নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানি এবং এনওয়াইপিডি কমিশনার জেসিকা এস. টিশ বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক পুলিশ একাডেমিতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি পুলিশ কর্মকর্তা ডিটেকটিভ স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ডের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুলিশ একাডেমির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ ভবনের নাম তাঁর নামে উৎসর্গ করেন।
১৬ জুলাই সকালের অনুষ্ঠানে মেয়র মামদানি বলেন, স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ড শুধু একজন সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন না; তিনি ছিলেন ক্ষমা, মানবিকতা এবং আত্মত্যাগের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর জীবন নতুন প্রজন্মের পুলিশ সদস্যদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
মেয়র কমিশনার জেসিকা টিশ, এনওয়াইপিডির সদস্য, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল, বিভিন্ন বরোর প্রেসিডেন্ট, ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি, নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ফাউন্ডেশন, এনওয়াইপিডির প্রধান ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং পুলিশ একাডেমির প্রশিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি ডিটেকটিভ ম্যাকডোনাল্ডের স্ত্রী প্যাটি অ্যান ম্যাকডোনাল্ড এবং তাঁর ছেলে ক্যাপ্টেন কনর ম্যাকডোনাল্ডের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মেয়র বলেন, গত চার দশক ধরে প্যাটি অ্যানের সাহস ও দৃঢ়তা আমাদের শহরকে আলোকিত করেছে। আর ক্যাপ্টেন কনর ম্যাকডোনাল্ড তাঁর বাবার আদর্শকে প্রতিদিন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। নিউইয়র্ক সিটি তাঁদের জন্য গর্বিত।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও বেছে নিয়েছিলেন ক্ষমার পথ বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র। মেয়র তাঁর বক্তব্যে স্মরণ করেন, ১৯৮৬ সালের জুলাই মাসে, মাত্র ২৯ বছর বয়সে, সেন্ট্রাল পার্কে দায়িত্ব পালনকালে স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ড খুব কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ হন। তখন তাঁর সামনে ছিল উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, স্ত্রী ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা এবং তিনি নিউইয়র্ক পুলিশের পারিবারিক ঐতিহ্য বহন করছিলেন।
সেই হামলায় তিনি স্থায়ীভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন এবং জীবনের বাকি সময় শ্বাসযন্ত্রের সহায়তায় বেঁচে থাকতে হয়। কিন্তু এই ভয়াবহ ঘটনার পরও তিনি প্রতিশোধ নয়, ক্ষমাকেই বেছে নিয়েছিলেন।
মেয়র বলেন, হামলার পর স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ড লিখেছিলেন, তিনি আশা করেন তাঁর ওপর হামলাকারী ১৫ বছর বয়সী কিশোরটি যেন জীবনে শান্তি ও উদ্দেশ্য খুঁজে পায়। এমন একজন মানুষ, যিনি নিজের হত্যাচেষ্টাকারীর জন্যও কল্যাণ কামনা করতে পারেন—তাঁর মহত্ত্বের তুলনা নেই।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছেন ক্ষমা ও অহিংসার বার্তা ছড়িয়েছেন তিনি। মেয়র মামদানি বলেন, ডিটেকটিভ ম্যাকডোনাল্ড বিশ্বাস করতেন জীবনের প্রকৃত অর্থ আসে একটি মহৎ উদ্দেশ্য থেকে। তাই তিনি নিজের অভিজ্ঞতাকে শক্তিতে পরিণত করে বিশ্বজুড়ে ক্ষমা, অহিংসা এবং শান্তিপূর্ণ বিরোধ নিষ্পত্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন।
গুরুতর শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও তিনি বহু বছর সক্রিয় দায়িত্বে এনওয়াইপিডির সদস্য হিসেবে কাজ চালিয়ে যান। নতুন পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও অনুপ্রেরণা দেওয়াকেও তিনি নিজের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য বানিয়েছিলেন।
নতুন প্রজন্মের পুলিশ সদস্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন তিনি। মেয়র বলেন, এখন থেকে প্রতিদিন অসংখ্য পুলিশ প্রশিক্ষণার্থী যখন এই একাডেমির দরজা দিয়ে প্রবেশ করবেন, তখন ডিটেকটিভ স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ডের নাম তাঁদের মনে করিয়ে দেবে—সাহস, সততা, মানবিকতা ও অধ্যবসায় দিয়েই একজন প্রকৃত পুলিশ কর্মকর্তা হয়ে ওঠা যায়।
তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের কঠিন সময়ে, কিংবা ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যখন কোনো কর্মকর্তা দ্বিধা, সংকট বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন, তখন স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ডের জীবন তাঁদের পথ দেখাবে। তাঁর উত্তরাধিকার আগামী প্রজন্মের প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে অনুপ্রাণিত করবে এবং এর মাধ্যমে পুরো নিউইয়র্ক সিটিই উপকৃত হবে।
অনুষ্ঠির শেষে মেয়র মামদানি বলেন, ডিটেকটিভ স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ডের নাম শুধু একটি ভবনের সঙ্গে যুক্ত হলো না, বরং এটি নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের মূল্যবোধ, সেবা, সহমর্মিতা এবং ক্ষমার চিরন্তন প্রতীক হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বেঁচে থাকবে।
১৬ জুলাই সকালের অনুষ্ঠানে মেয়র মামদানি বলেন, স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ড শুধু একজন সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন না; তিনি ছিলেন ক্ষমা, মানবিকতা এবং আত্মত্যাগের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর জীবন নতুন প্রজন্মের পুলিশ সদস্যদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
মেয়র কমিশনার জেসিকা টিশ, এনওয়াইপিডির সদস্য, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল, বিভিন্ন বরোর প্রেসিডেন্ট, ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি, নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ফাউন্ডেশন, এনওয়াইপিডির প্রধান ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং পুলিশ একাডেমির প্রশিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি ডিটেকটিভ ম্যাকডোনাল্ডের স্ত্রী প্যাটি অ্যান ম্যাকডোনাল্ড এবং তাঁর ছেলে ক্যাপ্টেন কনর ম্যাকডোনাল্ডের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মেয়র বলেন, গত চার দশক ধরে প্যাটি অ্যানের সাহস ও দৃঢ়তা আমাদের শহরকে আলোকিত করেছে। আর ক্যাপ্টেন কনর ম্যাকডোনাল্ড তাঁর বাবার আদর্শকে প্রতিদিন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। নিউইয়র্ক সিটি তাঁদের জন্য গর্বিত।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও বেছে নিয়েছিলেন ক্ষমার পথ বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র। মেয়র তাঁর বক্তব্যে স্মরণ করেন, ১৯৮৬ সালের জুলাই মাসে, মাত্র ২৯ বছর বয়সে, সেন্ট্রাল পার্কে দায়িত্ব পালনকালে স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ড খুব কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ হন। তখন তাঁর সামনে ছিল উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, স্ত্রী ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা এবং তিনি নিউইয়র্ক পুলিশের পারিবারিক ঐতিহ্য বহন করছিলেন।
সেই হামলায় তিনি স্থায়ীভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন এবং জীবনের বাকি সময় শ্বাসযন্ত্রের সহায়তায় বেঁচে থাকতে হয়। কিন্তু এই ভয়াবহ ঘটনার পরও তিনি প্রতিশোধ নয়, ক্ষমাকেই বেছে নিয়েছিলেন।
মেয়র বলেন, হামলার পর স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ড লিখেছিলেন, তিনি আশা করেন তাঁর ওপর হামলাকারী ১৫ বছর বয়সী কিশোরটি যেন জীবনে শান্তি ও উদ্দেশ্য খুঁজে পায়। এমন একজন মানুষ, যিনি নিজের হত্যাচেষ্টাকারীর জন্যও কল্যাণ কামনা করতে পারেন—তাঁর মহত্ত্বের তুলনা নেই।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছেন ক্ষমা ও অহিংসার বার্তা ছড়িয়েছেন তিনি। মেয়র মামদানি বলেন, ডিটেকটিভ ম্যাকডোনাল্ড বিশ্বাস করতেন জীবনের প্রকৃত অর্থ আসে একটি মহৎ উদ্দেশ্য থেকে। তাই তিনি নিজের অভিজ্ঞতাকে শক্তিতে পরিণত করে বিশ্বজুড়ে ক্ষমা, অহিংসা এবং শান্তিপূর্ণ বিরোধ নিষ্পত্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন।
গুরুতর শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও তিনি বহু বছর সক্রিয় দায়িত্বে এনওয়াইপিডির সদস্য হিসেবে কাজ চালিয়ে যান। নতুন পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও অনুপ্রেরণা দেওয়াকেও তিনি নিজের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য বানিয়েছিলেন।
নতুন প্রজন্মের পুলিশ সদস্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন তিনি। মেয়র বলেন, এখন থেকে প্রতিদিন অসংখ্য পুলিশ প্রশিক্ষণার্থী যখন এই একাডেমির দরজা দিয়ে প্রবেশ করবেন, তখন ডিটেকটিভ স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ডের নাম তাঁদের মনে করিয়ে দেবে—সাহস, সততা, মানবিকতা ও অধ্যবসায় দিয়েই একজন প্রকৃত পুলিশ কর্মকর্তা হয়ে ওঠা যায়।
তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের কঠিন সময়ে, কিংবা ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যখন কোনো কর্মকর্তা দ্বিধা, সংকট বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন, তখন স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ডের জীবন তাঁদের পথ দেখাবে। তাঁর উত্তরাধিকার আগামী প্রজন্মের প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে অনুপ্রাণিত করবে এবং এর মাধ্যমে পুরো নিউইয়র্ক সিটিই উপকৃত হবে।
অনুষ্ঠির শেষে মেয়র মামদানি বলেন, ডিটেকটিভ স্টিভেন ম্যাকডোনাল্ডের নাম শুধু একটি ভবনের সঙ্গে যুক্ত হলো না, বরং এটি নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের মূল্যবোধ, সেবা, সহমর্মিতা এবং ক্ষমার চিরন্তন প্রতীক হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বেঁচে থাকবে।