
বাংলাদেশে নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের কারণে চাপ আরো বাড়ছে বলে জানিয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। তিনি বলেন, তবে সাম্প্রতিককালে আসা রোহিঙ্গাদের সঠিক রেজিস্ট্রেশন এখনো হয়নি। তারা কোনো না কোনো ভাবে আসছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ মানবিক। এ মুহূর্তে কত রোহিঙ্গা এসেছে-তা বলা মুশকিল।
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তাদের বৈঠক শেষে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তাজনিত সংকট রয়েছে। এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী প্রশাসনের কর্মকর্তা দেশি-বিদেশি সংস্থার পক্ষ থেকে সুপারিশ দিয়েছে।
বর্তমান সরকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেবে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপত্তা সম্মান এবং মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এর আগে দুপুরে উপদেষ্টা উখিয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে আসেন ফারুক-ই-আজম।
ক্যাম্পে পৌঁছে হোপ ফাউন্ডেশন ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন অব বাংলাদেশ কর্তৃক পরিচালিত হোপ ফিল্ড হসপিটাল পরিদর্শন করেন। এ সময় হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের চিকিৎসাসেবা নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা দেখেন।
পরে তিনি শরণার্থী ক্যাম্পে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা পরিচালিত মানবিক সহায়তা কর্যক্রম বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ই-ভাউচার সেন্টার এবং শরণার্থীদের লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবর্তন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান হোপ ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহিদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
ঠিকানা/এএস
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তাদের বৈঠক শেষে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তাজনিত সংকট রয়েছে। এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী প্রশাসনের কর্মকর্তা দেশি-বিদেশি সংস্থার পক্ষ থেকে সুপারিশ দিয়েছে।
বর্তমান সরকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেবে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপত্তা সম্মান এবং মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এর আগে দুপুরে উপদেষ্টা উখিয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে আসেন ফারুক-ই-আজম।
ক্যাম্পে পৌঁছে হোপ ফাউন্ডেশন ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন অব বাংলাদেশ কর্তৃক পরিচালিত হোপ ফিল্ড হসপিটাল পরিদর্শন করেন। এ সময় হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের চিকিৎসাসেবা নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা দেখেন।
পরে তিনি শরণার্থী ক্যাম্পে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা পরিচালিত মানবিক সহায়তা কর্যক্রম বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ই-ভাউচার সেন্টার এবং শরণার্থীদের লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবর্তন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান হোপ ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহিদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
ঠিকানা/এএস