ফ্রান্স থেকে আহমেদ জুনেদ ফারহান : গত ২ আগস্ট (রবিবার) ইউরোপের কেন্দ্রস্থল ফ্রান্সে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি ও নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে সার্সেল শহরের এমিল জালা মাঠে জমজমাট ‘ফ্রাঙ্কো বাংলা সামার ফেস্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত। অফিওরা ও শাহ গ্রুপ যৌথভাবে এ উৎসবের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অফিওরা পরিচালক কৌশিক রাব্বানি। অনুষ্ঠান শুরুতে পরিবেশন করা হয় জাতীয় সংগীত। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান সাত্তার আলী সুমন অরফে শাহ আলম। বক্তব্যে তিনি অনুষ্ঠানে আগত সকল দর্শকদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং আগামীতে সকলের সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বৃহত্তর পরিসরে এরকম ফেস্টিভ্যাল, মিলনমেলা আয়োজনের জন্য সকলের প্রতি আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় এলাকার মেয়র এবং স্থানীয় এমপি তাদের বক্তব্যে আগত সকল দর্শকদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা বিশেষ সিকিউরিটি গার্ড প্রদান করা হয় এবং যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ প্রশাসনের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নিয়োজিত ছিলেন।
নারী ও শিশুদের জন্য ছিল বিভিন্ন রকমের বিনোদনমূলক প্রতিযোগিতা এবং বিজয়ীদের হাতে প্রদান করা হয় নানান আকর্ষণীয় পুরস্কার।
মেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘র্যাফেল ড্র’ লটারিতে প্রথম পুরস্কার একটি বিএলডব্লিউ গাড়িসহ মোট মোট ১০টি পুরস্কার। স্বচ্ছ নির্ভুল লটারির মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
প্যারিস শহর থেকে কিছুটা দূরে হলেও শেকড়ের টানে নারী-পুরুষ, শিশু কিশোরদের উপস্থিতিতে এবং গানের সম্রাট জেমস ও জলের গান খ্যাত রাহুল আনন্দের গান ও নাচের তালে তালে সবাই যেন হারিয়ে গিয়েছিলেন বাঙ্গালী সঙ্গীত ভুবনে। এছাড়াও গান পরিবেশন করেন ইউরোপের অন্যান্য সংগীত শিল্পীবৃন্ধ।
আনন্দ আর বিনোদনে ক্ষনিকের জন্য সার্সেলের এমিল জালা মাটি হয়ে উঠেছিল ফ্রান্সের মাটিতে এক খন্ড বাংলাদেশ। দেশীয় সংস্কৃতির অত্যন্ত সুন্দর, সুশৃঙ্খল মননশীল ও প্রাণবন্ত এই আয়োজন সবার জন্য অবিস্বরনীয় হয়ে থাকবে।
প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক মানুষের ঢল প্রমাণ করেছে—প্রবাসের মাটিতেও বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা, ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন অত্যন্ত শক্তিশালী। সত্যিই মনে হয়েছে, ফ্রান্সের বুকে এ—যেন এক টুকরো বাংলাদেশ।
মেলায় প্রবাসীদের দেশীয় আমেজ দিতে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবার, পোশাক ও হস্তশিল্প সামগ্রীর বৈচিত্র্যময় স্টলসমূহ ছিল লক্ষণীয়। দর্শনার্থীদের জন্য মেলা দুপুর ১২টায় উন্মুক্ত করা হয় এবং রাত ১০ টায় অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।
ঠিকানা/এসআর
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অফিওরা পরিচালক কৌশিক রাব্বানি। অনুষ্ঠান শুরুতে পরিবেশন করা হয় জাতীয় সংগীত। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান সাত্তার আলী সুমন অরফে শাহ আলম। বক্তব্যে তিনি অনুষ্ঠানে আগত সকল দর্শকদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং আগামীতে সকলের সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বৃহত্তর পরিসরে এরকম ফেস্টিভ্যাল, মিলনমেলা আয়োজনের জন্য সকলের প্রতি আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় এলাকার মেয়র এবং স্থানীয় এমপি তাদের বক্তব্যে আগত সকল দর্শকদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা বিশেষ সিকিউরিটি গার্ড প্রদান করা হয় এবং যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ প্রশাসনের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নিয়োজিত ছিলেন।
নারী ও শিশুদের জন্য ছিল বিভিন্ন রকমের বিনোদনমূলক প্রতিযোগিতা এবং বিজয়ীদের হাতে প্রদান করা হয় নানান আকর্ষণীয় পুরস্কার।
মেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘র্যাফেল ড্র’ লটারিতে প্রথম পুরস্কার একটি বিএলডব্লিউ গাড়িসহ মোট মোট ১০টি পুরস্কার। স্বচ্ছ নির্ভুল লটারির মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
প্যারিস শহর থেকে কিছুটা দূরে হলেও শেকড়ের টানে নারী-পুরুষ, শিশু কিশোরদের উপস্থিতিতে এবং গানের সম্রাট জেমস ও জলের গান খ্যাত রাহুল আনন্দের গান ও নাচের তালে তালে সবাই যেন হারিয়ে গিয়েছিলেন বাঙ্গালী সঙ্গীত ভুবনে। এছাড়াও গান পরিবেশন করেন ইউরোপের অন্যান্য সংগীত শিল্পীবৃন্ধ।
আনন্দ আর বিনোদনে ক্ষনিকের জন্য সার্সেলের এমিল জালা মাটি হয়ে উঠেছিল ফ্রান্সের মাটিতে এক খন্ড বাংলাদেশ। দেশীয় সংস্কৃতির অত্যন্ত সুন্দর, সুশৃঙ্খল মননশীল ও প্রাণবন্ত এই আয়োজন সবার জন্য অবিস্বরনীয় হয়ে থাকবে।
প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক মানুষের ঢল প্রমাণ করেছে—প্রবাসের মাটিতেও বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা, ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন অত্যন্ত শক্তিশালী। সত্যিই মনে হয়েছে, ফ্রান্সের বুকে এ—যেন এক টুকরো বাংলাদেশ।
মেলায় প্রবাসীদের দেশীয় আমেজ দিতে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবার, পোশাক ও হস্তশিল্প সামগ্রীর বৈচিত্র্যময় স্টলসমূহ ছিল লক্ষণীয়। দর্শনার্থীদের জন্য মেলা দুপুর ১২টায় উন্মুক্ত করা হয় এবং রাত ১০ টায় অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।
ঠিকানা/এসআর