দ্বিদলীয় সমর্থনে মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া ‘হাউজিং অ্যাফোর্ডেবিলিটি বা আবাসন-সাশ্রয়ী’ বিলটিতে স্বাক্ষর করবেন না দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর ছাড়াও বিলটি আইনে পরিণত হতে পারে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ পাস করতে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্যর্থ হওয়ার প্রতিবাদ হিসেবে তিনি আবাসন বিলটিতে স্বাক্ষর করছেন না। একই সঙ্গে গত ২৯ জুন বিলটিকে ভোট-সংক্রান্ত আইনের তুলনায় একেবারেই ‘গুরুত্বহীন’ বলে মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প।
এর আগে গভীর রাজনৈতিক বিভাজনের মধ্যেও এই আবাসন বিলটি কংগ্রেসে বিরল দ্বিদলীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাস হয়।
বিলটির গুরুত্বপূর্ণ বিধানগুলোর মধ্যে রয়েছে আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের পরিবেশগত পর্যালোচনার প্রক্রিয়া সহজ বা দ্রুত করা এবং ওয়াল স্ট্রিটের বড় বিনিয়োগকারীরা কতটি আগে থেকেই নির্মিত একক-পরিবারের বাড়ির মালিক হতে পারবেন, তার একটি সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা।
গত ২৪ জুন হঠাৎ করেই বিলটিতে স্বাক্ষরের নির্ধারিত অনুষ্ঠান বাতিল করেন ট্রাম্প। এর মাধ্যমে তিনি রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের ওপর ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ পাসের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন।
প্রস্তাবিত ওই আইনে ভোটার নিবন্ধনের জন্য নাগরিকত্বের প্রমাণ বাধ্যতামূলক করা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোর তথ্য ব্যবহার করে একটি জাতীয় ভোটার ডাটাবেস তৈরির বিধান রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ করে এলেও এ দাবির পক্ষে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি ট্রাম্প।
বিলটি ইতোমধ্যে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই পাস হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের কাছে বিল পৌঁছানোর পর ১০ দিনের মধ্যে তিনি সেটিতে স্বাক্ষর বা ভেটো দিতে পারেন। এই সময়ের মধ্যে কোনো পদক্ষেপ না নিলে বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তার স্বাক্ষর ছাড়াই আইনে পরিণত হবে।
ঠিকানা/এনআই
শুক্রবার (১০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ পাস করতে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্যর্থ হওয়ার প্রতিবাদ হিসেবে তিনি আবাসন বিলটিতে স্বাক্ষর করছেন না। একই সঙ্গে গত ২৯ জুন বিলটিকে ভোট-সংক্রান্ত আইনের তুলনায় একেবারেই ‘গুরুত্বহীন’ বলে মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প।
এর আগে গভীর রাজনৈতিক বিভাজনের মধ্যেও এই আবাসন বিলটি কংগ্রেসে বিরল দ্বিদলীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাস হয়।
বিলটির গুরুত্বপূর্ণ বিধানগুলোর মধ্যে রয়েছে আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের পরিবেশগত পর্যালোচনার প্রক্রিয়া সহজ বা দ্রুত করা এবং ওয়াল স্ট্রিটের বড় বিনিয়োগকারীরা কতটি আগে থেকেই নির্মিত একক-পরিবারের বাড়ির মালিক হতে পারবেন, তার একটি সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা।
গত ২৪ জুন হঠাৎ করেই বিলটিতে স্বাক্ষরের নির্ধারিত অনুষ্ঠান বাতিল করেন ট্রাম্প। এর মাধ্যমে তিনি রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের ওপর ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ পাসের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন।
প্রস্তাবিত ওই আইনে ভোটার নিবন্ধনের জন্য নাগরিকত্বের প্রমাণ বাধ্যতামূলক করা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোর তথ্য ব্যবহার করে একটি জাতীয় ভোটার ডাটাবেস তৈরির বিধান রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ করে এলেও এ দাবির পক্ষে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি ট্রাম্প।
বিলটি ইতোমধ্যে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই পাস হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের কাছে বিল পৌঁছানোর পর ১০ দিনের মধ্যে তিনি সেটিতে স্বাক্ষর বা ভেটো দিতে পারেন। এই সময়ের মধ্যে কোনো পদক্ষেপ না নিলে বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তার স্বাক্ষর ছাড়াই আইনে পরিণত হবে।
ঠিকানা/এনআই