​প্রাথমিকে শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ , অনলাইন ভার্সন
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরিক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন।

রায়ে বলা হয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল কোটার ভিত্তিতে নয়, মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশ করতে হবে। একইসঙ্গে আদালত রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে ২০২৩ সালে একটি সার্কুলার হয়েছিল। সেই সার্কুলার অনুযায়ী তখনকার সময়ে বিদ্যমান যে কোটা পদ্ধতি ছিল, সেখানে ৮৪ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়েছিল। সেটাকে চ্যালেঞ্জ করে ১৫১ জন রিট পিটিশনার হাইকোর্ট ডিভিশনে মামলা করেছিলেন যে, জুলাই বিপ্লবের পরে সুপ্রিম কোর্টের যেহেতু একটা জাজমেন্ট হয়েছে যে, সেখানে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগটা হবে এবং মেধা হবে ৯৩ শতাংশ, তার ভিত্তিতে নিয়োগ হওয়া উচিত। 

তিনি আরও বলেন, এই মামলার ভিত্তিতে হাইকোর্ট ডিভিশন ওই নিয়োগটাকে অবৈধ ঘোষণা করে ১৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সরকার আপিল দায়ের করেছিলেন। সেই আপিলটা আজকে শুনানি অন্তে চূড়ান্ত রায় হয়েছে। আপিল ডিভিশন সেই রায়ে তিনটি অবজারভেশন দিয়ে আপিলটিকে নিষ্পত্তি করেছেন। 

প্রথম ডাইরেকশন হচ্ছে: যে ১৫১ জন রিট পিটিশনার যারা ছিলেন, তাদেরকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

দ্বিতীয় যে নির্দেশনাটা দিয়েছেন: যে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থী সেই সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু রেজাল্ট পাবলিশড হয়েছিল তখন বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুযায়ী। সুপ্রিম কোর্ট আজকে রায় দিয়েছেন যে, পুনরায় এই ৪৬ হাজার ১৯৯ জনের রেজাল্ট সুপ্রিম কোর্টের কোটার বিরুদ্ধে যে রায়টা ছিল— অর্থাৎ সিপি নাম্বার ২৫১৬ অব ২০২৪-এ কোটাকে বাতিল করে যে রায়টা দিয়েছিল— সেই রায়ের আলোকে এই রেজাল্টটা পুনরায় প্রকাশ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। 

তৃতীয় ডাইরেকশন হচ্ছে: যে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে চলাকালীন সময় যারা এরইমধ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন— ৬ হাজার ৫৩১ জন শিক্ষক, তাদের নিয়োগটা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত বহাল রাখতে বলেছেন।

ঠিকানা/এএস 
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]