২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা ব্রাজিলকে প্রথম ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে। শক্তিশালী মরক্কোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত গোলে হার এড়ালেও পূর্ণ তিন পয়েন্ট পাওয়া হয়নি সেলেসাওদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে মরক্কো। আফ্রিকার দলটি উচ্চগতির প্রেসিং ও দ্রুত আক্রমণের মাধ্যমে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে। প্রথম ১০ মিনিটে বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল মরক্কোই।
তবে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে ব্রাজিল। মাঝমাঠে দখল বাড়িয়ে আক্রমণের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করে তারা। ম্যাচের ১৫ মিনিটের দিকে এক দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়। সতীর্থের নিখুঁত পাস পেয়ে মরক্কোর ডি-বক্সে একেবারে ফাঁকা জায়গায় বল পান ফরোয়ার্ড ইগর থিয়াগো। কিন্তু তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে ব্রাজিল।
এরপর ২১তম মিনিটে মরক্কো সমর্থকদের উল্লাসে ভাসান ইসমাইল সাইবারি। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া চমৎকার থ্রু পাস ধরে ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে সামনে পেয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিপ শটে বল জালে পাঠান তিনি। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মরক্কো।
গোল হজমের পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় ব্রাজিল। একাধিকবার মরক্কোর রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে তারা। এরই ফল আসে ৩২তম মিনিটে। বাঁ প্রান্ত দিয়ে দারুণ গতিতে বক্সে ঢুকে একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অসাধারণ শটে বল জালে জড়ান ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার গোলে সমতায় ফেরে সেলেসাওরা এবং ১-১ ব্যবধানে শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পর দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। ব্রাজিল বলের দখল ও আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও মরক্কোও পাল্টা আক্রমণে বিপজ্জনক ছিল। রদ্রিগো, ভিনিসিয়ুস ও ব্রুনো গিমারাইসের প্রচেষ্টায় কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। অন্যদিকে সাইবারি ও হাকিম জিয়াশকে ঘিরে মরক্কোর আক্রমণগুলোও ব্রাজিলের রক্ষণ ও গোলরক্ষক অ্যালিসনের দৃঢ়তায় ব্যর্থ হয়।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ গোলের সমতায় ম্যাচ শেষ হয়। ফলে দুই দলই একটি করে পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল।
বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে আসরে নামা ব্রাজিলের জন্য এই ড্র কিছুটা হতাশার হলেও শক্তিশালী মরক্কোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফিরে আসা দলের মানসিক দৃঢ়তারই প্রমাণ দিয়েছে। অন্যদিকে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো আবারও দেখিয়ে দিল, বড় দলগুলোর জন্য তারা কতটা কঠিন প্রতিপক্ষ।
ঠিকানা/এসআর
ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে মরক্কো। আফ্রিকার দলটি উচ্চগতির প্রেসিং ও দ্রুত আক্রমণের মাধ্যমে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে। প্রথম ১০ মিনিটে বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল মরক্কোই।
তবে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে ব্রাজিল। মাঝমাঠে দখল বাড়িয়ে আক্রমণের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করে তারা। ম্যাচের ১৫ মিনিটের দিকে এক দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়। সতীর্থের নিখুঁত পাস পেয়ে মরক্কোর ডি-বক্সে একেবারে ফাঁকা জায়গায় বল পান ফরোয়ার্ড ইগর থিয়াগো। কিন্তু তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে ব্রাজিল।
এরপর ২১তম মিনিটে মরক্কো সমর্থকদের উল্লাসে ভাসান ইসমাইল সাইবারি। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া চমৎকার থ্রু পাস ধরে ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে সামনে পেয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিপ শটে বল জালে পাঠান তিনি। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মরক্কো।
গোল হজমের পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় ব্রাজিল। একাধিকবার মরক্কোর রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে তারা। এরই ফল আসে ৩২তম মিনিটে। বাঁ প্রান্ত দিয়ে দারুণ গতিতে বক্সে ঢুকে একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অসাধারণ শটে বল জালে জড়ান ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার গোলে সমতায় ফেরে সেলেসাওরা এবং ১-১ ব্যবধানে শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পর দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। ব্রাজিল বলের দখল ও আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও মরক্কোও পাল্টা আক্রমণে বিপজ্জনক ছিল। রদ্রিগো, ভিনিসিয়ুস ও ব্রুনো গিমারাইসের প্রচেষ্টায় কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। অন্যদিকে সাইবারি ও হাকিম জিয়াশকে ঘিরে মরক্কোর আক্রমণগুলোও ব্রাজিলের রক্ষণ ও গোলরক্ষক অ্যালিসনের দৃঢ়তায় ব্যর্থ হয়।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ গোলের সমতায় ম্যাচ শেষ হয়। ফলে দুই দলই একটি করে পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল।
বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে আসরে নামা ব্রাজিলের জন্য এই ড্র কিছুটা হতাশার হলেও শক্তিশালী মরক্কোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফিরে আসা দলের মানসিক দৃঢ়তারই প্রমাণ দিয়েছে। অন্যদিকে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো আবারও দেখিয়ে দিল, বড় দলগুলোর জন্য তারা কতটা কঠিন প্রতিপক্ষ।
ঠিকানা/এসআর