জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ঢাকার ২০২৬ সালের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে বিজয়ী হয়েছে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম তরফদার ও অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন প্যানেলের প্রার্থীরা। সভাপতি থেকে শুরু করে সাধারণ সম্পাদকসহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ পদেই তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয় অর্জন করেছেন।
নির্বাচনে সভাপতি পদে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম তরফদার ৯৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সি এম কয়েস সামী পান ৫৮৮ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন আহমদ ৮৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ড. জিয়াউল ইসলাম মুন্না পান ৭২১ ভোট।
সহ-সভাপতি (জালালাবাদ) পদে মো. এহছানে এলাহী ৮৭৬ ভোট পেয়ে ইঞ্জিনিয়ার আজিজুর রহমানের (৬৬৯) বিরুদ্ধে জয় পান। সহ-সভাপতি (সিলেট) পদে তোফায়েল খান ৮৭৩ ভোট পেয়ে ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরীকে (৬৫৭) পরাজিত করেন।
সহ-সভাপতি (মৌলভীবাজার) পদে আব্দুল মজিদ চৌধুরী ৮১৮ ভোট পেয়ে সৈয়দ মুসতাক আহমদকে (৭১০) হারান। সহ-সভাপতি (সুনামগঞ্জ) পদে আকবর হোসেন মঞ্জু ৮৬৬ ভোট পেয়ে ডা. সৈয়দ উমর খৈয়ামের (৬৬৪) বিপক্ষে বিজয়ী হন।
সহ-সভাপতি (হবিগঞ্জ) পদে আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ১,০৫৮ ভোট পেয়ে সফিকুল বারীকে (৪৯০) বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন। সহ-সভাপতি (মহিলা) পদে ডা. সামিয়া মুবিন ১,০৪৭ ভোট পেয়ে শাহনাজ আহমদ মালিকের (৪৮৪) বিরুদ্ধে জয়লাভ করেন।
কোষাধ্যক্ষ পদে রিপন কবির লস্কর ৭৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ লোকমান আহমদ পান ৭৩৯ ভোট।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১ পদে জাকির হোসেন ৮২২ ভোট পেয়ে লায়ন দেলওয়ার হোসেনকে (৭০১) পরাজিত করেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২ পদে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ৮১৫ ভোট পেয়ে কুতুব উদ্দিন সোহেলের (৭০০) বিরুদ্ধে বিজয়ী হন।
দপ্তর সম্পাদক পদে শফিকুল ইসলাম সজল ৯০৭ ভোট পেয়ে আনহার আহমদ সমশাদকে (৬১১) হারান। সাংগঠনিক ও জনসংযোগ সম্পাদক পদে ব্যারিস্টার সৈয়দা সীমা করীম ৯৫০ ভোট পেয়ে আলী মুর্শেদ খানকে (৫৮২) পরাজিত করেন।
শিক্ষা, সাহিত্য ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক পদে নেছার আলী ৯২৫ ভোট পেয়ে ইবনে জামানকে (৫৮০) হারান। ক্রীড়া, চিত্তবিনোদন ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ক্যাপ্টেন মিজানুর রহমান ৮৮৮ ভোট পেয়ে আসিফ হোসেনের (৬১৯) বিরুদ্ধে জয় পান।
মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে ব্যারিস্টার নাসরিন আক্তার শীলা ৭৮৭ ভোট পেয়ে তাসনিম লায়লা জ্যোতিকে (৭৫৯) অল্প ব্যবধানে পরাজিত করেন। আন্তর্জাতিক ও প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক পদে মো. মিজানুর রহমান ৭৬২ ভোট পেয়ে আব্দুল মজিদ চৌধুরী মিন্টুর (৭৩৩) বিরুদ্ধে বিজয়ী হন।
চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পাদক পদে ডা. আবুল কালাম চৌধুরী ৯০৯ ভোট পেয়ে ডা. সাকিল আহমদকে (৬৩৩) হারান। প্রচার, প্রকাশনা ও তথ্যবিষয়ক সম্পাদক পদে সৈয়দ তানজিল মুকতাদির ৭৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
এদিকে সদস্য পদেও নির্বাচিত হয়েছেন বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরা। জালালাবাদ ক্যাটাগরিতে নির্বাচিতরা হলেন— আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী (৯২৮), ড. সৈয়দ শাহ এমরান (৯১৯), বিচারপতি ড. আবু তারিক (৯০৫), তাহমিনা আহাদ রুজি (৮৮২), লে. কর্নেল এ কে এম নাজিমুল ইসলাম (৭৪৩), সোনাহর আলী (শরীফ) (৭২৪), আব্দুল মুকিত (৭০৫) এবং সিরাজুল ইসলাম শামীম (৬৯২)।
সিলেট ক্যাটাগরিতে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আল আজাদ (৮২৬) ও ইন্তেজার চৌধুরী (৭৫০)। মৌলভীবাজার থেকে ব্যারিস্টার ফয়েজ উদ্দিন আহমদ (১,০০২) এবং হাবিবুর রহমান বাবলা (৬৬৮) নির্বাচিত হন। হবিগঞ্জ থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আফছার চৌধুরী (৭৭১) ও আব্দুল মজিদ (৭২৮)।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ীরা সংগঠনের ঐক্য, উন্নয়ন এবং প্রবাসী ও দেশের সদস্যদের মধ্যে আরও কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ঠিকানা/এসআর
নির্বাচনে সভাপতি পদে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম তরফদার ৯৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সি এম কয়েস সামী পান ৫৮৮ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন আহমদ ৮৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ড. জিয়াউল ইসলাম মুন্না পান ৭২১ ভোট।
সহ-সভাপতি (জালালাবাদ) পদে মো. এহছানে এলাহী ৮৭৬ ভোট পেয়ে ইঞ্জিনিয়ার আজিজুর রহমানের (৬৬৯) বিরুদ্ধে জয় পান। সহ-সভাপতি (সিলেট) পদে তোফায়েল খান ৮৭৩ ভোট পেয়ে ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরীকে (৬৫৭) পরাজিত করেন।
সহ-সভাপতি (মৌলভীবাজার) পদে আব্দুল মজিদ চৌধুরী ৮১৮ ভোট পেয়ে সৈয়দ মুসতাক আহমদকে (৭১০) হারান। সহ-সভাপতি (সুনামগঞ্জ) পদে আকবর হোসেন মঞ্জু ৮৬৬ ভোট পেয়ে ডা. সৈয়দ উমর খৈয়ামের (৬৬৪) বিপক্ষে বিজয়ী হন।
সহ-সভাপতি (হবিগঞ্জ) পদে আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ১,০৫৮ ভোট পেয়ে সফিকুল বারীকে (৪৯০) বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন। সহ-সভাপতি (মহিলা) পদে ডা. সামিয়া মুবিন ১,০৪৭ ভোট পেয়ে শাহনাজ আহমদ মালিকের (৪৮৪) বিরুদ্ধে জয়লাভ করেন।
কোষাধ্যক্ষ পদে রিপন কবির লস্কর ৭৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ লোকমান আহমদ পান ৭৩৯ ভোট।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১ পদে জাকির হোসেন ৮২২ ভোট পেয়ে লায়ন দেলওয়ার হোসেনকে (৭০১) পরাজিত করেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২ পদে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ৮১৫ ভোট পেয়ে কুতুব উদ্দিন সোহেলের (৭০০) বিরুদ্ধে বিজয়ী হন।
দপ্তর সম্পাদক পদে শফিকুল ইসলাম সজল ৯০৭ ভোট পেয়ে আনহার আহমদ সমশাদকে (৬১১) হারান। সাংগঠনিক ও জনসংযোগ সম্পাদক পদে ব্যারিস্টার সৈয়দা সীমা করীম ৯৫০ ভোট পেয়ে আলী মুর্শেদ খানকে (৫৮২) পরাজিত করেন।
শিক্ষা, সাহিত্য ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক পদে নেছার আলী ৯২৫ ভোট পেয়ে ইবনে জামানকে (৫৮০) হারান। ক্রীড়া, চিত্তবিনোদন ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ক্যাপ্টেন মিজানুর রহমান ৮৮৮ ভোট পেয়ে আসিফ হোসেনের (৬১৯) বিরুদ্ধে জয় পান।
মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে ব্যারিস্টার নাসরিন আক্তার শীলা ৭৮৭ ভোট পেয়ে তাসনিম লায়লা জ্যোতিকে (৭৫৯) অল্প ব্যবধানে পরাজিত করেন। আন্তর্জাতিক ও প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক পদে মো. মিজানুর রহমান ৭৬২ ভোট পেয়ে আব্দুল মজিদ চৌধুরী মিন্টুর (৭৩৩) বিরুদ্ধে বিজয়ী হন।
চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পাদক পদে ডা. আবুল কালাম চৌধুরী ৯০৯ ভোট পেয়ে ডা. সাকিল আহমদকে (৬৩৩) হারান। প্রচার, প্রকাশনা ও তথ্যবিষয়ক সম্পাদক পদে সৈয়দ তানজিল মুকতাদির ৭৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
এদিকে সদস্য পদেও নির্বাচিত হয়েছেন বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরা। জালালাবাদ ক্যাটাগরিতে নির্বাচিতরা হলেন— আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী (৯২৮), ড. সৈয়দ শাহ এমরান (৯১৯), বিচারপতি ড. আবু তারিক (৯০৫), তাহমিনা আহাদ রুজি (৮৮২), লে. কর্নেল এ কে এম নাজিমুল ইসলাম (৭৪৩), সোনাহর আলী (শরীফ) (৭২৪), আব্দুল মুকিত (৭০৫) এবং সিরাজুল ইসলাম শামীম (৬৯২)।
সিলেট ক্যাটাগরিতে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আল আজাদ (৮২৬) ও ইন্তেজার চৌধুরী (৭৫০)। মৌলভীবাজার থেকে ব্যারিস্টার ফয়েজ উদ্দিন আহমদ (১,০০২) এবং হাবিবুর রহমান বাবলা (৬৬৮) নির্বাচিত হন। হবিগঞ্জ থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আফছার চৌধুরী (৭৭১) ও আব্দুল মজিদ (৭২৮)।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ীরা সংগঠনের ঐক্য, উন্নয়ন এবং প্রবাসী ও দেশের সদস্যদের মধ্যে আরও কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ঠিকানা/এসআর