আহনাফের মৃত্যু : দুই চিকিৎসককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৮:৪৬ , অনলাইন ভার্সন
সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিন আয়হামের (১০) মৃত্যুর ঘটনায় দুই চিকিৎসককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুই দিন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে।

দুই চিকিৎসক হলেন—জে এস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক চিকিৎসক এস এম মুক্তাদির ও চিকিৎসক মাহাবুব মোরশেদ।

আজ ২১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) ওই দুই চিকিৎসককে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক রুহুল আমিন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত এ আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাতিরঝিল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার উপ-পরিদর্শক এশারত আলী জানান, আসামিদের সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আর জামিন চেয়ে শুনানি করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। আদালত অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে জেলগেটে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহনাফ সুন্নতে খতনা করানোর জন্য তার বাবা ফখরুল আলম হাতিরঝিল থানা এলাকার জেএস হাসপাতালের চিকিৎসক এস এম মুক্তাদিরের কাছে নিয়ে যান। তিনি ওইসময় কিছু টেস্ট লিখে দেন। ওই হাসপাতালেই টেস্টগুলো করে ছেলেকে নিয়ে বাসায় চলে যান। রাতে চিকিৎসক ফোন করে জানান— রিপোর্টগুলো ভাল আছে। সুন্নতে খতনা করতে কোনো সমস্যা নেই।

পরদিন ২০ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ৮টায় ছেলের সুন্নতে খতনা করানোর জন্য স্ত্রী খায়রুন নাহারকে সঙ্গে নিয়ে তিনি হাসপাতালে যান। পরে ছেলেকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। আসামিরা জানান— তাদের ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময় লাগবে। তখন আহনাফের পিতামাতা বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট পর ওটি রুমের দরজায় নক করলে তারা জানায়— আরও কিছুক্ষণ সময় লাগবে। এভাবে এক ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর আহনাফের পিতা ফখরুল ওটি রুমে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে নিষেধ করা হয় এবং আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলা হয়।

পরবর্তীতে সন্দেহ হলে ফখরুল জোর করে ওটি রুমে প্রবেশ করেন। সেখানে দেখতে পান— তার ছেলে অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তার বুকে হাত দিয়ে চাপাচাপি করছে এবং নাকে ও মুখে নল দিয়ে রক্ত বের হওয়া অবস্থায় দেখেন। তখন চিকিৎসক এস এম মুক্তাদিরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি সঠিক উত্তর দেননি। ছেলের এই অবস্থা দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলে তারা কর্ণপাত না করে নিজেরাই ছেলের দেহে বুকে চাপাচাপি, হাত-পা মালিশ করতে থাকেন। তখন জোর করে তাকে (বাবা ফখরুল আলম) ওটি রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়। দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও তারা ছেলের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সঠিক তথ্য না দিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। পরবর্তীতে জোর করে ওটি রুমে প্রবেশ করে ফখরুল জানতে পারেন— তার ছেলে আহনাফ মারা গেছেন।

ঠিকানা/ছালিক 
M M Shahin, Chairman Board of Editors, Thikana

Corporate Headquarter :

THIKANA : 7409 37th Ave suite 403

Jackson Heights, NY 11372

Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806



Bangladesh Bureau : THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath),
5th Floor, Dhaka- 1205, Bangladesh.
Mobile: 01711238078