এনসিপির জুলাই পদযাত্রা মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জে হামলার মুখে পড়ে। যাতে জড়িত স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদল। তবে এই হামলাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে দাবি করছেন বিএনপির প্রশিক্ষণ-বিষয়ক সম্পাদক ও পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন।
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলছেন, এ ধরনের হামলা অনেকটা আকস্মিক ঘটে গেছে। এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। হামলায় যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তাই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাও হয়েছে, বলেন তিনি।
তবে সব দলের জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য সংযত হওয়া উচিত বলে মনে করেন বিএনপির সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন। তার ভাষ্যমতে, ‘এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত জাতীয় নির্বাচনের সময় বর্ষীয়ান রাজনীতিক মির্জা আব্বাসকে কটাক্ষ করে নানা বক্তব্য দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি বলেছেন, বিএনপিও পালিয়ে যাবে। তারেক রহমানকে টেনে-হিঁচড়ে ক্ষমতা থেকে নামানো হবে। তাকে আবার লন্ডনে চলে যেতে হবে। রাজনীতির নামে এ ধরনের বক্তব্য কিন্তু গ্রহণযোগ্য নয়। এগুলো সহিংস পরিস্থিতি তৈরিতে উসকানি দেয়।’
৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার এই টকশোতে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। জুলাই সনদ, জাতীয় সংসদ, সরকার, প্রশাসন ও রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন দুই অতিথি।
হবিগঞ্জে বিএনপির হামলায় আহত এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ চৌধুরীর এক চোখ নষ্ট, আরেক চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়টি সামনে এনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘কোনো রাজনীতিবিদের বক্তব্যের কারণে কারও চোখ তুলে ফেলা হবে, এমন আচরণের কোনো ব্যাখ্যা থাকতে পারে না। এনসিপির কারও বক্তব্যে আপনি সংক্ষুব্ধ হলে আইনের আশ্রয় নিতে পারেন। কথার বিপরীতে সহিংস হবেন কেন?’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বিগত জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কিছু প্রশ্ন ছিল। আমরা তবু ভোটের ফল গ্রহণ করেছি, সংসদে গিয়েছি। সে ক্ষেত্রে সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে নির্বাচন নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে কথা বলেছিলেন, সেটার জবাব তিনি বা এনসিপি দেবে। এমন বক্তব্যে আমরা কখনোই সমর্থন দেব না।’
এদিকে এনসিপির জুলাই পদযাত্রায় হামলায় হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছের ইন্ধন ছিল, এমন অভিযোগ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে, বিএনপির প্রশিক্ষণ-বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘তার উপস্থিতি কতটুকু ছিল আমরা জানি না। তবে নির্বাচিত এমপি হিসেবে আমাদের দায়িত্ব নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভালো রাখার জন্য কাজ করা। যদি আমরা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হই, তবে নিজে যেমন বিপদে পড়ব, তেমনি দলের জন্যও বিষয়টি ভালো হবে না। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোনো অন্যায়ের পক্ষে নেই, সবাইকে এই কঠোর বার্তা দিতে চাইছে সব সময়।’
জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে, প্রায়ই বলছেন বিএনপির শীর্ষনেতারা। তবু এর বাস্তবায়ন নিয়ে জামায়াত কেন সংশয়ে- এ প্রসঙ্গে ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেছেন, জুলাই সনদ অন্তহীন প্রতারণার দলিল। তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেনি। গুম কমিশন বাতিল করে দিয়েছে। উচ্চ আদালতের আলাদা সচিবালয় বাতিল করেছে। এখন বিএনপি যদি আসলেই সংস্কারের পক্ষে থাকে, তাহলে তাদের জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দিকে আসতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।
ঠিকানা/এনআই
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলছেন, এ ধরনের হামলা অনেকটা আকস্মিক ঘটে গেছে। এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। হামলায় যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তাই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাও হয়েছে, বলেন তিনি।
তবে সব দলের জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য সংযত হওয়া উচিত বলে মনে করেন বিএনপির সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন। তার ভাষ্যমতে, ‘এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত জাতীয় নির্বাচনের সময় বর্ষীয়ান রাজনীতিক মির্জা আব্বাসকে কটাক্ষ করে নানা বক্তব্য দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি বলেছেন, বিএনপিও পালিয়ে যাবে। তারেক রহমানকে টেনে-হিঁচড়ে ক্ষমতা থেকে নামানো হবে। তাকে আবার লন্ডনে চলে যেতে হবে। রাজনীতির নামে এ ধরনের বক্তব্য কিন্তু গ্রহণযোগ্য নয়। এগুলো সহিংস পরিস্থিতি তৈরিতে উসকানি দেয়।’
৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার এই টকশোতে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। জুলাই সনদ, জাতীয় সংসদ, সরকার, প্রশাসন ও রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন দুই অতিথি।
হবিগঞ্জে বিএনপির হামলায় আহত এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ চৌধুরীর এক চোখ নষ্ট, আরেক চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়টি সামনে এনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘কোনো রাজনীতিবিদের বক্তব্যের কারণে কারও চোখ তুলে ফেলা হবে, এমন আচরণের কোনো ব্যাখ্যা থাকতে পারে না। এনসিপির কারও বক্তব্যে আপনি সংক্ষুব্ধ হলে আইনের আশ্রয় নিতে পারেন। কথার বিপরীতে সহিংস হবেন কেন?’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বিগত জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কিছু প্রশ্ন ছিল। আমরা তবু ভোটের ফল গ্রহণ করেছি, সংসদে গিয়েছি। সে ক্ষেত্রে সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে নির্বাচন নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে কথা বলেছিলেন, সেটার জবাব তিনি বা এনসিপি দেবে। এমন বক্তব্যে আমরা কখনোই সমর্থন দেব না।’
এদিকে এনসিপির জুলাই পদযাত্রায় হামলায় হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছের ইন্ধন ছিল, এমন অভিযোগ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে, বিএনপির প্রশিক্ষণ-বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘তার উপস্থিতি কতটুকু ছিল আমরা জানি না। তবে নির্বাচিত এমপি হিসেবে আমাদের দায়িত্ব নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভালো রাখার জন্য কাজ করা। যদি আমরা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হই, তবে নিজে যেমন বিপদে পড়ব, তেমনি দলের জন্যও বিষয়টি ভালো হবে না। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোনো অন্যায়ের পক্ষে নেই, সবাইকে এই কঠোর বার্তা দিতে চাইছে সব সময়।’
জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে, প্রায়ই বলছেন বিএনপির শীর্ষনেতারা। তবু এর বাস্তবায়ন নিয়ে জামায়াত কেন সংশয়ে- এ প্রসঙ্গে ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেছেন, জুলাই সনদ অন্তহীন প্রতারণার দলিল। তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেনি। গুম কমিশন বাতিল করে দিয়েছে। উচ্চ আদালতের আলাদা সচিবালয় বাতিল করেছে। এখন বিএনপি যদি আসলেই সংস্কারের পক্ষে থাকে, তাহলে তাদের জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দিকে আসতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।
ঠিকানা/এনআই