিতি নাজুক। সেখানে আবার যদি দুর্নীতি পুরোনো ধারায় চলে, তবে দেশ আবার তুলনা করবে বিএনপিকে তার অতীতের শাসনামলের সঙ্গে। জামায়াতে ইসলামী চায় সরকার ভুল করুক। আর সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে এনসিপি আরও নড়বড়ে হোক। এ চিন্তাটা জামায়াতে ইসলামীর মাইনাস ফর্মুলার অংশ।

তা ছাড়া আওয়ামী লীগকে সরকার রাজনীতি করার সুযোগ করে দিচ্ছে বলে বিরোধী দল যে ট্যাগের রাজনীতি করছে, তা দেশকে বিভক্ত করার খেলা। বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা থাকে প্রকৃতপক্ষে বড় দুটি রাজনৈতিক দলকে ঘিরে। সেখানে শেখ হাসিনার চরম ভুল ছিল বিএনপিকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা আর মুক্তিযুদ্ধকে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত করা। আওয়ামী লীগের এ পরিণতি থেকে বিএনপিকে শিক্ষা নিতে হবে এটাই-অতি বাড়াবাড়ি করলে জনগণই দল ও সরকারকে সময়ের প্রবাহে আস্তাকুঁড়ে ফেলে দেয়। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুধু নিজের পরিবর্তন দিয়ে দেশ ভালো চালাতে পারবেন না, যদি তার মন্ত্রী, সাংসদ, নেতা কর্মীরা নিজেদের পরিবর্তন না করেন। তবে বিএনপির রাজনীতিতে নতুন আর প্রবীণদের চিন্তা-চেতনায় মধ্যপন্থী ভাবনাটা থাকতে হবে। তা না হলে নিজেদের অজান্তেই দেশ পড়বে সংকটময় পরিস্থিতিতে।
লেখক : কলামিস্ট
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]