নিউইয়র্ক সিটির এক লাখেরও বেশি তরুণ-তরুণীর জন্য এ বছরের সামার ইয়ুথ এমপ্লয়মেন্ট প্রোগ্রাম-সাইপ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানি। আগামী ছয় সপ্তাহ ধরে এটি চলবে। এই কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারীরা নগরীর পাঁচটি বরোজুড়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি বেতনও পাবেন। ইতোমধ্যে ইন্টার্নরা কাজও শুরু করেছেন।
৬ জুলাই সিটি হল থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমিউনিটি সংগঠন, ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থাসহ হাজারো কর্মস্থলে তরুণ-তরুণীদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব কর্মক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।
গ্রীষ্মকালীন চাকরি ভবিষ্যতের প্রথম ধাপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানি বলেন, অনেক তরুণের জন্য গ্রীষ্মকালীন চাকরি শুধু অবসর সময় কাটানোর উপায় নয়, বরং এটি তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
তিনি বলেন, বহু বছর ধরে সাইপ হাজার হাজার নিউইয়র্কবাসীকে কর্মজীবনের সূচনা করতে, পেশাগত দক্ষতা অর্জন করতে এবং নিজেদের কমিউনিটির জন্য কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা উপার্জনের সুযোগও পাচ্ছে। এবারের অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন। আমরা আশা করি, এই গ্রীষ্মে তারা শুধু নতুন দক্ষতাই অর্জন করবে না, নিজেদের সম্পর্কেও নতুন কিছু আবিষ্কার করবে।
কর্মজীবনের পাশাপাশি আর্থিক শিক্ষাও লাভ করে। স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিষয়ক ডেপুটি মেয়র ড. হেলেন আর্টেগা বলেন, এসওয়াইপি শুধু কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা দেয় না, এটি তরুণদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও প্রস্তুত করে।
তার ভাষায়, এই ধরনের কর্মসূচিই ভবিষ্যতের পেশাগত ও ব্যক্তিগত সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ কমিউনিটির তরুণদের জন্য এটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করে।
৬৩ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় যুব কর্মসংস্থান কর্মসূচির এটি একটি অংশ। নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব ইয়ুথ অ্যান্ড কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট-এর কমিশনার স্যান্ড্রা এস্কামিলা-ডেভিস বলেন, ৬৩ বছরে পদার্পণ করা সাইপ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় যুব কর্মসংস্থান কর্মসূচি। তিনি বলেন, কর্মসূচিটি তরুণদের বিভিন্ন পেশা সম্পর্কে জানার সুযোগ, অর্থবহ কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করছে। একই সঙ্গে মেন্টরশিপ ও বাস্তব কর্মপরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও দিচ্ছে।
তার মতে, সামার রাইজিং, সেটার ডে নাইট লাইটস এবং সামার নাইট লাইটসও-এর মতো অন্যান্য বিনামূল্যের ডিওয়াইসিডি কর্মসূচির পাশাপাশি এসওয়াইপি তরুণদের জন্য নিরাপদ, ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ গ্রীষ্মকাল নিশ্চিত করছে। এতে করে তারা অনেক বিষয়ে উপকৃত হবেন।
আরো জানানো হয়, এই বছর সাইপে রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। চলতি বছরের শুরুতে মেয়র মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তরুণদের সাইপ-এ আবেদন করার আহ্বান জানান। এর পর এ বছর কর্মসূচির জন্য রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে বলে সিটি প্রশাসন জানিয়েছে।
ছয় সপ্তাহের কর্মসূচি একটি অন্যন্য উদাহারণ। জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত চলা ছয় সপ্তাহের এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে বেতন পাবেন। পাশাপাশি তারা বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা, যোগাযোগ দক্ষতা, দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
সিটি প্রশাসনের মতে, এই কর্মসূচি তরুণদের আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করার পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটিকে আরও সাশ্রয়ী ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে এটি। সাইপ এর মাধ্যমে বিশেষভাবে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এমন তরুণ-তরুণীদের, যারা বিভিন্ন কারণে কর্মসংস্থানে পিছিয়ে পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে-বন্দুক সহিংসতার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা তরুণরা। পাবলিক হাউজিং এর বাসিন্দারা। গৃহহীন তরুণ-তরুণী। প্রতিবন্ধী যুবসমাজ। বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত তরুণরা। ফস্টার কেয়ারে বসবাসকারী কিশোর-কিশোরীরা।
গবেষণায় ইতিবাচক ফল হিসাবে বলা হয়, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সাইপ-এ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে-বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পায়। নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়। কারাবন্দি হওয়ার ঝুঁকি কমে। অপরাধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। নিরাপদ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার সুযোগ বাড়ে।
২০২১ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, সাইপ-এ অংশগ্রহণকারীদের অপরাধ করা ও এই কারণে গ্রেপ্তার হওয়ার সম্ভাবনা ১৭ শতাংশ এবং গুরুতর অপরাধে (ফেলনি) গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা ২৩ শতাংশ কমে যায়। এছাড়া কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাঁচ বছর পরও তাদের কারাগারে যাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালীন কর্মসংস্থান তরুণদের জীবন রক্ষা, অপরাধ কমানো এবং কমিউনিটিকে আরও শক্তিশালী করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
লিফট এই তরুনদের জন্য বিশেস সহযোগিতা দিচ্ছে। রাইড-শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান লিফট এ বছরও সাইপ-এর অংশগ্রহণকারীদের জন্য এক হাজার দুই’শটি বিনামূল্যের দুই মাসের সিটি বাইক সদস্যপদ প্রদান করছে। এর ফলে তরুণরা সহজে কর্মস্থলে যাতায়াত করতে পারবেন এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় চলাচলের সুযোগ পাবেন।
এছাড়া লিফট তাদের স্যোশাল ইমপ্যাক্ট টিম এ সাইপ ইন্টার্নদের কাজের সুযোগ দিচ্ছে। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা বেসরকারি খাতের কাজ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি নেতৃত্ব, যোগাযোগ ও কমিউনিটি অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করার দক্ষতা গড়ে তুলতে পারবেন।
লিফট ওবার সল্যুশন্সের কমিউনিটি অ্যান্ড ইকুইটি প্রোগ্রামসের সিনিয়র ম্যানেজার ইনবার কিশোনি বলেন, পরিবহনে সহজ প্রবেশাধিকার মানেই সম্ভাবনার নতুন দরজা খুলে যাওয়া। ২০২২ সাল থেকে আমরা বিনামূল্যের সিটি বাইক সদস্যপদ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তরুণদের আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে আসছি। কারণ তরুণরা এগিয়ে গেলে শহরও এগিয়ে যায়।
ঠিকানা/এসআর
৬ জুলাই সিটি হল থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমিউনিটি সংগঠন, ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থাসহ হাজারো কর্মস্থলে তরুণ-তরুণীদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব কর্মক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।
গ্রীষ্মকালীন চাকরি ভবিষ্যতের প্রথম ধাপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানি বলেন, অনেক তরুণের জন্য গ্রীষ্মকালীন চাকরি শুধু অবসর সময় কাটানোর উপায় নয়, বরং এটি তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
তিনি বলেন, বহু বছর ধরে সাইপ হাজার হাজার নিউইয়র্কবাসীকে কর্মজীবনের সূচনা করতে, পেশাগত দক্ষতা অর্জন করতে এবং নিজেদের কমিউনিটির জন্য কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা উপার্জনের সুযোগও পাচ্ছে। এবারের অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন। আমরা আশা করি, এই গ্রীষ্মে তারা শুধু নতুন দক্ষতাই অর্জন করবে না, নিজেদের সম্পর্কেও নতুন কিছু আবিষ্কার করবে।
কর্মজীবনের পাশাপাশি আর্থিক শিক্ষাও লাভ করে। স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিষয়ক ডেপুটি মেয়র ড. হেলেন আর্টেগা বলেন, এসওয়াইপি শুধু কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা দেয় না, এটি তরুণদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও প্রস্তুত করে।
তার ভাষায়, এই ধরনের কর্মসূচিই ভবিষ্যতের পেশাগত ও ব্যক্তিগত সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ কমিউনিটির তরুণদের জন্য এটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করে।
৬৩ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় যুব কর্মসংস্থান কর্মসূচির এটি একটি অংশ। নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব ইয়ুথ অ্যান্ড কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট-এর কমিশনার স্যান্ড্রা এস্কামিলা-ডেভিস বলেন, ৬৩ বছরে পদার্পণ করা সাইপ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় যুব কর্মসংস্থান কর্মসূচি। তিনি বলেন, কর্মসূচিটি তরুণদের বিভিন্ন পেশা সম্পর্কে জানার সুযোগ, অর্থবহ কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করছে। একই সঙ্গে মেন্টরশিপ ও বাস্তব কর্মপরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও দিচ্ছে।
তার মতে, সামার রাইজিং, সেটার ডে নাইট লাইটস এবং সামার নাইট লাইটসও-এর মতো অন্যান্য বিনামূল্যের ডিওয়াইসিডি কর্মসূচির পাশাপাশি এসওয়াইপি তরুণদের জন্য নিরাপদ, ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ গ্রীষ্মকাল নিশ্চিত করছে। এতে করে তারা অনেক বিষয়ে উপকৃত হবেন।
আরো জানানো হয়, এই বছর সাইপে রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। চলতি বছরের শুরুতে মেয়র মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তরুণদের সাইপ-এ আবেদন করার আহ্বান জানান। এর পর এ বছর কর্মসূচির জন্য রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে বলে সিটি প্রশাসন জানিয়েছে।
ছয় সপ্তাহের কর্মসূচি একটি অন্যন্য উদাহারণ। জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত চলা ছয় সপ্তাহের এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে বেতন পাবেন। পাশাপাশি তারা বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা, যোগাযোগ দক্ষতা, দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
সিটি প্রশাসনের মতে, এই কর্মসূচি তরুণদের আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করার পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটিকে আরও সাশ্রয়ী ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে এটি। সাইপ এর মাধ্যমে বিশেষভাবে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এমন তরুণ-তরুণীদের, যারা বিভিন্ন কারণে কর্মসংস্থানে পিছিয়ে পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে-বন্দুক সহিংসতার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা তরুণরা। পাবলিক হাউজিং এর বাসিন্দারা। গৃহহীন তরুণ-তরুণী। প্রতিবন্ধী যুবসমাজ। বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত তরুণরা। ফস্টার কেয়ারে বসবাসকারী কিশোর-কিশোরীরা।
গবেষণায় ইতিবাচক ফল হিসাবে বলা হয়, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সাইপ-এ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে-বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পায়। নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়। কারাবন্দি হওয়ার ঝুঁকি কমে। অপরাধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। নিরাপদ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার সুযোগ বাড়ে।
২০২১ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, সাইপ-এ অংশগ্রহণকারীদের অপরাধ করা ও এই কারণে গ্রেপ্তার হওয়ার সম্ভাবনা ১৭ শতাংশ এবং গুরুতর অপরাধে (ফেলনি) গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা ২৩ শতাংশ কমে যায়। এছাড়া কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাঁচ বছর পরও তাদের কারাগারে যাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালীন কর্মসংস্থান তরুণদের জীবন রক্ষা, অপরাধ কমানো এবং কমিউনিটিকে আরও শক্তিশালী করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
লিফট এই তরুনদের জন্য বিশেস সহযোগিতা দিচ্ছে। রাইড-শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান লিফট এ বছরও সাইপ-এর অংশগ্রহণকারীদের জন্য এক হাজার দুই’শটি বিনামূল্যের দুই মাসের সিটি বাইক সদস্যপদ প্রদান করছে। এর ফলে তরুণরা সহজে কর্মস্থলে যাতায়াত করতে পারবেন এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় চলাচলের সুযোগ পাবেন।
এছাড়া লিফট তাদের স্যোশাল ইমপ্যাক্ট টিম এ সাইপ ইন্টার্নদের কাজের সুযোগ দিচ্ছে। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা বেসরকারি খাতের কাজ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি নেতৃত্ব, যোগাযোগ ও কমিউনিটি অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করার দক্ষতা গড়ে তুলতে পারবেন।
লিফট ওবার সল্যুশন্সের কমিউনিটি অ্যান্ড ইকুইটি প্রোগ্রামসের সিনিয়র ম্যানেজার ইনবার কিশোনি বলেন, পরিবহনে সহজ প্রবেশাধিকার মানেই সম্ভাবনার নতুন দরজা খুলে যাওয়া। ২০২২ সাল থেকে আমরা বিনামূল্যের সিটি বাইক সদস্যপদ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তরুণদের আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে আসছি। কারণ তরুণরা এগিয়ে গেলে শহরও এগিয়ে যায়।
ঠিকানা/এসআর