<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
    <channel>
        <title><![CDATA[Thikana News]]></title>
        <atom:link href="https://thikananews.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
        <link>https://thikananews.com</link>
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি, অভিবাসন, কমিউনিটি, স্থানীয় খবর, বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, অপরাধ, খেলাধুলা, সর্বশেষ জাতীয় সংবাদ ও বাংলাদেশি প্রবাসীদের আপডেট খবর পড়ুন ঠিকানা নিউজে।]]></description>
        <language>bn</language>
        <lastBuildDate>Wed, 28 Oct 26 08:15:13 +0600</lastBuildDate>
        <sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
        <sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
        <image>
            <url>https://thikananews.com/frontend/assets/images/logo.png</url>
            <title><![CDATA[Thikana News]]></title>
            <link>https://thikananews.com</link>
        </image>

                        <item>
            <title><![CDATA[৬৩০ কোটি ডলার জাপানি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা, ২ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5301</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5301</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Wed, 28 Oct 2026 01:49:57 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[৬৩০ কোটি ডলার জাপানি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা, ২ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রী]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে দেশটির বেসরকারি খাত থেকে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ এক লাখ কোটি জাপানি ইয়েন বা প্রায় ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসব বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশে প্রায় দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে।<br />
<br />
চার দিনের সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক করেন। বৈঠকের পর নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, যোগাযোগ অবকাঠামো ও আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার কথা তুলে ধরেন।<br />
<br />
তারেক রহমান বলেন, জাপানে তার ঐতিহাসিক সফর বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তার মরহুমা মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে জাপান সফর ও দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করেছিলেন।<br />
<br />
জ্বালানি নিরাপত্তায় ৩২ কোটি ডলারের সহায়তাজাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রতি দুই দেশের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল এই অংশীদারত্বকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য বাস্তব ও দৃশ্যমান সুযোগে রূপান্তর করা।বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে জাপানের &lsquo;পার্টনারশিপ ফর পাওয়ার এশিয়া&rsquo; উদ্যোগের আওতায় পাঁচ হাজার কোটি জাপানি ইয়েন বা প্রায় ৩২ কোটি মার্কিন ডলারের জরুরি আর্থিক সহায়তার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে জাপানের বেসরকারি খাত থেকে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ এক লাখ কোটি জাপানি ইয়েন বা প্রায় ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে উৎসাহব্যঞ্জক আলোচনা হয়েছে। এসব বিনিয়োগ বাংলাদেশের শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করবে, উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াবে এবং তরুণ কর্মশক্তির জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এতে প্রায় দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে।&nbsp;<br />
<br />
<strong>বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব</strong><br />
<br />
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিকস, ইলেকট্রনিকস উৎপাদন ও উন্নত প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানান তারেক রহমান।<br />
<br />
এছাড়া মহাকাশবিজ্ঞান ও স্যাটেলাইট প্রকৌশলে সহযোগিতা, দেশের ছয়টি প্রধান বিভাগীয় শহরের মধ্যে উচ্চগতির রেল যোগাযোগ স্থাপন এবং আধুনিক পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।<br />
<br />
<strong>বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয়ে গুরুত্ব</strong><br />
<br />
শীর্ষ বৈঠকের উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয় বা &lsquo;বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট&rsquo; (বিগ-বি) উদ্যোগকে যৌথ সমৃদ্ধির নতুন কাঠামোয় এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দুই দেশের অভিন্ন অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।<br />
<br />
তিনি বলেন, নবায়িত সহযোগিতায় জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার সমন্বিত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর ফলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগসেতু হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।<br />
<br />
বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত বাস্তবায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার এবং দুই দেশের অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলোকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি যৌথ কমিশন গঠনের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান।&nbsp;<br />
<br />
<strong>রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনা</strong><br />
<br />
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য জাপানের অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদাপূর্ণভাবে ও টেকসই উপায়ে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাপানের অব্যাহত ও সক্রিয় সম্পৃক্ততার আহ্বান জানান তিনি।<br />
<br />
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর মধ্যে জাপান অন্যতম। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রার প্রতিটি পর্যায়ে জাপান বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে থেকেছে। জাপানের বন্ধুত্ব, উদারতা ও দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।<br />
<br />
<strong>বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের অঙ্গীকার</strong><br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর বাংলাদেশ যখন নতুনভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন তার সরকার বিনিয়োগ, উদ্ভাবন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অর্থবহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।<br />
<br />
বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, জাপান সরকার এবং দেশটির জনগণকে উষ্ণ আতিথেয়তা ও বাংলাদেশের প্রতি অব্যাহত আস্থার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।<br />
<br />
পোস্টের শেষাংশে তিনি বাংলাদেশ ও জাপানের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুই দেশ একসঙ্গে আরও শক্তিশালী, উন্নত ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5301.jpg?v=1793130597" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5301.jpg?v=1793130597" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[ভোটে পিছিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় নেতানিয়াহু, কী হতে যাচ্ছে ইসরায়েলে?]]></title>
            <link>https://thikananews.com/world-culture/5300</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/world-culture/5300</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Wed, 28 Oct 2026 01:08:34 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বিশ্বচরাচর]]></category>
                        <description><![CDATA[ভোটে পিছিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় নেতানিয়াহু, কী হতে যাচ্ছে ইসরায়েলে?]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের ভোটগ্রহণের সময় ফুরিয়ে আসছে৷ বাংলাদেশ সময় আজ রাত ২টায় ভোটগ্রহণ শেষ হবে৷ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি এবারের নির্বাচনে পিছিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছে৷ এর অন্যতম কারণ আরব ইসরায়েলি ভোটাররা ব্যাপকহারে ভোট দিচ্ছেন৷ ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ আরব-ইসরায়েলি বা ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি৷ এমন অবস্থায় নেতানিয়াহু তার সমর্থকদের শেষ মুহূর্তে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে বলছেন৷&nbsp;<br />
<br />
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচন হয় পিআর বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে৷ এতে যে দল বেশি ভোট পায় সে দল পার্লামেন্টে বেশি আসন পায়৷&nbsp;<br />
<br />
তবে নেতানিয়াহু ভোটে পিছিয়ে গেলেও ক্ষমতায় থাকতে পারেন৷&nbsp;<br />
<br />
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা ২৮ অক্টোবর (বুধবার) জানিয়েছে, ইসরায়েলের নির্বাচন শেষে এখন বেশ কয়েকটি পরিসংখ্যান সামনে আসতে পারে৷&nbsp;<br />
<br />
প্রথমত নেতানিয়াহুর দল কম ভোট পেয়ে পার্লামেন্টে কম আসন পেলেও; তার বর্তমান মিত্রদের সঙ্গে আবারও জোট করে বা অন্য ছোট ছোট দলগুলোর সঙ্গে জোট করে ৬১টি আসন যোগাড় করে আবারও প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন৷&nbsp;<br />
<br />
অপরদিকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি গাদি আইজেনকোতের দল যদি বেশি আসন পায় এবং অন্যদের সঙ্গে জোট করে তাহলে তারা ক্ষমতায় আসতে পারে৷&nbsp;<br />
<br />
এক্ষেত্রে আরব দল রা&#39;ম বিরোধী জোটের সঙ্গে যোগ দিয়ে সরকার গঠনে ভুমিকা রাখতে পারে৷ যেমনটা ২০২১ সালে করেছিল তারা৷&nbsp;<br />
<br />
আরেকটি হতে পারে &#39;জাতীয় ঐক্য সরকার&#39;। এক্ষেত্রে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বি নেতানিয়াহু ও গাদি আইজেনকোত জোট করে জাতীয় ঐক্য সরকার গঠন করতে পারে৷ জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন সরকার গঠনে ইসরায়েলকে পরামর্শ দিচ্ছে।&nbsp;<br />
<br />
এমন সরকারে অন্যান্য দলগুলোর প্রতিনিধিদেরও তারা &nbsp;যুক্ত করতে পারে।&nbsp;<br />
<br />
আরেকটি হতে পারে মাইনরিটি সরকার৷ যেখানে কোনো জোট সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে ছোট দলগুলো জোট করে সরকার গঠন করতে পারে৷ সূত্র: আলজাজিরা<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5300.jpg?v=1793128115" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5300.jpg?v=1793128115" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশ-স্পেন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5299</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5299</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Wed, 28 Oct 2026 00:58:43 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[বাংলাদেশ-স্পেন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম স্পেনে কামারা দে সেভিয়ার (সেভিল চেম্বার অব কমার্স) সভাপতি ডি. ফ্রান্সিসকো হেরেরা লিওনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতা জোরদার করার সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।<br />
<br />
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বৈচিত্র্যকরণ, বাংলাদেশে আরও বেশি স্প্যানিশ বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে&mdash;এমন খাতগুলোতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।<br />
<br />
উভয় পক্ষই টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক, ফার্মাসিউটিক্যালস বা ওষুধ, চামড়া, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের জন্য সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে।<br />
<br />
ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বা সৃজনশীল অর্থনীতিতে সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরার পাশাপাশি শামা ওবায়েদ পাট ও পাটজাত পণ্যে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বাণিজ্যের বৈচিত্র্যকরণ এবং পারস্পরিক সুবিধাজনক বিনিয়োগে অবদান রাখতে পারে এমন নতুন ব্যবসায়ী অংশীদারত্বের পথ অনুসরণের ওপর জোর দেন।<br />
<br />
বৈঠককালে সেভিল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি স্পেনের সেভিলে বছরে অন্তত একবার দুই দেশের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক একটি বিজনেস সেমিনারের আয়োজনে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে স্প্যানিশ উদ্যোক্তাদের কাছে বাংলাদেশের পণ্য, বিনিয়োগের সুযোগ ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনা প্রদর্শনের জন্য সেভিলে যৌথভাবে বাংলাদেশের ওপর একটি প্রদর্শনীর আয়োজনের প্রস্তাব করেন তিনি।<br />
<br />
এই প্রস্তাবিত উদ্যোগগুলো বাংলাদেশি ও স্প্যানিশ ব্যবসাগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে, যা তাদের বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনুসন্ধানে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।<br />
<br />
উভয় পক্ষই ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের বিনিময় এবং সেভিল চেম্বার অব কমার্স ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিসহ (ডিসিসিআই) বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক সংস্থাগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা সুদৃঢ় করার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তাছাড়া শ্রমবাজারের পরিবর্তিত চাহিদা মেটাতে ভোকেশনাল বা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর আধুনিকীকরণ এবং শিল্প-সংশ্লিষ্ট দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও তারা কথা বলেন।<br />
<br />
বৈঠকে সেভিল চেম্বার অব কমার্স অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বিনিময় ও সম্ভাব্য শিক্ষার সুযোগ নিয়েও আলোচনা করা হয়।<br />
<br />
দুই পক্ষই এসব আলোচনাকে বাস্তব অর্থনৈতিক সহযোগিতায় রূপ দিতে নিয়মিত সংলাপ বজায় রাখা এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।<br />
<br />
এই বৈঠকে ব্যবসায়ী অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ, প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদার এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন নতুন সুযোগ উন্মোচনে বাংলাদেশ ও স্পেনের যৌথ আগ্রহের কথা আবারও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;<br />
&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5299.jpg?v=1793127523" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5299.jpg?v=1793127523" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[মস্তিষ্ককে সচল রাখতে প্রতিদিন সকালে যে ৫ কাজ করবেন]]></title>
            <link>https://thikananews.com/lifestyle/5298</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/lifestyle/5298</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Wed, 28 Oct 2026 00:38:56 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[লাইফস্টাইল]]></category>
                        <description><![CDATA[মস্তিষ্ককে সচল রাখতে প্রতিদিন সকালে যে ৫ কাজ করবেন]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[সকালের ব্যস্ততা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবধারিত অংশ। কাজ বা পড়ালেখার তাড়াহুড়ো, পরিবার সামলানো কিংবা দিনের অন্যান্য প্রাথমিক ব্যস্ততার চাপে একটি শান্ত ও নিজস্ব রুটিন তৈরি করা অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে পড়ে।<br />
<br />
অথচ ২০২৫ সালে প্রকাশিত &lsquo;নেসপ্রেসো&rsquo; এবং &lsquo;প্রজেক্ট হেলদি মাইন্ডস&rsquo;-এর একটি জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মনে করেন সকালের এই প্রারম্ভিক মুহূর্তগুলো সারাদিনের মানসিক সুস্থতা ও মেজাজের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।<br />
<br />
চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, দিনের প্রথম কয়েক ঘণ্টা কেবল মেজাজই ভালো রাখে না; বরং এটি আমাদের মস্তিষ্কের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য রক্ষা এবং বার্ধক্যেও মেধা ও স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ রাখার মূল চাবিকাঠি।<br />
<br />
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের ঘুমের সময় মস্তিষ্কে এক অপূর্ব পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলে। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের প্রখ্যাত স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ইভা এল. ফেল্ডম্যান ব্যাখ্যা করেন যে, রাতের ঘুমের সময় মস্তিষ্কের কোষগুলো বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কার করে ফেলে।<br />
<br />
&lsquo;ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক&rsquo;-এর তথ্য অনুযায়ী, মস্তিষ্কের এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা নেটওয়ার্ককে &lsquo;গ্লিমফেটিক সিস্টেম&rsquo; বলা হয়, যা তরলের সাহায্যে কোষের ক্ষতিকর বর্জ্য ধুয়ে মুছে দূর করে দেয়। ফলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি সতেজ ও প্রখর থাকে।<br />
<br />
ব্রেইন ইনস্টিটিউটের স্নায়ুবিজ্ঞানী ড. মাজিদ ফতুহি জানান, ঘুম থেকে ওঠার পরের প্রথম এক ঘণ্টা সারাদিনের ইতিবাচক আবহ তৈরি করে। তাই দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্ককে সচল, কর্মক্ষম ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে প্রতিদিন সকালে চিকিৎসকদের নির্দেশিত ৫টি সহজ অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।<br />
<br />
<strong>১. ইতিবাচক মানসিকতা দিয়ে দিন শুরু করা</strong><br />
<br />
সকালে ঘুম থেকে উঠেই মানসিক চাপ নেওয়া মস্তিষ্কের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ড. মাজিদ ফতুহি জানান, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের ফলে নিঃসৃত স্ট্রেস হরমোন &lsquo;কর্টিসল&rsquo; মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কর্টিসলের উচ্চ মাত্রা মস্তিষ্কের শেখা ও স্মৃতিশক্তির প্রধান কেন্দ্র &lsquo;হিপোক্যাম্পাস&rsquo;-এর কোষগুলোর ক্ষতিসাধন করে। তাই সকালে শান্ত ও আশাবাদী মনোভাব বজায় রাখা জরুরি।<br />
<br />
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি)-এর পরামর্শ অনুযায়ী, সকালের মানসিক চাপ কমাতে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে কিছু সময় বিরতি নেওয়া, বাইরে খোলামেলা জায়গায় সময় কাটানো, ধ্যান করা এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে কথা বলা অত্যন্ত কার্যকর।<br />
<br />
<strong>২. বিছানা থেকে তাড়াহুড়ো করে না ওঠা এবং দিনের লক্ষ্য স্থির করা</strong><br />
<br />
সকালে অ্যালার্ম বাজতেই হুড়মুড় করে বিছানা ছেড়ে ওঠার বদলে কয়েক মিনিট নীরব থেকে নিজেকে প্রশ্ন করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ড. ফতুহি বলেন, নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, &lsquo;আজকের দিনটি আমি কীভাবে উপভোগ্য করব?&rsquo;।<br />
<br />
এই সময়ে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ৫টি মূল স্তম্ভ ব্যায়াম, সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্দীপনা&mdash;কীভাবে সারাদিনের সূচিতে যুক্ত করবেন তা ভেবে নিন। এতে সারাদিনের কাজ গোছানো সহজ হয় এবং মেজাজফুরফুরে থাকে।<br />
<br />
<strong>৩. মস্তিষ্ককে সক্রিয় ও কর্মক্ষম রাখা</strong><br />
<br />
সকালের প্রথম ভাগে মানসিক চর্চা মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষগুলোকে দারুণভাবে উদ্দীপিত করে। ড. ফেল্ডম্যানের মতে, সকালে বই পড়া, ডায়রি বা চিন্তাভাবনা লেখা এবং সুডোকু বা ক্রসওয়ার্ডের মতো ধাঁধা মেলালে দিনের শুরুতেই মস্তিষ্কের প্রখরতা বৃদ্ধি পায়।<br />
<br />
এ ছাড়া ড. ফতুহি প্রতিদিন সকালে ৩টি বিশেষ সংকল্প খাতায় লিখে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন:
<ul>
	<li>নির্দিষ্ট লক্ষ্য: নিজের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের কথা স্মরণ করা।</li>
	<li>উন্নয়নমুখী মানসিকতা: নিজের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস রাখা।</li>
	<li>ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি: বাধা কাটিয়ে ভালো কিছু অর্জনের আশা রাখা।</li>
</ul>
<br />
<strong>৪. সকালে শারীরিক ব্যায়াম করা</strong><br />
<br />
সকালের শারীরিক ব্যায়াম স্নায়ুকোষের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ড. ফেল্ডম্যান জানান, সকালে হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা কিংবা ইয়োগা করা মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। দলগত খেলাধুলা বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে করা ব্যায়ামও মস্তিষ্কের বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে।<br />
<br />
২০২৪ সালে &lsquo;জেরোসায়েন্স&rsquo; সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ সপ্তাহের স্ট্রেন্থ বা রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাসে গঠনমূলক পরিবর্তন আনে, যা নিউরোপ্লাস্টিসিটি বা মস্তিষ্কের নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।<br />
<br />
<strong>৫. মস্তিষ্কবান্ধব ও পুষ্টিকর প্রাতরাশ গ্রহণ করা</strong><br />
<br />
সকালের নাশতায় প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার এবং সঙ্গে চা বা কফি খাওয়া দিন শুরুর সেরা উপায়। বিশেষ করে &lsquo;মাইন্ড ডায়েট&rsquo;-এর অন্তর্ভুক্ত খাবারগুলো মস্তিষ্কের ক্ষয় রোধ করতে বিশেষভাবে প্রমাণিত। সকালের প্রাতরাশে সবুজ শাকসবজি, বাদাম, জলপাইয়ের তেল (অলিভ অয়েল), বেরি জাতীয় ফল, মুরগির মাংস ও মাছ যুক্ত করা মস্তিষ্কের পুষ্টি জুগিয়ে স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।<br />
<br />
<strong>বয়স বাড়লেও ব্রেইন থাকবে তরুণ</strong><br />
<br />
ড. ফেল্ডম্যান জোর দিয়ে বলেন যে, মস্তিষ্কের যত্ন নেওয়া শুরু করতে কখনো দেরি করা উচিত নয়। ধূমপান, মদ্যপান বা অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে মস্তিষ্কের যে ক্ষতি হয়, তার লক্ষণ প্রকাশের পর তা সংশোধন করা কঠিন হয়ে পড়ে। মানব মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় গুণ হলো এর নিউরোপ্লাস্টিসিটি&mdash;অর্থাৎ এটিকে যেকোনো বয়সে পুনর্গঠিত ও শক্তিশালী করা সম্ভব। প্রতিদিন সকালের এই ছোট ছোট ৫টি অভ্যাসই নির্ধারণ করে দেবে ভবিষ্যতের দিনগুলোতে আপনার স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিমত্তা কতটা প্রখর থাকবে। <strong>তথ্যসূত্র: দ্য হেলদি</strong><br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;<br />
<br />
&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5298.jpg?v=1793126336" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5298.jpg?v=1793126336" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[যাত্রাবাড়ীতে গুলিতে যুবক নিহত]]></title>
            <link>https://thikananews.com/village-bangla/5297</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/village-bangla/5297</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Wed, 28 Oct 2026 00:10:27 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[গ্রাম বাংলা]]></category>
                        <description><![CDATA[যাত্রাবাড়ীতে গুলিতে যুবক নিহত]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মারুফ ওরফে দুখু মিয়া (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ধলপুর ওয়াসা গেট এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি রাখার গ্যারেজে এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্বজনরা মারুফকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।<br />
<br />
নিহত মারুফের খালাতো বোন বিথী আক্তার জানান, মারুফ দয়াগঞ্জের একটি অ্যালুমিনিয়ামের পাতিল তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাসায় ফেরেন তিনি। কিছুক্ষণ পর স্ত্রী মিমকে বাইরে থেকে আসার কথা বলে বেরিয়ে যান। পরে লোকমুখে ওয়াসা গেট এলাকায় গোলাগুলির খবর পেয়ে তারা জানতে পারেন, মারুফ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তার বুকের ডান পাশে গুলি লেগেছিল। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।<br />
<br />
স্বজনদের দাবি, এলাকায় মারুফের কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে কারা এবং কী কারণে তাকে গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা কিছু জানাতে পারেননি।<br />
<br />
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, নিহত যুবকের বুকের ডান পাশে গুলির চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5297.jpg?v=1793124627" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5297.jpg?v=1793124627" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়া সেই জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি]]></title>
            <link>https://thikananews.com/politics/5296</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/politics/5296</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 23:23:08 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
                        <description><![CDATA[আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়া সেই জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[মাদারীপুরের শিবচরে এক নারীর সঙ্গে কথিত আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় তাইজুল ইসলামকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা শাখা। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দলীয় বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।<br />
<br />
২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে শিবচর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইউসুফ হাওলাদারের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, নিলখী ইউনিয়ন শাখার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাইজুল ইসলামের নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি উপজেলা শাখার নজরে এসেছে।<br />
<br />
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নৈতিকতা, সততা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতাকে সংগঠন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। দলীয় আদর্শ ও নীতির পরিপন্থি কোনো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হয়। এর অংশ হিসেবে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অভিযোগটি পর্যালোচনার স্বার্থে তাইজুলকে উপজেলা শাখার অধীন সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।<br />
<br />
শিবচর উপজেলা জামায়াতের আমির মো. সরোয়ার হোসেন মৃধা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অনেকেই জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। নিলখী ইউনিয়ন উপজেলা সদর থেকে দূরে হওয়ায় তাইজুলকে সেখানে দলীয় দাওয়াত ও প্রচারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের কারণে স্থানীয় লোকজন তাকে ইউনিয়ন সভাপতি হিসেবে বিবেচনা করতেন। অভিযোগের বিষয়টি জানার পরপরই তাকে সব সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।<br />
<br />
স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত ২৫ অক্টোবর (রবিবার) দুপুরে শিবচরের নিলখী ইউনিয়নের পশ্চিম চরকামারকান্দি গ্রামে তাইজুলের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। পরদিন সোমবার থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে তার কথিত আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।<br />
<br />
এ বিষয়ে তাইজুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সংশ্লিষ্ট নারীকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করেছেন বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5296.jpg?v=1793121788" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5296.jpg?v=1793121788" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[লাল কার্ডকাণ্ডের পর ৬ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে নেইমার]]></title>
            <link>https://thikananews.com/sport/5295</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/sport/5295</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 23:01:40 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
                        <description><![CDATA[লাল কার্ডকাণ্ডের পর ৬ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে নেইমার]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[<p>শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ব্রাজিলের স্পোর্টস ট্রাইব্যুনালে নালিশ করা হয়েছে নেইমারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ছয় ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে ব্রাজিলিয়ান তারকা। ফুটবলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<br />
<br />
গত শনিবার লিগের ম্যাচে বাহিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছে সান্তোস। ওই ম্যাচে বাহিয়া মিডফিল্ডার রদ্রিগো নেস্টরের সঙ্গে তর্কের সময় মুখে হাত দিয়ে কথা বলার অপরাধে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় সান্তোস তারকা নেইমারকে।<br />
<br />
নেইমারের বিরুদ্ধে নেস্টরকে &lsquo;মৌখিক লাঞ্ছনা&rsquo; করার গুরুতর অভিযোগ এনেছে প্রতিপক্ষ ক্লাব বাহিয়া।<br />
<br />
ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের নেস্টর জানান, নেইমার তাকে যা বলেছেন তা অত্যন্ত অবমাননাকর। তা যেমন আমার জন্য, তেমনি বাহিয়া জার্সির মর্যাদার হানি ঘটিয়েছে।<br />
<br />
অন্যদিকে ৩৪ বছর বয়সী নেইমার মুখ ঢাকার বিষয়টি ভুল ছিল বলে স্বীকার করলেও নেস্টরকে কোনো কটূক্তি করার কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। উল্টো ওই মিডফিল্ডারের বিরুদ্ধে ফুটবলের অন্যতম &lsquo;সবচেয়ে নোংরা ও কূটকৌশল&rsquo; আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। আগামী বুধবার নেইমারের এই শৃঙ্খলাভঙ্গের মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।<br />
<br />
সর্বোচ্চ শাস্তি বহাল থাকলে ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ মুহূর্তের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে সান্তোসকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে নেইমারকে।<br />
<br />
গত মৌসুমে রেলিগেশন (অবনমন) থেকে কোনোরকমে বেঁচে যাওয়া সান্তোস বর্তমানে পয়েন্ট তালিকার অষ্টম স্থানে রয়েছে। রেলিগেশন জোন থেকে ১২ পয়েন্ট এগিয়ে থেকে লিগের বাকি রয়েছে আর মাত্র ছয়টি ম্যাচ। <strong>সূত্র: ইএসপিএন।</strong><br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;</p>]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5295.jpg?v=1793120501" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5295.jpg?v=1793120501" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5294</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5294</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 22:32:33 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[&lsquo;ক্রসফায়ার&rsquo; নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্য ঠিক হয়নি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, উনি (আইজিপি) সহজ-সরল মানুষ। অসতর্কতাবশত বলে ফেলেছেন।<br />
<br />
তিনি বলেন, সরকারের অনুমতি পেলে &lsquo;ক্রসফায়ার&rsquo; করার বিষয়ে পুলিশপ্রধানের বক্তব্য সরকারের অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না।<br />
<br />
সোমবার রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে। পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে।<br />
<br />
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, &lsquo;উনি (আইজিপি) সহজ-সরল মানুষ। আইনের কঠোর প্রয়োগের বিষয়ে বলতে গিয়ে অসতর্কতাবশত বলে ফেলেছেন। এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।&rsquo;<br />
<br />
তিনি বলেন, &lsquo;সরকার ক্রসফায়ার চায় না। সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না, এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, কাস্টডিয়াল ডেথ (পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু) সহ্য করবে না। তবে অপরাধ দমন এবং আইনের যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে যা যা দরকার, সরকার সব করবে।&rsquo;<br />
<br />
তিনি আরও বলেন, &lsquo;বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থান রয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানো জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। এই নীতি সমুন্নত রাখা জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার।&rsquo;<br />
<br />
এদিকে নানান সমালোচনার মুখে আইজিপির বক্তব্যের বিষয়ে পুলিশ সদরদপ্তর এক ব্যাখ্যায় জানায়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার পক্ষে কথা বলতে চাননি। আইন মেনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাই তিনি বোঝাতে চেয়েছেন।<br />
<br />
এছাড়া, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনও এক বিবৃতিতে বলেছে, আইজিপির বক্তব্যকে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধানের পরিপ্রেক্ষিতে বুঝতে হবে।<br />
<br />
আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যায় সংগঠনটি জানায়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুলিশের আত্মরক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও সক্ষমতা তুলে ধরাই ছিল তার বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য। অপরাধ দমনে পুলিশের দৃঢ় অবস্থান বোঝাতে তিনি &lsquo;ক্রসফায়ার&rsquo; শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তাই বক্তব্যটিকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘোষণা কিংবা আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে শাস্তি দেওয়ার বক্তব্য হিসেবে ব্যাখ্যা না করে সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা প্রয়োজন।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5294.jpg?v=1793118753" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5294.jpg?v=1793118753" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[জাপানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে : হুমায়ূন কবির]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5293</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5293</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 21:42:52 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[জাপানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে : হুমায়ূন কবির]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপানে অবস্থানরত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ূন কবির। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় টোকিও দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।<br />
<br />
হুমায়ূন কবির বলেন, &lsquo;প্রধানমন্ত্রী তার সফরের দ্বিতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে কাটিয়েছেন। এদিন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিক সামিট বৈঠক, গার্ড অব অনার গ্রহণ, যৌথ প্রেস ব্রিফিং এবং মধ্যাহ্নভোজসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।&rsquo;<br />
<br />
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং উপ-প্রেস সচিব শাহাদাত হোসেন স্বাধীন।<br />
<br />
সামিট বৈঠকের প্রধান অর্জন ও আলোচনা তুলে ধরে হুমায়ূন কবির বলেন, &lsquo;জাপানের প্রাইভেট সেক্টর থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।&rsquo;<br />
<br />
অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি তথা বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) দ্রুত বাস্তবায়ন ও কার্যকর করার বিষয়ে দুই শীর্ষ নেতা একমত হয়েছেন।<br />
<br />
তিনি বলেন, &lsquo;কোভিড মহামারি ও বৈশ্বিক সংকটের নেতিবাচক প্রভাব এবং বিগত সরকারের ১৫ বছরের দুর্নীতির বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে ৩ বছরের অতিরিক্ত সময়সীমা বা এক্সটেনশন চেয়েছে, যা জাপান সরকার ইতিবাচকভাবে অনুধাবন করছে।<br />
<br />
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাপানি অর্থায়নে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশেষ করে এনার্জি বা জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি সিটি (টেক সিটি) গড়ে তোলা এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবস্থাপনার মতো প্রকল্পগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যৌথ মিনিস্ট্রিয়াল কমিটি ও নিয়মিত প্রোগ্রেস রিভিউ মেকানিজম চালুর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।&rsquo;<br />
<br />
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের বিষয়ে তিনি বলেন, &lsquo;রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাপানি বিশেষ দূতের ভূমিকা এবং জাপানের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাসের কথা জানানো হয়। পাশাপাশি আগামী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনেও বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।&rsquo;<br />
<br />
অন্যান্য কর্মসূচি ও শিল্পাঞ্চল পরিদর্শনের বিষয়ে হুমায়ূন কবির বলেন, &lsquo;সামিট ও যৌথ প্রেস কনফারেন্সের পর জাপানি প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অফিশিয়াল মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি জাপানের একটি এলএনজি টার্মিনাল এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ লজিস্টিকস হাব চিবা লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেন। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে এলএনজি টার্মিনাল ও আধুনিক লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এসব অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।&rsquo;<br />
<br />
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, &lsquo;জাপানের জব মার্কেটে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের টিকে থাকা এবং ভাষা সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও জাপানি ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।&rsquo;<br />
<br />
দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে কোনো চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে হুমায়ূন কবির বলেন, আজকের বৈঠকে মূলত নীতিগত ও কৌশলগত আলোচনা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক আপডেট পরবর্তীতে জানানো হবে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5293.jpg?v=1793115772" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5293.jpg?v=1793115772" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[‘ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের’]]></title>
            <link>https://thikananews.com/science-and-it/5292</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/science-and-it/5292</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 21:05:14 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি]]></category>
                        <description><![CDATA[‘ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের’]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং হুয়াওয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত &lsquo;বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬&rsquo; সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।<br />
<br />
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে &lsquo;সবার আগে বাংলাদেশ&rsquo; নীতির আলোকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ, উচ্চগতির ও সাশ্রয়ী ডিজিটাল সংযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য আধুনিক টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশীয় উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে হবে।<br />
<br />
সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সরকার, দেশীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি অংশীদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব।<br />
<br />
অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ টেককানেক্ট&rsquo; এখন জাতীয় পর্যায়ের একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। সরকার, শিল্পখাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এ সম্মেলন নীতিনির্ধারক ও শিল্পখাতের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ তৈরি করেছে।<br />
<br />
তিনি বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামো এখন আর বিলাসিতা নয়; বরং সমৃদ্ধ, বিনিয়োগনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।<br />
<br />
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, ডিজিটাল ব্যবস্থার সঙ্গে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংযোগ নিশ্চিত করতে নেটওয়ার্ক উন্নয়নের পাশাপাশি সাশ্রয়ী স্মার্টফোনের বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।<br />
<br />
তিনি জানান, দেশের ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে সরকার পাঁচটি কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে। এগুলো হলো&mdash;শক্তিশালী আইনি ও নীতিগত কাঠামো, নির্ভরযোগ্য সংযোগব্যবস্থা, ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা এবং দেশীয় উৎপাদন।<br />
<br />
মামুনুর রশীদ ভূঞা আরও জানান, জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এটি সম্পন্ন করার আশা করছে সরকার।<br />
<br />
হুয়াওয়ের দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে সরকার এবং শিল্পখাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হুয়াওয়ে। সংযোগব্যবস্থা, ক্লাউড ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বৃদ্ধি, নতুন সেবা উদ্ভাবন এবং বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।<br />
<br />
সম্মেলনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইদা আফরোজ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া &lsquo;ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও কানেক্টিভিটি&rsquo;, &lsquo;শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রযুক্তির ভূমিকা&rsquo; এবং &lsquo;কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বৈশ্বিক প্রবণতা, প্রভাব ও বাংলাদেশের প্রস্তুতি&rsquo; শীর্ষক তিনটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।<br />
<br />
প্যানেল আলোচনায় ফাইভজি ও সংযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তির মাধ্যমে শিল্পখাতের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে বাংলাদেশের প্রস্তুতির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। তৈরি পোশাকশিল্প, বন্দর, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে ফাইভজি, ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাকসেস এবং এন্টারপ্রাইজ কানেক্টিভিটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।<br />
<br />
এ ছাড়া ক্লাউড কম্পিউটিং, অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পরিচালন ব্যয় হ্রাস এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ব্যাংকিং, উৎপাদন, পণ্য পরিবহন, সরবরাহব্যবস্থা ও সরকারি সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য ক্লাউড অবকাঠামো, তথ্যের প্রস্তুতি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং সহায়ক নীতিমালার গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা।<br />
<br />
সম্মেলনের প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে ডিজিটাল রূপান্তর, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট এডুকেশন, ডিজিটাল পাওয়ার, স্মার্টফোন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সমাধান প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ডিজিটাল পাওয়ার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও এন্টারপ্রাইজ এবং ডিজিটাল অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।<br />
<br />
সম্মেলনে সরকারি কর্মকর্তা, নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, শিল্পোদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5292.jpg?v=1793113514" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5292.jpg?v=1793113514" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5291</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5291</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 20:53:38 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৯টি দেশের নাগরিকদের প্রতারণা ও চাপের মুখে ফেলে রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করানোর প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশনের এক প্রতিবেদনের সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।&nbsp;<br />
<br />
২৬ অক্টোবর (সোমবার) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মানবাধিকার কমিটির কাছে এই প্রতিবেদন পেশ করা হয়।<br />
<br />
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে প্রলোভন ও জোরজবরদস্তির মাধ্যমে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী বিদেশি নাগরিকদের রুশ সশস্ত্র বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করেছে মস্কো। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া, প্রান্তিক ও কম শিক্ষাগত যোগ্যতার মানুষদের টার্গেট করে এই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।<br />
<br />
বিভিন্ন দেশে সক্রিয় ট্রাভেল এজেন্সি ও স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে উচ্চ বেতনের চাকরির লোভ দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের রাশিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরই রুশ ভাষায় লেখা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চুক্তিপত্রে তাদের সই করতে বাধ্য করা হয়, যার বিন্দুবিসর্গও তারা বুঝতে পারেন না। পরবর্তীতে যখন তারা বুঝতে পারেন যে তাদের ইউক্রেন যুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ের মাঠে পাঠানো হচ্ছে, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়।<br />
<br />
কমিশন বিশ্বের ৪৮টি দেশের নাগরিকদের ওপর তথ্য অনুসন্ধান চালিয়ে ২৯টি দেশের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রতারণামূলক নিয়োগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছে। দেশগুলো হলো&mdash; বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, বেলারুশ, আজারবাইজান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, ক্যামেরুন, কলম্বিয়া, ডোমিনিকান রিপাবলিক, এল সালভাদর, ঘানা, হন্ডুরাস, জর্ডান, কেনিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, পেরু, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সোমালিয়া, তাজিকিস্তান, তিউনিসিয়া, তুরস্ক, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন এবং জিম্বাবুয়ে।<br />
<br />
একই প্রতিবেদনে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলার মারাত্মক চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। কনকনে শীতের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেবা বন্ধ করে লাখ লাখ বেসামরিক মানুষকে দুর্ভোগে ফেলার এই কাজকে &lsquo;যুদ্ধাপরাধ&rsquo; ও &lsquo;মানবতাবিরোধী অপরাধ&rsquo; হিসেবে অভিহিত করেছে কমিশন।<br />
<br />
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান এরিক মোসে জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে যাওয়ায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষরা চরম জীবনঝুঁকিতে পড়েন। ২০২৫-২৬ সালের শীতে কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থান করা ২৫৫ জন ভুক্তভোগী, চিকিৎসক ও নাগরিক সংস্থার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়।<br />
<br />
এদিকে জাতিসংঘের নিযুক্ত রাশিয়ার মিশন এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছে।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5291.jpg?v=1793118802" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5291.jpg?v=1793118802" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহী মালদ্বীপ : হাইকমিশনার]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5290</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5290</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 20:40:33 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহী মালদ্বীপ : হাইকমিশনার]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[মালদ্বীপে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউ রশিদ।<br />
<br />
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, আইনি সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।<br />
সাক্ষাৎকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মালদ্বীপে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি তুলে ধরেন। জবাবে হাইকমিশনার ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগে তার সরকারের আগ্রহের কথা জানান।<br />
<br />
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য আইনি বিরোধ পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির বিষয়েও মতবিনিময় হয়।<br />
<br />
এ সময় বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়ে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।<br />
<br />
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির ইন্টার্নদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি মালদ্বীপের আইন ও বিচারব্যবস্থা, দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং হাইকমিশনার হিসেবে তার দায়িত্ব ও কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ সময় ইন্টার্নদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।<br />
<br />
পরে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কার্যক্রম দেখতে আদালত পরিদর্শন করেন হাইকমিশনার। অ্যাটর্নি জেনারেল তাকে সঙ্গে নিয়ে অন্তত দুটি আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন হাইকমিশনার।<br />
সাক্ষাৎকালে মালদ্বীপের হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ওসমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নুরে আলম সিদ্দিকী।<br />
<br />
এ ধরনের যোগাযোগ দুই দেশের মধ্যে আইনি সহযোগিতা, দক্ষ জনশক্তি বিনিময় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারে ভূমিকা রাখবে।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5290.jpg?v=1793115828" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5290.jpg?v=1793115828" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5289</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5289</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 19:55:01 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের মধ্যেই বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা, আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।<br />
<br />
তিনি বলেছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের অনেক রোগী বিদেশে যেতে বাধ্য হন। বিশেষায়িত চিকিৎসা, আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষতার সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি সেবার মান এবং আস্থার বিষয়ও এর সঙ্গে জড়িত। ফলে প্রতিবছর বিপুল অর্থ দেশের বাইরে চলে যায়। এ প্রবণতা কমাতে দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা, আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।<br />
<br />
২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) রাজধানীর শহীদ আবু সাইদ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুইদিনব্যাপী আয়োজিত &lsquo;কোলোরেক্টাল সার্জারি সম্মেলন-২০২৬&rsquo; শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।<br />
<br />
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, দক্ষ জনবল নিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি আধুনিক, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।<br />
<br />
চিকিৎসাসেবায় মানবিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, চিকিৎসা কেবল একটি পেশা নয়। এটি মানুষের জীবন, মর্যাদা ও আশার সঙ্গে সম্পর্কিত এক মহান দায়িত্ব। রোগীর প্রতি মানবিক আচরণ, চিকিৎসার বিষয়গুলো সহজ ভাষায় রোগী ও তার স্বজনদের বুঝিয়ে বলা, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা এবং দরিদ্র রোগীদের প্রতি বিশেষ সহমর্মিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।<br />
<br />
তিনি বলেন, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কেউ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন সে লক্ষ্যে আমাদেরকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।<br />
<br />
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসন, অব্যবস্থাপনা, সীমাহীন দুর্নীতি ও অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। সাধারণ মানুষ সরকারি হাসপাতালে সময়মতো চিকিৎসা, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।<br />
<br />
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও দক্ষ জনবল নিশ্চিত না করেই ব্যয়বহুল যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। অবকাঠামোর অভাবে অনেক যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত থেকেছে। এমনকি টেকনিশিয়ান ও প্রয়োজনীয় কর্মী ছাড়াই পরীক্ষাগারের যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ান নিয়োগে দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।<br />
<br />
এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক সুপরিকল্পনা, দক্ষ জনবল, জনবান্ধব নীতি, জবাবদিহিতা এবং অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।<br />
<br />
এসময় তিনি দেশের চিকিৎসা খাতের উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।<br />
<br />
দেশের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। এই অর্থের প্রতিটি টাকা কার্যকর, যথাযথ ও স্বচ্ছভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।<br />
<br />
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার দেশের ১০০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে পর্যায়ক্রমে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ, টেকনিশিয়ান ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগসহ স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে জনমুখী করার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।<br />
<br />
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দেশের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ কোলোরেক্টাল রোগে আক্রান্ত। লজ্জা, সংকোচ ও অসচেতনতার কারণে অনেক রোগী চিকিৎসকের কাছে আসতে দেরি করেন, ফলে রোগ জটিল আকার ধারণ করে।<br />
<br />
এ জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং সহজলভ্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে সবাইকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।<br />
<br />
সম্মেলনে একটি জাতীয় কোলোরেক্টাল সার্জারি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপনের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।<br />
<br />
সম্মেলনের সার্বিক সফলতা কামনা করে তিনি বলেন, এই সম্মেলনে বিশ্বসেরা সার্জনদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে আপনারা সমৃদ্ধ হবেন ও দেশের সাধারণ মানুষের সেবায় এই সুযোগকে কাজে লাগাবেন। আপনাদের হাত ধরেই একটি আধুনিক, সাশ্রয়ী, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।<br />
<br />
এর আগে রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ সোসাইটি অফ কোলন এন্ড রেক্টাল সার্জন্স (বিএসসিআরএস)-এর পক্ষ থেকে সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয়।<br />
<br />
বিএসসিআরএস-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সাহাদত হোসেন শেখ।<br />
<br />
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এফ এম সিদ্দিকী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স ও সার্জন্স-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক (মহাসচিব) ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।<br />
<br />
দুইদিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশ ও বিদেশের বিশেষজ্ঞগণ এদেশের তরুণ চিকিৎসকদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন ও তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;<br />
&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5289.jpg?v=1793109301" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5289.jpg?v=1793109301" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[ইরাকে ৬ ফরাসি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড]]></title>
            <link>https://thikananews.com/world-culture/5288</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/world-culture/5288</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 19:36:49 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বিশ্বচরাচর]]></category>
                        <description><![CDATA[ইরাকে ৬ ফরাসি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেওয়ার দায়ে ছয় ফরাসি নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ইরাকের একটি আদালত। একই মামলায় আরেক ফরাসি নাগরিককে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) আদালতকক্ষে উপস্থিত রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী এ তথ্য জানিয়েছেন।<br />
<br />
দণ্ডিত ব্যক্তিরা সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন আটককেন্দ্রে থাকা আইএসের ৪৭ ফরাসি সন্দেহভাজনের মধ্যে ছিলেন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও ইরাকি কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে বৃহত্তর স্থানান্তর ব্যবস্থার আওতায় তাদের ইরাকে নেওয়া হয়।<br />
<br />
বিচারক জানান, আইএসে যোগদান এবং আতঙ্ক ছড়ানোর দায়ে ইরাকের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তাদের সাজা দেওয়া হয়েছে। আসামিরা বয়সে তরুণ হওয়ায় মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।<br />
<br />
রয়টার্সের ওই প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য অনুযায়ী, সাজাপ্রাপ্ত সপ্তম ফরাসি নাগরিকের বয়স ২৩ বছর। তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।<br />
<br />
আসামিদের আইনজীবীদের একজন আব্বাস আল-মালিকি জানিয়েছেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা ইরাকের সর্বোচ্চ আপিল আদালতে আপিল করবেন। গত মাসে ফরাসি নাগরিকদের বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয়।<br />
<br />
২০১৪ সালে ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয় আইএস। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট ও স্থানীয় বাহিনীর অভিযানে ২০১৯ সালে গোষ্ঠীটির ঘোষিত খেলাফতের পতন ঘটে। এরপর সংগঠনটির বহু সদস্যকে আটক করা হলেও এর অবশিষ্ট অংশ এখনো বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে।<br />
<br />
সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনী কয়েকটি এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর আটককেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র জানুয়ারিতে জানায়, সিরিয়া থেকে আইএসের বন্দিদের ইরাকে স্থানান্তর শুরু হয়েছে। সূত্র : রয়টার্স<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5288.jpg?v=1793108209" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5288.jpg?v=1793108209" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩২ কোটি ডলার দেবে জাপান]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5287</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5287</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 19:03:25 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩২ কোটি ডলার দেবে জাপান]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে প্রায় ৩২ কোটি ডলার জরুরি ঋণ সহায়তা দেবে জাপান। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে এ ঘোষণা আসে।<br />
<br />
দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা গভীর করার লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকের আগে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রীকে জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় জাপান ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। প্রধানমন্ত্রী গার্ড পরিদর্শন করেন।<br />
<br />
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর সফরসঙ্গীদের সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। একইভাবে জাপানের প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন। পরিচয় পর্বের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভবনের মূল কক্ষে প্রবেশ পথে পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে উভয় প্রধানমন্ত্রী একান্ত বৈঠকে মিলিত হন।<br />
<br />
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি দুপুরে কানতেইতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছেন। মধ্যাহ্নভোজের শুরুতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত স্বাগত বক্তব্য দেবেন এবং শুভেচ্ছা পানপাত্র উত্থাপন করবেন। জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেবেন এবং পাল্টা শুভেচ্ছা পানপাত্র উত্থাপন করবেন।<br />
<br />
এদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে জাপানের টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর ভবন অভিমুখের লম্বা সড়কের দুই পাশে টানানো হয় বাংলাদেশ ও জাপানের জাতীয় পতাকা।<br />
<br />
চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন এবং জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।<br />
<br />
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার (২৬ অক্টাবর) সকালে টোকিও পৌঁছান। নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে।<br />
<br />
সফরের প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধিদল, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।<br />
<br />
তারো আসোর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ২০০৬ সালে জাপানে তাদের সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে আসোর অবদানের স্বীকৃতি জানান এবং তাকে আবারও বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান।<br />
<br />
মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকির সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, ইপিএ বাস্তবায়ন এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, জ্বালানি ও উন্নত উৎপাদনশিল্প খাতে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।<br />
<br />
এ সময় কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) আধুনিকায়ন এবং দেশে দ্বিতীয় একটি সার কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।<br />
<br />
জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা, চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা এবং বাংলাদেশ-জাপান দক্ষতা অংশীদারত্ব গড়ে তোলার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন।<br />
<br />
এ ছাড়া একটি প্রযুক্তি গ্রাম ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও আলোচনায় উঠে আসে।<br />
<br />
কৃষির আধুনিকায়ন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালকা প্রকৌশলশিল্প এবং জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়গুলোও বৈঠকে গুরুত্ব পায়।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।<br />
<br />
প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন- ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম, সচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও আমজনতার দলের সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক রহমান।<br />
<br />
চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তৃতীয় বিদেশ সফর। এর আগে তিনি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন। এ ছাড়া গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে তিনি নিউইয়র্ক সফর করেন।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5287.jpg?v=1793112149" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5287.jpg?v=1793112149" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[দেশকে কোনো ফ্যাসিবাদের হাতে ইজারা দেওয়া হবে না : জামায়াত আমির]]></title>
            <link>https://thikananews.com/politics/5286</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/politics/5286</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 18:45:27 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
                        <description><![CDATA[দেশকে কোনো ফ্যাসিবাদের হাতে ইজারা দেওয়া হবে না : জামায়াত আমির]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশে আর কোনো সন্ত্রাসের রাজনীতি হতে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। অভিযোগ করেন, অনেকেই আছেন যারা ফ্যাসিবাদকে আশকারা দিচ্ছেন। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেলে রাজধানীর পল্টনের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।<br />
<br />
ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশকে কোনো ফ্যাসিবাদের হাতে ইজারা দেওয়া হবে না। মাথানত করা হবে না অন্যায়ের কাছে। যারা মানবিক রাজনীতি করবেন, তারাই দেশে রাজনীতি করতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।<br />
<br />
জামায়াত আমিরের দাবি&mdash; মানুষ গণভোটে আমূল পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে, সংবিধান নিয়ে নাড়াচাড়া করার জন্য নয়।<br />
<br />
এসময় অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানান জামায়াত আমির। অন্যথায় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5286.jpg?v=1793105127" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5286.jpg?v=1793105127" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5285</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5285</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 17:48:16 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য গবেষণা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য এবং আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামোর উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) জাপানের টোকিওতে স্থানীয় সময় বিকেলে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক স্বাস্থ্যবিষয়ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্যে জুবাইদা রহমান এ আহ্বান জানান।<br />
<br />
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানো, নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।<br />
<br />
জুবাইদা রহমান উল্লেখ করেন, কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা, সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধি, পরিবারভিত্তিক সামাজিক সহায়তা এবং &lsquo;ফ্যামিলি কার্ড&rsquo; চালুর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।<br />
<br />
স্বাস্থ্যসেবাকে নিজের পেশাগত ও ব্যক্তিগত আগ্রহের জায়গা উল্লেখ করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে। দুই দেশের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সুযোগ রয়েছে।<br />
<br />
শিশুদের সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠার ওপর জোর দিয়ে জুবাইদা রহমান বলেন, শিশুদের সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ও জাপান উভয় দেশই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে একটি টেকসই সামাজিক ব্যবস্থা, শক্তিশালী অর্থনীতি, মানসম্মত শিক্ষা এবং সহিংসতা ও দারিদ্র্য থেকে মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন।<br />
<br />
বিশ্বব্যাপী আন্তঃসংযোগ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, &lsquo;সবার জন্য স্বাস্থ্য&rsquo; সুনিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।<br />
<br />
বাংলাদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং জনকল্যাণমূলক ফাউন্ডেশনগুলোর অবদানকেও জুবাইদা রহমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।<br />
<br />
চিকিৎসক হিসেবে বাংলাদেশে নিজের পেশাগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, উপযুক্ত স্বাস্থ্যনীতি বাস্তবায়ন, স্বাস্থ্য গবেষণার অগ্রগতি এবং আধুনিক চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।<br />
<br />
শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করে জুবাইদা রহমান বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও বেশি অর্থ ও সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে ফাউন্ডেশনটির প্রতি আহ্বান জানান।<br />
<br />
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে যেকোনো উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার পূর্ণ সহযোগিতা ও সমর্থন দিতে প্রস্তুত।<br />
<br />
সেমিনারে নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের অনারারি চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়াসহ দুই দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5285.jpg?v=1793101696" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5285.jpg?v=1793101696" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু]]></title>
            <link>https://thikananews.com/health/5284</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/health/5284</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 17:44:23 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
                        <description><![CDATA[দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৭১ জন। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<br />
<br />
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৪০০ জন মারা গেছেন। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ২৮ হাজার ২৩৭ জন।<br />
<br />
এর আগে, গত ৬ ও ১৫ অক্টোবর ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5284.jpg?v=1793101463" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5284.jpg?v=1793101463" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[ভোটের জন্য নয়, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করে বিএনপি : সমাজকল্যাণমন্ত্রী]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5283</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5283</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 17:34:57 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[ভোটের জন্য নয়, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করে বিএনপি : সমাজকল্যাণমন্ত্রী]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, মানুষকে ভোলানোর জন্য, কথা বলে ভোট নেওয়ার জন্য রাজনীতি করে না বিএনপি। বিএনপি রাজনীতি করে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, শ্রেণি ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে দিনব্যাপী চাকরি মেলার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।<br />
<br />
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ও তাদের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শ। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দর্শনও সেই লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে এ চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে।<br />
<br />
তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে এ অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ অঞ্চলের মানুষের নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। দিনাজপুর জেলা শহর থেকেও এ অঞ্চলের দূরত্ব প্রায় ১১০ কিলোমিটার। এ পরিস্থিতিতে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে এবং তরুণ-তরুণীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে।<br />
<br />
মন্ত্রী আরও বলেন, তরুণদের জাগিয়ে তোলা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে তাদের সচেতন করাই এ চাকরি মেলার অন্যতম উদ্দেশ্য। এ আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে ও কার্যকরভাবে এ ধরনের আয়োজন করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।<br />
<br />
তিনি বলেন, দিনাজপুর-৬ আসনের পাশাপাশি পুরো দিনাজপুর জেলাকে দেশের সামনে আরও সম্ভাবনাময় ও সক্ষম অঞ্চল হিসেবে তুলে ধরতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।<br />
<br />
চাকরি মেলায় বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এতে ২৪ হাজারের বেশি চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেছেন। মেলা বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5283.jpg?v=1793112172" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5283.jpg?v=1793112172" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর শিক্ষিকা মুক্তার মরদেহ উদ্ধার!]]></title>
            <link>https://thikananews.com/village-bangla/5282</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/village-bangla/5282</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 17:25:56 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[গ্রাম বাংলা]]></category>
                        <description><![CDATA[কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর শিক্ষিকা মুক্তার মরদেহ উদ্ধার!]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[কক্সবাজারের ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকার মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন &lsquo;টুপটুপ রিসোর্টে&rsquo; ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ঢাকার স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার কঙ্কালসদৃশ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ধ্বংসস্তূপ থেকে তার অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে ওই রিসোর্ট ট্র্যাজেডিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে।<br />
<br />
সোমবার রাতে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত হলেও নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তার কোনো নমুনার সঙ্গে মিল পাওয়া যায়নি। এরপরই মঙ্গলবার সকালে উখিয়া থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলে আবার নতুন করে অনুসন্ধান অভিযান শুরু করেন। ঝুঁকিপূর্ণ ধ্বংসস্তূপ, আশপাশের নালা ও ঝোপঝাড়ে কয়েক ঘণ্টা অনুসন্ধানের পর দুপুরের দিকে মুক্তার মরদেহটি পাওয়া যায়। ১০ দিন অতিবাহিত হওয়ায় দেহটি কঙ্কালসদৃশ রূপ নিয়েছিল। পরে তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল গলার লকেট দেখে স্ত্রীর মরদেহ শনাক্ত করেন।<br />
<br />
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আনঅফিসিয়ালি ডিএনএ টেস্টের রিপোর্টে একজনের অমিল থাকার তথ্য পেয়েই নিখোঁজ নারীর খোঁজে পুলিশ সকাল থেকে ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালায়।<br />
নিহত নাসরিন আক্তার মুক্তা ঢাকার আশুলিয়ার &#39;স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের&#39; শিক্ষিকা এবং ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি দেওয়ান ফয়সালের স্ত্রী। ঢাকার গাজীপুর থেকে দুই বান্ধবীর সঙ্গে তিনি কক্সবাজার ভ্রমণে এসেছিলেন। দুর্ঘটনার দিন ভোরে অন্য দুই বান্ধবী সমুদ্রসৈকতে হাঁটাহাঁটি করতে বের হলেও মুক্তা রিসোর্টের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন লাগার পর দুই বান্ধবী প্রাণে বাঁচলেও কক্ষেই পুড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় মুক্তার।<br />
<br />
এদিকে সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া ১০ জনের মরদেহ মঙ্গলবার দুপুরের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের হাতে তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান ও পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান।<br />
শনাক্ত হওয়া নিহতদের মধ্যে ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং দুই কন্যাপুত্র রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬) রয়েছেন।<br />
<br />
অন্য পরিবারের নিহত সদস্যরা হলেন&mdash;ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪), ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩) এবং তাঁর ছয় বছর বয়সী শিশুসন্তান মোহাম্মদ ফাইজান নূর।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5282.jpg?v=1793100356" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5282.jpg?v=1793100356" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৫]]></title>
            <link>https://thikananews.com/health/5281</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/health/5281</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 16:35:40 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
                        <description><![CDATA[দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৫]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ২৯৫ শিশু। &nbsp;২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<br />
<br />
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও এক শিশুর।<br />
<br />
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট এক হাজার ১৩৫ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট এক হাজার ২৪০ শিশু মারা গেছে।<br />
<br />
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৬৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩২। এই সময়ে এক হাজার ১২৮ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ৫৪ শিশু।<br />
<br />
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ২৩ হাজার ৭৮৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৫৪১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট এক লাখ ৯৯ হাজার ১২৭ রোগী, যাদের মধ্যে এক লাখ ৯১ হাজার ৯০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5281.jpg?v=1793097340" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5281.jpg?v=1793097340" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5280</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5280</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 16:29:27 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবরের পরিবর্তে ৩১ অক্টোবর ফল প্রকাশ করা হবে। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।<br />
<br />
এর আগে গত ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের কথা জানানো হয়েছিল। একই সঙ্গে ২৬ অক্টোবর ফল প্রকাশের সময়, পদ্ধতি ও ফল জানার উপায় নিয়ে আরেকটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার কথা ছিল। তবে গতকাল সেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের কারণে ফল প্রকাশের সময়সূচি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে। সফরসূচি অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবর রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা। এ কারণে ওই দিন সকালে ফল প্রকাশ করা হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।<br />
<br />
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী ফল ঘোষণা করেন।<br />
<br />
<strong>যেভাবে</strong> <strong>ফল</strong> <strong>জানবেন</strong><br />
<br />
পরীক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইন ও মোবাইলের খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে পারবে।<br />
<br />
১. অনলাইনে ফলাফল: শিক্ষা বোর্ডের সমন্বিত ওয়েবসাইট educationboardresults.gov.bd-এ প্রবেশ করে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বোর্ড নির্বাচন করে ফল দেখা যাবে। সেখান থেকে মার্কশিটও ডাউনলোড করা যাবে।<br />
<br />
২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব ইআইআইএন (EIIN) ব্যবহার করে সমন্বিত ওয়েবসাইট থেকে পুরো প্রতিষ্ঠানের ফল একসঙ্গে ডাউনলোড করতে পারবে।<br />
<br />
৩. এসএমএসের মাধ্যমে: মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। এখানে DHA-এর জায়গায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি ইংরেজি অক্ষর এবং 123456-এর জায়গায় নিজের রোল নম্বর বসাতে হবে।<br />
<br />
২ জুলাই সারা দেশে একযোগে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের পরীক্ষা শেষ করতে আরও সময় লাগে। স্থগিত পরীক্ষাগুলো ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেওয়া হয়। অধিকাংশ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।&nbsp;<br />
এবার ১১টি শিক্ষাবোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5280.jpg?v=1793096968" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5280.jpg?v=1793096968" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[ঢাকা-চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5279</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5279</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 15:49:07 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[ঢাকা-চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ সংযোগ পুনর্বহালে জরুরি ভিত্তিতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।<br />
&nbsp;<br />
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিদ্যুৎ বিভাগের এক জরুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।<br />
<br />
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইতোমধ্যে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনর্বহাল করা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলোতেও স্বল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।<br />
<br />
এতে আরও বলা হয়, সাময়িক এ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে সম্মানিত গ্রাহকদের যে অসুবিধা হচ্ছে, তার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।<br />
&nbsp;<br />
এদিকে পাওয়ার গ্রিড পিএলসি জানিয়েছে, ঢাকার পূর্বাঞ্চল (ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন, মতিঝিল ইত্যাদি) এবং চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ নেই। মগবাজার, বনশ্রী, খিলগাঁওতেও বিদ্যুৎ নেই। এখনো কারিগরি কারণ জানা যায়নি। ধীরে ধীরে বিদ&zwj;্যুৎ ফেরানোর চেষ্টা চলছে।<br />
<br />
পিএলসি আরও জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রকৌশলীরা ধাপে ধাপে সংযোগ পুনঃস্থাপনের কাজ করছেন। জাতীয় গ্রিডের কার্যক্রম জাতীয় লোড ডেসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল ও স্বাভাবিক আছে।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5279.jpg?v=1793094547" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5279.jpg?v=1793094547" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[জাপানের নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5278</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5278</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 15:30:43 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[জাপানের নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির চিবা প্রিফেকচারের ইচিকাওয়া শহরে অবস্থিত নিটসু (Nittsu) লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেছেন। আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী নিটসু পরিদর্শন করেন।<br />
<br />
বিএনপির মিডিয়া সেলের এক ফেসবুক বার্তায় আজ এ তথ্য জানানো হয়।<br />
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মেহেদুল ইসলাম, প্রটোকল অফিসার-২ কামরুল ইসলাম এবং গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীসহ অন্যরা।<br />
এ ছাড়া পররাষ্ট্রসচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5278.jpg?v=1793093443" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5278.jpg?v=1793093443" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[মক্কা চুক্তি জোট ও ইরানের ঐতিহাসিক বৈঠক : বিশ্ব রাজনীতির নয়া সমীকরণ]]></title>
            <link>https://thikananews.com/world-culture/5277</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/world-culture/5277</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 14:28:30 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বিশ্বচরাচর]]></category>
                        <description><![CDATA[মক্কা চুক্তি জোট ও ইরানের ঐতিহাসিক বৈঠক : বিশ্ব রাজনীতির নয়া সমীকরণ]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[তেহরানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠকে বসেন সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক ও ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক হামলা ও অর্থনৈতিক অবরোধের হুমকির মুখে মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়েছে নজিরবিহীন চারপক্ষীয় নিরাপত্তাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশীদার তিন দেশ&mdash; সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ প্রতিনিধিরা তেহরানে ইরানি প্রশাসনের সঙ্গে এই রুদ্ধদ্বার আলোচনায় অংশ নেন। খবর আলজাজিরার। ইরানে মার্কিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের প্রধান প্রধান দিক ও গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-&nbsp;<br />
<br />
১. শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি<br />
বৈঠকে মক্কা চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির এবং তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন। ইরানি পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মহসেন রেজাই ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।<br />
<br />
২. মক্কা চুক্তি জোটের প্রথম যৌথ উদ্যোগ<br />
গত আগস্টে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হওয়া &lsquo;মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি&rsquo; কার্যকরের পর এই প্রথম এই তিন দেশ যৌথভাবে ইরানের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা বৈঠকে বসল। গত সপ্তাহে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের তেহরান সফরের পরপরই এই যৌথ বৈঠকের প্রস্তাব উঠে আসে।<br />
<br />
৩. প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু&nbsp;<br />
মার্কিন নৌ-অবরোধ ও হরমুজ প্রণালি : বিশ্ববাজারে ইরানের তেল রপ্তানি কার্যত থমকে দেওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একইসঙ্গে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখার বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিনিধিরা জোর দেন।<br />
<br />
হুথিদের হামলা বন্ধের চাপ : সৌদি আরবের পক্ষ থেকে লোহিত সাগর ও তাদের বাণিজ্যিক স্থাপনায় ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের রকেট ও ড্রোন হামলা বন্ধে ইরানের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান বা তুরস্ক সরাসরি ইয়েমেন সীমান্তে সৈন্য পাঠাবে না, তবে তারা ট্রাম্প প্রশাসনের হামলা থামানোর বিনিময়ে তেহরানকে আঞ্চলিক ছাড় দিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।<br />
<br />
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও মার্কিন শর্ত : ওয়াশিংটন চাচ্ছে তেহরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ও সর্বোচ্চ সীমা আরোপ করতে। অন্যদিকে ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা কোনো নতুন শর্তে রাজি হবে না।<br />
<br />
৪. ইরানি পক্ষের প্রতিক্রিয়া ও সিদ্ধান্ত<br />
বৈঠক শেষে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মহসেন রেজাই একে &lsquo;অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক&rsquo; বলে অভিহিত করেছেন। তেহরান আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছে, বহিরাগত কোনো দেশের (যেমন যুক্তরাষ্ট্রের) হস্তক্ষেপ ছাড়া কেবল আঞ্চলিক শক্তিগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই মধ্যপ্রাচ্যের স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা সম্ভব। যদিও কোনো আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির সময়সূচি বা পরবর্তী বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবে তেহরানের এই চারপক্ষীয় বৈঠক মার্কিন-ইসরায়েলি ব্লকের বাইরে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন আঞ্চলিক জোট ও কূটনৈতিক ভারসাম্য তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5277.jpg?v=1793089711" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5277.jpg?v=1793089711" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[তাকাইচিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5276</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5276</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 14:19:00 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[তাকাইচিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&nbsp;<br />
<br />
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় &lsquo;কানতেই&rsquo;-এ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ আমন্ত্রণ জানান।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন বলেন, &lsquo;&lsquo;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।&rdquo;<br />
<br />
তিনি বলেন, &lsquo;&lsquo;দ্বি-পাক্ষিক এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।<br />
<br />
&ldquo;বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও শিল্পায়নের লক্ষ্য অর্জনে জাপান সরকার ও দেশটির বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।&rdquo;<br />
<br />
উপ প্রেস সচিব স্বাধীন বলেন, &lsquo;&lsquo;বৈঠকে জ্বালানি, অবকাঠামো ও আইসিটি খাতে ১ ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুত বাংলাদেশে জাপানে একটি প্রতিনিধি পাঠানো কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।&rdquo;<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5276.jpg?v=1793089140" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5276.jpg?v=1793089140" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত: তথ্য উপদেষ্টা]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5275</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5275</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 14:07:21 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত: তথ্য উপদেষ্টা]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের &lsquo;ক্রসফায়ার&rsquo; সংক্রান্ত বক্তব্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জাপান সফর শেষে দেশে ফেরার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।<br />
<br />
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।<br />
<br />
মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, একটি রাজনৈতিক দল এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থেকে কাজ করেছে বলে সামনে আসা তথ্যে জানা গেছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনার পরিণতি সংশ্লিষ্টদের ভোগ করতে হবে।<br />
<br />
তিনি বলেন, একজন মানুষের মৃত্যুর পর তার মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ কেউ ভালোভাবে নেননি। অতীতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছিল। কিন্তু ওই বিচারগুলোর পক্ষে থাকা ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ পছন্দ করেননি।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার বিচার সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে। যারা এ ধরনের কাজ করেন, তারা শেষ পর্যন্ত সমাজে নিন্দিত হবেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য তারা মানুষের প্রশংসা বা সমর্থন পাবেন না।<br />
<br />
চব্বিশ-পরবর্তী সময়ে মৌলবাদী ও অতি ডানপন্থি উগ্রবাদীদের তৎপরতা এবং টঙ্গীতে এক শিশুকে নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার এসব ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। টঙ্গীর ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।<br />
<br />
তিনি বলেন, এসব ঘটনাকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না, বিষয়টি এমন নয়। টঙ্গীর ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।<br />
<br />
এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে প্রবণতা কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।<br />
<br />
জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার যদি স্পষ্ট বার্তা দেয় যে রাষ্ট্রের আইন ভঙ্গ করে কেউ এ ধরনের কাজ করতে পারবে না, তাহলে এমন ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসবে। এ ধরনের প্রবণতা দীর্ঘ সময় ধরে থাকবে না বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।<br />
<br />
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সংবাদ সম্মেলনের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে সরকার তার অবস্থান থেকে সরে আসেনি, ভবিষ্যতেও আসবে না।<br />
<br />
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও সরকার স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনার সময়ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছিল।<br />
<br />
জাহেদ উর রহমান বলেন, এসব বিষয়কে বাংলাদেশ মেনে নিয়েছে, এমনভাবে দেখার সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5275.jpg?v=1793093620" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5275.jpg?v=1793093620" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে জামায়াত জোটের বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি]]></title>
            <link>https://thikananews.com/politics/5274</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/politics/5274</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 13:58:53 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
                        <description><![CDATA[স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে জামায়াত জোটের বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[<strong>আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। জোটের অন্যতম নেতা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার পরিবর্তন না হলে তাদের জোটকে &lsquo;বড় কর্মসূচির দিকে&rsquo; যেতে হতে পারে।</strong><br />
<br />
আজ ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।<br />
<br />
মামুনুল হক বলেন, &ldquo;স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আমাদের অনেক শঙ্কা। এই নির্বাচন একেবারে নিরপেক্ষ হবে, এমন আস্থা আমরা রাখতে পারছি না।&rdquo;<br />
<br />
নির্বাচন কমিশনের সচিব পর্যায়ে দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকার &lsquo;নির্লজ্জ ভূমিকা&rsquo; পালন করছে। এ নিয়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট &lsquo;উদ্বিগ্ন&rsquo;।<br />
<br />
ঠাকুরগাঁও-২ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মামুনুল হক।<br />
<br />
সরকার ও নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, &ldquo;আমরা চাই নির্বাচন কমিশন যেভাবে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখার কথা, সেই ভূমিকা আমরা দেখতে চাই।<br />
<br />
&ldquo;এর ব্যত্যয় ঘটলে আমরা চুপ করে বসে থাকব না। আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায় করার এবং বাংলাদেশের মানুষের যে দীর্ঘ সংগ্রাম জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যেকোনও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করব।&rdquo;<br />
<br />
মামুনুল হক বলেন, &ldquo;এ ব্যাপারে আমরা মনে করছি সরকারের ও ইসির যে ভূমিকা, তাতে সহসাই আমাদের বড় ধরনের কর্মসূচির দিকে যেতে হতে পারে। আমরা এজন্য আগাম সতর্কবার্তা জারি করে রাখছি। আমরা আশা করি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে, না হলে আমরা কঠোর পথে হাঁটতে বাধ্য হব।&rdquo;<br />
<br />
মঙ্গলবার সকালে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়।<br />
<br />
বৈঠকে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ আয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়।<br />
<br />
সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য দিতে এসে লংমার্চ &lsquo;সফল&rsquo; করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান মামুনুল হক।<br />
<br />
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জোটের জ্যেষ্ঠ নেতারা বৈঠকে অংশ নেন।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5274.jpg?v=1793087957" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5274.jpg?v=1793087957" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে নেতানিয়াহু]]></title>
            <link>https://thikananews.com/world-culture/5273</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/world-culture/5273</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 13:18:26 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বিশ্বচরাচর]]></category>
                        <description><![CDATA[রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে নেতানিয়াহু]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। আজ (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় (বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে রাত ১০টা (বাংলাদেশ সময় রাত ২টা) পর্যন্ত।<br />
ওয়েস্ট মিনিস্টার বা পার্লামেন্টারি শাসনব্যবস্থার অধীন ইসরায়েলে অতীতেও নির্বাচন হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে; তবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এবারের নেসেট নির্বাচন খানিকটা হলেও আলাদা।<br />
<br />
কারণ, এবারের নির্বাচন আসলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সামনে টিকে থাকার লড়াই। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ভয়াবহ হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা, গাজায় নিষ্ঠুর ও দীর্ঘ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতার প্রেক্ষাপটে ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তাকে বহু আগেই বিচারের কাঠগড়ায় তুলেছেন। এই অংশটি যদি কোনো কারণে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়, তাহলে আপাতভাবে বলা যায় যে এই নির্বাচনের মধ্যে দিয়েই নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ হবে।<br />
<br />
তবে এটাও অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে ১৯ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা এই ঝানু ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার ক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষ। দেশটিতে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে এবং নির্বাচনের ফলাফল যদি তার পক্ষে পুরোপুরি না-ও যায়, তাহলেও &nbsp;ইসরায়েলের খণ্ডিত রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সরকার গঠনের জন্য তিনিই সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারেন।<br />
<br />
এবারের নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ভোটারদের কাছে গ্রহনযোগ্যতার নিরিখে নেতানিয়াহু এবং আইজেনকোট প্রায় সমানে সমান অবস্থানে রয়েছেন।<br />
<br />
ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াইর লাপিদ ও নাফতালি বেনেটের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন আইজেনকোট এবং জনমত জরিপ বলছে, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ও তাদের ডানপন্থী মিত্রদের সঙ্গে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।<br />
<br />
সাবেক সেনাপ্রধান আইজেনকোট নিরাপত্তা ইস্যুতে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত। তার পেছনে ইসরায়েলের ডানপন্থী ও মধ্যপন্থী&mdash;উভয় শিবিরেরই সমর্থন রয়েছে।<br />
<br />
নেতানিয়াহু তার নির্বাচনী প্রচারণায় যুদ্ধকালীন নেতৃত্ব এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার মিত্রতার ওপর জোর দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে সমর্থন জানিয়েছেন এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রোববার নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ট্রাম্প ইরানের হুমকিকে &lsquo;চিরতরে&rsquo; নির্মূল করতে আবারও পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত&mdash;তবে তা কেবল তখনই সম্ভব, যদি নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকেন।<br />
<br />
অপরদিকে আইজেনকোটের অভিযোগ, নেতানিয়াহু &lsquo;ভীতি প্রদর্শন, মিথ্যাচার ও হুমকির ওপর ভিত্তি করে&rsquo; প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি আরও বলেছেন, ট্রাম্প নিশ্চয়ই &lsquo;জনগণের দ্বারা নির্বাচিত যেকোনো নেতার সঙ্গেই পূর্ণ সহযোগিতার ভিত্তিতে&rsquo; কাজ করবেন।<br />
<br />
জনমত জরিপে ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থি নেতা ইতামার বেন গিভরের রাজনৈতিক দল জিউইশ পাওয়ারের জনপ্রিয়তা বাড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন জরিপের ফলাফল বলছে, নেতানিয়াহু যদি জয়ী হলেও তার দল লিকুদ পার্টি এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে না। সরকার গঠনের জন্য তাকে নির্ভর করতে হবে দুই কট্টর ডানপন্থি নেতা ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোৎরিচের ওপর। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে এ দুই নেতার ওপর।<br />
<br />
তবে জরিপ এ-ও বলছে যে নেতানিয়াহু বা আইজেনকোট&mdash;কারোরই ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো সুনিশ্চিত পথ নেই। ১২০ আসনের পার্লামেন্টে যদি কেউই জোট সরকার গঠন করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে আগামী বছর নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে ক্ষমতায় থেকে যেতে পারেন।<br />
<br />
জোট গঠনের সমীকরণ<br />
ইসরায়েলে ইহুদি-নেতৃত্বাধীন প্রায় সব দলের মতোই, আইজেনকোটও &lsquo;দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান&rsquo; (টু-স্টেট সলিউশন)-এর বিরোধিতা করেন। এ ধারণাটি ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে কয়েক দশক ধরে চলা শান্তি আলোচনার ভিত্তি ছিল।<br />
<br />
তবে তিনি ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার সমালোচনা করেছেন। ২০২৩ সাল থেকে এই সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে। এছাড়া, তিনি নেতানিয়াহুর অতি-ডানপন্থী জোটসঙ্গী বেন-গভির ও স্মোত্রিখের অবস্থানেরও বিরোধিতা করেন।<br />
<br />
লিকুদ পার্টির শক্ত ঘাঁটিগুলোতে অনেক হতাশ ভোটার এখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে অন্যদের নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সংগঠিত করার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া ইসরায়েলের ইতিহাসে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথম প্রধানমন্ত্রী&mdash; আদালতে যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের বিচার চলছে। যদিও নেতানিয়াহু দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবে তার সমর্থকদের অনেকেই এ কারণে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।<br />
<br />
ইসরায়েলের আরব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররা&mdash;যারা নাগরিকত্বের দিক থেকে ইসরায়েলি হলেও ঐতিহ্যের দিক থেকে ফিলিস্তিনি&mdash;যদি বিপুল সংখ্যায় ভোটকেন্দ্রে আসেন, তবে তা ইসরায়েলের জটিল জোট গঠনের সমীকরণকে আইজেনকোটের পক্ষে নিয়ে যেতে সাহায্য করতে পারে।<br />
<br />
আইজেনকোট অবশ্য আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গড়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন&mdash;কারণ হিসেবে তিনি অভিন্ন মূল্যবোধের অভাবের কথা উল্লেখ করেছেন&mdash;বিশ্লেষকরা এমন একটি পরিস্থিতির কথা ভাবছেন যেখানে আরব দলগুলো আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন একটি সংখ্যালঘু সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন দিতে পারে, যাতে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানো নিশ্চিত করা যায়।<br />
<br />
শালোম হার্টম্যান ইনস্টিটিউটের ইসরায়েলি রাজনৈতিক বিশ্লেষক আমোৎজ আসা-এল বলেন, &ldquo;আমার ধারণা, যে পক্ষই জিতুক না কেন, তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হবে খুবই সামান্য। কোনো বড় ধরনের জয়, যাকে আমরা ভূমিধস (ল্যান্ডস্লাইড) জয় বলি, তেমন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।&rdquo; সূত্র: রয়টার্স<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5273.jpg?v=1793088475" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5273.jpg?v=1793088475" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[মেটার মিউজ এআইয়ে এনভিডিয়ার ৩০০ কোটি ডলারের বাজি]]></title>
            <link>https://thikananews.com/science-and-it/5272</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/science-and-it/5272</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 13:17:25 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি]]></category>
                        <description><![CDATA[মেটার মিউজ এআইয়ে এনভিডিয়ার ৩০০ কোটি ডলারের বাজি]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উন্নয়নে মেটার সঙ্গে অংশীদারত্বে যাচ্ছে চিপ নির্মাতা এনভিডিয়া। মেটার &lsquo;মিউজ&rsquo; এআই সহকারী ও মিউজ মডেলগুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করবে প্রতিষ্ঠান দুটি।<br />
<br />
এ উদ্যোগের পাশাপাশি মেটার শেয়ার বিক্রির প্রস্তাবে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে এনভিডিয়া।<br />
<br />
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিউজ এআই সহকারী ও মডেলগুলোর উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোই এ অংশীদারত্বের মূল লক্ষ্য।<br />
<br />
এআই সহকারী হলো এমন সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, তথ্য খোঁজা, লেখা তৈরি এবং বিভিন্ন ডিজিটাল কাজে সহায়তা করতে পারে।<br />
<br />
আর এআই মডেল হলো সেই প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ভাষা বোঝা, তথ্য বিশ্লেষণ ও উত্তর তৈরির মতো কাজ করা হয়। মিউজের উন্নয়নের মাধ্যমে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার আরো বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে নতুন কী কী সুবিধা যুক্ত হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।<br />
<br />
এনভিডিয়ার সঙ্গে মেটার এই অংশীদারত্বের পেছনে এআই প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং ক্ষমতার গুরুত্ব রয়েছে।<br />
<br />
বড় এআই মডেল প্রশিক্ষণ ও পরিচালনায় বিপুল পরিমাণ হিসাব করার ক্ষমতা প্রয়োজন হয়। এ কাজে গ্রাফিকস প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এনভিডিয়া এ ধরনের চিপ ও এআই কম্পিউটিং প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী।<br />
<br />
অন্যদিকে, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সেবা ও এআই প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। দুই প্রতিষ্ঠানের এই সহযোগিতা মেটার এআই কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়ক হতে পারে।<br />
<br />
তবে চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট কী ধরনের প্রযুক্তি বা অবকাঠামো ব্যবহার করা হবে, তা ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়নি।<br />
<br />
মেটার শেয়ার বিক্রির উদ্যোগে এনভিডিয়ার ৩০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ দুই প্রতিষ্ঠানের ব্যাবসায়িক সম্পর্ককে আরো বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা, প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ১২০ টাকা ধরে।<br />
<br />
বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এআই উন্নয়নের প্রতিযোগিতা বাড়ছে। এ প্রতিযোগিতায় শুধু উন্নত এআই মডেল তৈরি নয়, সেগুলো পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় চিপ, কম্পিউটিং অবকাঠামো ও সফটওয়্যারেও বড় বিনিয়োগ করা হচ্ছে। মেটা ও এনভিডিয়ার এই অংশীদারত্বও সেই প্রতিযোগিতার অংশ।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5272.jpg?v=1793085445" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5272.jpg?v=1793085445" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[হানিফসহ ৪ আওয়ামী লীগ নেতার রায় ২৯ অক্টোবর]]></title>
            <link>https://thikananews.com/politics/5271</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/politics/5271</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 13:10:05 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
                        <description><![CDATA[হানিফসহ ৪ আওয়ামী লীগ নেতার রায় ২৯ অক্টোবর]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চার নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঘোষণা করা হবে।&nbsp;<br />
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।<br />
<br />
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।<br />
<br />
মামলায় হানিফ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চারজনই বর্তমানে পলাতক। তাদের হয়ে আইনি লড়াই করেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী আমির হোসেন। এর আগে, ৭ অক্টোবর এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষ হয়। পরে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২।<br />
<br />
গত ৫ অক্টোবর আওয়ামী লীগের এই চার নেতার সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে প্রসিকিউশন। ওই দিন প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।<br />
<br />
প্রসিকিউশন জানায়, হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলাটি আগেই শেষ হয়েছিল। কিন্তু নতুন করে কিছু অতিরিক্ত তথ্যপ্রমাণ দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ যুক্তিতর্ক সম্পন্ন করে।<br />
<br />
প্রসিকিউটর তামিম বলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন হানিফ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে সরকারের অংশ হিসেবে সিদ্ধান্তটি মেনে নিয়েছিলেন তিনি। একইসঙ্গে অধীনস্তদের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে সবকিছু বাস্তবায়ন করেছিলেন। তিনি সিভিলিয়ান লিডার ছিলেন। এ কারণে অধীনস্তদের নির্দেশ বা টেলিফোনে কথোপকথন করে এসব বাস্তবায়ন করেছেন।&nbsp;<br />
<br />
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন নাছিমকে একই অপরাধে সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। অতএব একই অবস্থানে থেকে মাহবুবউল আলম হানিফকেও ট্রাইব্যুনাল একই শাস্তি দেবেন বলে আমরা আশা করছি। কেননা একটি দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সব ধরনের সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেছেন হানিফ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি ও সহায়তার পাশাপাশি ওবায়দুল কাদেরের প্রত্যেক বৈঠকে উপস্থিত থেকে সমর্থন করেছেন তিনি। এছাড়া টেলিফোনে কথোপকথন করে কুষ্টিয়ার এসপি, জেলা-উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। টেলিফোনের সেসব কথোপকথন ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে।<br />
<br />
এর আগে, ১০ জুন এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তার জেরার মধ্য দিয়ে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে প্রসিকিউশন থেকে অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।<br />
<br />
গত বছরের ২ নভেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরদিন ৬ অক্টোবর তা আমলে নেওয়া হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র এবং কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5271.jpg?v=1793085005" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5271.jpg?v=1793085005" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5270</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5270</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 13:04:07 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় &lsquo;অর্ণব&rsquo; আরও ঘনীভূত হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ২৮ অক্টোবর ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।&nbsp;<br />
<br />
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোরে আবহাওয়া দপ্তরের দেওয়া বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<br />
<br />
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি আজ ভোর ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।<br />
<br />
সংস্থাটি আরও জানায়, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৮ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বর্তমানে খুবই বিক্ষুব্ধ অবস্থায় রয়েছে।<br />
<br />
পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5270.jpg?v=1793084647" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5270.jpg?v=1793084647" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[সামাজিক মাধ্যমে হয়রানি, আইনি পদক্ষেপ নিলেন বিজয়-রাশমিকা]]></title>
            <link>https://thikananews.com/entertainment/5268</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/entertainment/5268</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 12:57:42 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[আনন্দলোক]]></category>
                        <description><![CDATA[সামাজিক মাধ্যমে হয়রানি, আইনি পদক্ষেপ নিলেন বিজয়-রাশমিকা]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াচ্ছে নানা গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মিথ্যা প্রচার, বিকৃত স্ক্রিনশট ছড়িয়ে দেওয়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানির অভিযোগে এবার আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা।<br />
<br />
এ ঘটনায় পুলিশের সাইবার অপরাধ তদন্ত কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন তারকা দম্পতির প্রতিনিধিরা।<br />
<br />
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) হায়দরাবাদের সাইবার অপরাধ তদন্ত কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগটি জমা দেওয়া হয়।<br />
<br />
সম্প্রতি জনপ্রিয় টক শো &lsquo;কফি উইথ করণ&rsquo;-এ হাজির হয়ে নিজেদের প্রেম ও বিয়ের সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন বিজয় ও রাশমিকা। অনুষ্ঠানে বিজয় জানান, বিয়েতে রাজি করাতে রাশমিকাকে প্রায় ১০০ বার প্রস্তাব দিতে হয়েছিল।<br />
<br />
তার এই মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।<br />
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তাদের সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন অনেকে। এমনকি পুরোনো সাক্ষাৎকারের ভিডিও সামনে এনে বিজয়ের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ। এক পর্যায়ে এসব আলোচনা ব্যক্তিগত আক্রমণ ও হয়রানিতে রূপ নেয় বলে অভিযোগ তারকা দম্পতির।<br />
<br />
এ পরিস্থিতিতে সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আট পৃষ্ঠার একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন রাশমিকা। সেখানে তিনি বলেন, সমালোচনা কিংবা ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার সবার রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সাধারণ মতামত প্রকাশের সীমা ছাড়িয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণে পরিণত হয়েছে।<br />
<br />
বিজয়ের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গে রাশমিকা জানান, বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দুজনেরই নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন ছিল। বিজয় এ সিদ্ধান্তের জন্য সময় চেয়েছিলেন।<br />
<br />
তবে এর অর্থ এই নয় যে তাদের ভালোবাসায় কোনো ঘাটতি ছিল।<br />
নিজের দাম্পত্য জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে মতভেদ বা সমালোচনার জেরে পরিবারের সদস্যদের আক্রমণ না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।<br />
<br />
অন্যদিকে, স্ত্রীকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যের জবাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশমিকার সঙ্গে একটি ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। সেখানে স্ত্রীকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে তাদের দাম্পত্য জীবনে সুখী থাকার কথা জানান অভিনেতা।<br />
<br />
তারকা দম্পতির প্রতিনিধিদলের অভিযোগে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের নামে মনগড়া বক্তব্য প্রচার, বিকৃত স্ক্রিনশট ছড়িয়ে দেওয়া, ভুয়া পরিচয়ে প্রচারণা চালানো এবং পরিকল্পিতভাবে হয়রানি করার ঘটনা ঘটছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী কিংবা অর্থের বিনিময়ে পরিচালিত প্রচারণা রয়েছে কি না, তা-ও তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়েছে।<br />
<br />
প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সমালোচনার অধিকারকে তারা সম্মান করেন। তবে মতামত প্রকাশের সঙ্গে বানানো বা বিকৃত তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করার পার্থক্য রয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনলাইন পোস্টের লিংক ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণও জমা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।<br />
<br />
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সোমবার রাত পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা নথিভুক্ত হয়নি।<br />
<br />
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের উদয়পুরে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5268.jpg?v=1793084262" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5268.jpg?v=1793084262" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫]]></title>
            <link>https://thikananews.com/village-bangla/5267</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/village-bangla/5267</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 12:50:35 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[গ্রাম বাংলা]]></category>
                        <description><![CDATA[চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় লরিচাপায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছোট কুমিরা রয়েল সিমেন্ট গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।<br />
&nbsp;<br />
নিহতদের মধ্যে এক শিশু, তিনজন নারী এবং একজন পুরুষ রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত অবস্থায় অন্তত ৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এরমধ্যে ফাতেমা (৪০) এবং তার &nbsp;৮ বছর বয়সী ছেলে রাকিবের নাম জানা গেছে। তাদের বাড়ি নেত্রকোণার মদন শিবাশ্রম এলাকায়।<br />
<br />
ফায়ার সার্ভিস কুমিরা স্টেশনের ফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী এক যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশে দাঁড়ানো ছিল। গাড়িটি মেরামতের সময় যাত্রীরা নেমে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় ঢাকামুখী একটি লরি সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হন এবং বাকি দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর<br />
<br />
&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5267.jpg?v=1793083835" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5267.jpg?v=1793083835" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[ব্যালন ডি’অরে কে কোন পুরস্কার পেলেন]]></title>
            <link>https://thikananews.com/sport/5266</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/sport/5266</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 12:43:27 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
                        <description><![CDATA[ব্যালন ডি’অরে কে কোন পুরস্কার পেলেন]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[অপেক্ষার প্রহর শেষ। গতকাল রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে শেষ হয়েছে ২০২৬ ব্যালন ডি&rsquo;অর জয়ীদের নাম।<br />
<br />
নিজ নিজ বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি জিতেছেন হ্যারি কেইন-অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস-লামিনে ইয়ামালরা।<br />
<br />
চলুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক ২০২৬ ব্যালন ডি&rsquo;অর-জয়ীদের নাম&mdash;&nbsp;<br />
<br />
<strong>ছেলেদের</strong> <strong>ব্যালন</strong> <strong>ডি&rsquo;অর</strong>-<strong>জয়ী</strong> : হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখ)<br />
<strong>মেয়েদের</strong> <strong>ব্যালন</strong> <strong>ডি&rsquo;অর</strong>-<strong>জয়ী</strong> : অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস (স্পেন ও লন্ডন সিটি লায়নেস)<br />
<strong>ছেলেদের</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>উদীয়মান</strong> <strong>খেলোয়াড়</strong> : লামিনে ইয়ামাল (স্পেন ও বার্সেলোনা)<br />
<strong>মেয়েদের</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>উদীয়মান</strong> <strong>খেলোয়াড়</strong> : ভিকি লোপেজ (স্পেন ও বার্সেলোনা)<br />
<strong>মেয়েদের</strong> <strong>ফুটবলে</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>কোচ</strong> : পেরে রোমেউ (বার্সেলোনা)<br />
<strong>ছেলেদের</strong> <strong>ফুটবলে</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>কোচ</strong> : লুইস দে লা ফুয়েন্তে (স্পেন)<br />
<strong>মেয়েদের</strong> <strong>ফুটবলে</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>গোলরক্ষক</strong> : কাতা কোল (বার্সেলোনা)<br />
<strong>ছেলেদের</strong> <strong>ফুটবলে</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>গোলরক্ষক</strong> : উনাই সিমোন (স্পেন)<br />
<strong>সক্রেটিস</strong> <strong>পুরস্কার</strong> : বুকায়ো সাকা (ইংল্যান্ড ও আর্সেনাল)<br />
<strong>মেয়েদের</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>ক্লাব</strong> : বার্সেলোনা<br />
<strong>ছেলেদের</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>ক্লাব</strong> : পিএসজি<br />
<strong>ছেলেদের</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>স্ট্রাইকার</strong> : হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখ)<br />
<strong>মেয়েদের</strong> <strong>সেরা</strong> <strong>স্ট্রাইকার</strong> : শার্লিন কোবরাল (মেক্সিকো ও পাচুয়া)<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5266.jpg?v=1793083407" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5266.jpg?v=1793083407" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[টানা তিনবার কোপা ট্রফি জিতে ইয়ামালের ইতিহাস]]></title>
            <link>https://thikananews.com/sport/5265</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/sport/5265</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 12:33:06 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
                        <description><![CDATA[টানা তিনবার কোপা ট্রফি জিতে ইয়ামালের ইতিহাস]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[এবারের ব্যালন ডি&rsquo;অর জয়ের দৌড়ে ফেভারিট ছিলেন লামিনে ইয়ামাল। তবে শেষ পর্যন্ত ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত পুরস্কার উঠেছে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইনের হাতে। তবে ব্যালন ডি&rsquo;অরের মঞ্চ থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়নি ইয়ামালকে।&nbsp;<br />
<br />
বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার কোপা ট্রফি জিতেছেন ইয়ামাল। এই নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বের সেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন এই স্প্যানিশ তারকা।&nbsp;<br />
<br />
এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এই পুরস্কার নিজের করে নেন ইয়ামাল। অনূর্ধ্ব-২১ ফুটবলারদের জন্য দেওয়া এই পুরস্কারের ইতিহাসে আগে কেউ দুবারের বেশি জিততে পারেননি। ইয়ামাল এবার সংখ্যাটিকে তিনে নিয়ে গেলেন।&nbsp;<br />
<br />
পুরস্কার নিতে মঞ্চে উঠে ইয়ামাল জানালেন, তার বদলে পাউ কুবারসির হাতেই ট্রফিটি দেখতে চেয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বার্সেলোনার এই তরুণ ডিফেন্ডারকে পুরস্কারটির যোগ্য দাবিদারও মনে করেন তিনি।<br />
<br />
ইয়ামাল বলেন, &lsquo;এখানে উপস্থিত থাকতে পারা এবং এই পুরস্কার গ্রহণ করা আমার জন্য সম্মানের। আমি চাইতাম, কুবারসি এখানে থাকুক। আমার মনে হয়, পুরস্কারটি তারই পাওয়া উচিত ছিল। সে এটির যোগ্য।&rsquo;<br />
<br />
কেন কুবারসিকে এগিয়ে রাখছেন, সেটিও ব্যাখ্যা করেন স্প্যানিশ তারকা বলেন, &lsquo;অনেক দিন ধরেই সে অসাধারণ পর্যায়ে খেলছে। আমি চাইতাম, আজ রাতে এই পুরস্কারটি সে জিতুক।&rsquo;<br />
<br />
এরপর নিজের অর্জন নিয়ে ইয়ামাল বলেন, &lsquo;এই পুরস্কার নিতে তৃতীয়বারের মতো এখানে এসেছি। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। আমার ক্লাব, জাতীয় দল এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। দলীয় ও ব্যক্তিগত আরও শিরোপা জয়ের জন্য পরিশ্রম করে যাব।&rsquo;<br />
<br />
&nbsp;ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5265.jpg?v=1793082787" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5265.jpg?v=1793082787" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ]]></title>
            <link>https://thikananews.com/americar-ondhore/5264</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/americar-ondhore/5264</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 12:32:50 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[আমেরিকার অন্দরে]]></category>
                        <description><![CDATA[সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মিস সুইজারল্যান্ড প্রতিযোগী ও মডেল বিয়াত্রিস কিউল। তাঁর দাবি, ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলে ট্রাম্প তাঁকে ধর্ষণ করেন। ওই ঘটনায় তিনি শারীরিকভাবে আহত হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন কিউল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের বিচার বিভাগবিষয়ক কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে তাঁর অভিযোগের বিস্তারিত উঠে এসেছে। তবে অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং এ ঘটনায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নতুন কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনার তথ্যও প্রকাশিত হয়নি।<br />
<br />
সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার সময় কিউলের বয়স ছিল ২৪ বছর। তিনি তখন মডেল হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, একটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতাসংক্রান্ত অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পৃক্ততা ছিল এবং ঘটনাটি ঘটে নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলে।<br />
<br />
প্রতিবেদনে কিউলের বরাত দিয়ে বলা হয়, ট্রাম্প তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে সহায়তা করা এবং নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। পরে তাঁকে হোটেলের একটি কক্ষে যেতে বলা হয়। সেখানে ট্রাম্প তাঁর ওপর জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ করেন কিউল। এতে তাঁর পোশাক ছিঁড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তপাত ও কালশিটে পড়ে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।<br />
<br />
কিউলের অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার পর তাঁকে বিষয়টি গোপন রাখার জন্য চাপ দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা ও ভিসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আগের আশ্বাসও পুনরায় দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।<br />
<br />
এপস্টেইন-সংযোগ নিয়ে নতুন আলোচনা<br />
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ট্রাম্পের অতীত সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। নতুন প্রতিবেদনে কিউলের অভিযোগের পাশাপাশি এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।<br />
<br />
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার ওই অনুষ্ঠানে কিউলের সঙ্গে এপস্টেইনেরও দেখা হয়েছিল। এপস্টেইন নিজেকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন বলে কিউল দাবি করেছেন। পরে হোটেলের কক্ষে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর কথিত ঘটনার বিবরণও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়।<br />
<br />
প্রতিনিধি পরিষদের বিচার বিভাগবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য জেমি রাসকিনের দপ্তর থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে মোট ১১ জন নারীর বক্তব্য ও অভিযোগ পর্যালোচনা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণ অথবা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।<br />
<br />
ডেমোক্র্যাট সদস্যরা অভিযোগগুলোর পাশাপাশি এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশ এবং তদন্তের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁরা বিষয়টি তদন্তে স্বাধীন বিশেষ কৌঁসুলি নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রতিবেদনটি কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যদের উদ্যোগে প্রকাশিত; এতে উত্থাপিত সব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে&mdash;এমন নয়।<br />
<br />
আগের অভিযোগেও বিতর্ক<br />
কিউল ২০২৪ সালের অক্টোবরে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন আচরণের অভিযোগ করেছিলেন। সে সময় তাঁর বক্তব্য ছিল, ১৯৯৩ সালে ট্রাম্প তাঁকে চুমু দেওয়ার চেষ্টা করেন, শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেন এবং পোশাক তোলার চেষ্টা করেন। তবে ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, শেষ পর্যন্ত কথাবার্তার মাধ্যমে পরিস্থিতি থামাতে পেরেছিলেন।<br />
<br />
এবার প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রতিবেদনে একই ঘটনার বিষয়ে আরও গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। নতুন বিবরণে কিউল দাবি করেছেন, ওই ঘটনায় তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। তবে আগের বক্তব্য ও বর্তমান অভিযোগের মধ্যে পার্থক্য কেন, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।<br />
<br />
অভিযোগ প্রত্যাখ্যান হোয়াইট হাউসের<br />
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিবেদনটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ট্রাম্পকে আক্রমণ করার প্রচেষ্টা। হোয়াইট হাউসের বক্তব্য, এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন।<br />
<br />
ট্রাম্পও অতীতে এপস্টেইনের অপরাধের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কিউলের অভিযোগের বিষয়ে আদালতের কোনো চূড়ান্ত রায় বা ফৌজদারি দণ্ডের তথ্য পাওয়া যায়নি।<br />
<br />
উল্লেখ্য, লেখক ই. জিন ক্যারলকে ঘিরে পৃথক একটি দেওয়ানি মামলায় ২০২৩ সালে নিউইয়র্কের একটি জুরি ট্রাম্পকে যৌন নিপীড়ন ও মানহানির জন্য দায়ী করেছিল। সেই মামলাটি কিউলের অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক।<br />
<br />
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নতুন বিতর্ক<br />
যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বাড়িয়েছে। এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশ, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব ইতোমধ্যে নির্বাচনী আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।<br />
<br />
ডেমোক্র্যাটরা অভিযোগগুলোর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট নথি প্রকাশের দাবি জানাচ্ছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক আক্রমণ হিসেবে দেখছে।<br />
<br />
সাবেক মিস সুইজারল্যান্ড প্রতিযোগী বিয়াত্রিস কিউলের নতুন অভিযোগ ট্রাম্পের অতীত সম্পর্ক ও এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে স্বাধীন তদন্ত,&nbsp;<br />
প্রমাণ যাচাই এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ ও প্রমাণিত অপরাধের মধ্যে পার্থক্য বজায় রেখেই বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর<br />
&nbsp;]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5264.jpg?v=1793085536" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5264.jpg?v=1793085536" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বিগ-বি’ উদ্যোগ এগিয়ে নিতে একমত বাংলাদেশ-জাপান]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5263</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5263</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 11:52:24 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বিগ-বি’ উদ্যোগ এগিয়ে নিতে একমত বাংলাদেশ-জাপান]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[<strong>বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ এবং সরবরাহব্যবস্থার ঝুঁকি মোকাবিলা করে অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বিশেষ অংশীদারত্বমূলক উদ্যোগ &lsquo;বিগ-বি&rsquo; এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ও জাপান। এ উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সমন্বিতভাবে কাজ করবে দুই দেশ।</strong><br />
<br />
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কানতেইয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ ঘোষণায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।<br />
<br />
যৌথ ঘোষণায় দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্যে &lsquo;অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগ-বি&rsquo; উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর আওতায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্পায়ন এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে শিল্পের মূল্য সংযোজন, সরবরাহব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।<br />
<br />
যৌথ ঘোষণায় জাপানের বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিনিয়োগের ফলে বাংলাদেশে দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে। তবে বিনিয়োগের সম্ভাব্য পরিমাণ ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্য বাস্তবে অর্জিত হবে কি না, তা নির্ভর করবে প্রকল্প চূড়ান্তকরণ, অর্থায়ন, বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্ত এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর।<br />
<br />
চার অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে সহযোগিতা<br />
&lsquo;বিগ-বি&rsquo; উদ্যোগের আওতায় চারটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে কাজ করবে বাংলাদেশ ও জাপান। প্রথমত, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সংযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন, বাণিজ্য এবং শিল্পের সরবরাহব্যবস্থা আরও কার্যকর করা হবে।<br />
<br />
দ্বিতীয়ত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্নসহ বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলায় দুই দেশের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, সামুদ্রিক যোগাযোগপথের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিবর্তনশীল পরিবেশ মোকাবিলায় এ ধরনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।<br />
<br />
তৃতীয়ত, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং নীতিমালা প্রণয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বাড়ানো হবে। এর মাধ্যমে জাপানি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থানীয় উদ্যোক্তা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বৃহত্তর উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।<br />
<br />
চতুর্থত, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা জোরদার করা হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য স্থিতিশীল আঞ্চলিক পরিবেশ, নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা এবং দেশগুলোর মধ্যে কার্যকর সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে দুই পক্ষ।<br />
<br />
মাতারবাড়ী&ndash;মহেশখালী হবে শিল্প ও জ্বালানির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র<br />
&lsquo;বিগ-বি&rsquo; উদ্যোগ বাস্তবায়নে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে মাতারবাড়ী&ndash;মহেশখালী অঞ্চলকে সরবরাহব্যবস্থা, জ্বালানি ও শিল্পের বড় কেন্দ্রে পরিণত করার বিষয়ে একমত হয়েছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।<br />
<br />
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এ অঞ্চলকে ঘিরে বন্দর, বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি অবকাঠামো, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং পণ্য পরিবহনের সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। গভীর সমুদ্রবন্দরকে শিল্পাঞ্চল ও স্থলভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থার সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করা গেলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়তে পারে।<br />
<br />
মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে অবকাঠামো উন্নয়নের মূল উদ্দেশ্য শুধু পণ্য আমদানি-রপ্তানির সুবিধা বাড়ানো নয়; বরং উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিতরণ কার্যক্রমের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা। এতে দেশি-বিদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।<br />
<br />
জাপান ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে সহযোগিতা করছে। ঢাকার মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎ প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা দুই দেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারত্বের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।<br />
<br />
নতুন &lsquo;বিগ-বি&rsquo; উদ্যোগের মাধ্যমে এসব অবকাঠামোকে বৃহত্তর শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে মাতারবাড়ী&ndash;মহেশখালীকে কার্যকর অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করতে বন্দর, সড়ক, রেল, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ, পানি, শিল্পের উপযোগী জমি এবং দক্ষ জনশক্তির সমন্বিত উন্নয়ন প্রয়োজন হবে।<br />
<br />
পাঁচ বছরে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা<br />
বাংলাদেশে আগামী পাঁচ বছরে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। জাপানের বেসরকারি খাতের এ সম্ভাব্য বিনিয়োগ বাংলাদেশের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে।<br />
<br />
জাপানের সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনের বরাতে রয়টার্সও বাংলাদেশে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৬ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। তবে ওই প্রতিবেদনের তথ্য রয়টার্স স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। ফলে বিনিয়োগের পুরো অর্থ ইতোমধ্যে চূড়ান্ত বা অনুমোদিত হয়েছে&mdash;এমন ধারণা করা ঠিক হবে না।<br />
<br />
বাংলাদেশের জন্য এ বিনিয়োগের সম্ভাব্য সুফল নির্ভর করবে অর্থের কতটা বাস্তবে বিনিয়োগ করা হচ্ছে এবং কোন কোন খাতে প্রকল্প গড়ে উঠছে, তার ওপর। উৎপাদনশিল্প, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়লে নতুন কর্মসংস্থানের পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হতে পারে।<br />
<br />
জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগ গড়ে উঠলে প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা স্থানান্তরের পথও প্রশস্ত হতে পারে। তবে বিনিয়োগের সুফল বিস্তৃত করতে স্থানীয় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ উন্নত করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।<br />
<br />
বাণিজ্য ও সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের সম্ভাবনা<br />
বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা &lsquo;বিগ-বি&rsquo; উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা গেলে বাংলাদেশ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে পণ্য পরিবহন, শিল্প উৎপাদন এবং সরবরাহব্যবস্থার সংযোগস্থল হিসেবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।<br />
<br />
এ ক্ষেত্রে গভীর সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে শিল্পাঞ্চল, সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং জ্বালানি অবকাঠামোর সমন্বয় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বন্দর থেকে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় কমানো গেলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আমদানি করা কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি দ্রুত পরিবহনের সুযোগ তৈরি হলে শিল্প উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।<br />
<br />
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। এ চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়ন, বাজারে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মান পূরণের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।<br />
<br />
তবে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে শুধু বন্দর বা অবকাঠামো নির্মাণ যথেষ্ট নয়। শুল্ক ও কাস্টমস কার্যক্রমের দক্ষতা, পণ্য পরিবহনের নির্ভরযোগ্যতা, বিনিয়োগ অনুমোদনের স্বচ্ছতা এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত করতে হবে।<br />
<br />
জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলা<br />
&lsquo;বিগ-বি&rsquo; উদ্যোগের নতুন কাঠামোয় জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিভিন্ন বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, সরবরাহপথে বিঘ্ন এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।<br />
<br />
জাপানের প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ জ্বালানি অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ পেতে পারে। তবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্পের আর্থিক সম্ভাব্যতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহব্যবস্থার টেকসই পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ।<br />
<br />
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধিও উদ্যোগটির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও অন্যান্য দুর্যোগের ঝুঁকি বিবেচনায় বন্দর, শিল্পাঞ্চল ও পরিবহন অবকাঠামোকে দুর্যোগসহনশীল করে গড়ে তোলা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি, পূর্বাভাসব্যবস্থা এবং জরুরি সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়নে দুই দেশের সহযোগিতা কার্যকর হতে পারে।<br />
<br />
উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব<br />
জাপান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী। তবে নতুন &lsquo;বিগ-বি&rsquo; উদ্যোগে সরকারি উন্নয়ন সহায়তার পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ, বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব এবং শিল্প উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।<br />
<br />
২০১৪ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের উদ্যোগে &lsquo;বেই অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট&rsquo; বা &lsquo;বিগ-বি&rsquo; কর্মসূচি চালু হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।<br />
<br />
বর্তমান উদ্যোগে সেই কাঠামোকে আরও বিস্তৃত করে জ্বালানি নিরাপত্তা, সরবরাহব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়গুলোকে একসঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।<br />
<br />
দুই দেশের সাম্প্রতিক আলোচনায় কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নের মতো ক্ষেত্রেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। ফলে অংশীদারত্বটি শুধু বড় অবকাঠামো প্রকল্পে সীমাবদ্ধ না রেখে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে।<br />
<br />
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই হবে মূল চ্যালেঞ্জ<br />
বাংলাদেশ ও জাপানের &lsquo;বিগ-বি&rsquo; উদ্যোগ নতুন বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও আঞ্চলিক যোগাযোগের সম্ভাবনা তৈরি করলেও এর সফলতা নির্ভর করবে ঘোষিত পরিকল্পনাগুলোর বাস্তবায়নের ওপর। এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ এবং দুই লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা অর্জনে প্রকল্পভিত্তিক পরিকল্পনা, অর্থায়ন, সময়সীমা নির্ধারণ এবং কার্যকর তদারকি প্রয়োজন।<br />
<br />
একই সঙ্গে বিনিয়োগের সুফল যেন শুধু বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য স্থানীয় উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং দক্ষ জনশক্তিকে উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এতে নতুন শিল্পায়নের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠকের পর ঘোষিত সিদ্ধান্ত দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দেওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। এখন মূল লক্ষ্য হবে বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে বাস্তব প্রকল্পে রূপান্তর, মাতারবাড়ী&ndash;মহেশখালী অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়ানো।<br />
<br />
সফরের ঘোষণাগুলো বাস্তবায়িত হলে &lsquo;বিগ-বি&rsquo; উদ্যোগ বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5263.jpg?v=1793080345" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5263.jpg?v=1793080345" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[জাপানকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5262</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5262</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 11:01:28 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[জাপানকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[<strong>জাপানকে বাংলাদেশের কয়েক দশকের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ঐতিহাসিক অংশীদারত্বকে এখন এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, গভীর আস্থা এবং শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন লক্ষ্যকে ভিত্তি করে বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।</strong><br />
<br />
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।<br />
<br />
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের জন্য সব সময় একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি জাপান। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক বিকাশে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তর করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও জাপান পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।<br />
<br />
জ্বালানি, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোয় সহযোগিতা<br />
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে তারেক রহমান জানান, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে অভিন্ন অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।<br />
<br />
আলোচনায় জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, রেলওয়ে, যোগাযোগ অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। এসব খাতে জাপানের অভিজ্ঞতা, উন্নত প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার সুযোগ রয়েছে।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী জানান, সফরকালে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খাতে সমঝোতা স্মারক বিনিময় হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় আলোচনার বিস্তারিত এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দিকনির্দেশনা যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।<br />
<br />
জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগিতা মূলত অবকাঠামো, পরিবহন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিস্তৃত। এখন সেই সহযোগিতাকে আরও বহুমুখী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সুফল অর্জনের সুযোগ রয়েছে।<br />
<br />
বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান<br />
জাপানি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনাময় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়িক উদ্যোগকে লাভজনক ও টেকসই করতে তাঁর সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।<br />
<br />
বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি জাপানের উদ্যোক্তা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধানের আহ্বান জানান।<br />
<br />
বাংলাদেশের জন্য জাপানি বিনিয়োগের গুরুত্ব কেবল মূলধনপ্রাপ্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। উৎপাদনপ্রযুক্তি, মান নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হলে দেশের শিল্প খাত আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রেও এ ধরনের বিনিয়োগ ভূমিকা রাখতে পারে।<br />
<br />
বিশেষ করে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে জাপানি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থায় জাপানি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বাড়লে বাংলাদেশ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক উৎপাদন নেটওয়ার্কে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ পেতে পারে।<br />
<br />
পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের সম্ভাবনা<br />
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে সফরের আগেই গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশিত হয়েছে। জাপানের সংবাদমাধ্যম নিক্কেইয়ের প্রতিবেদনের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ৬ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে জাপানের।<br />
<br />
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে গাড়ি ও অন্যান্য উৎপাদনশিল্প এবং জ্বালানি অবকাঠামো। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতেও জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টি এতে গুরুত্ব পেয়েছে। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিনিয়োগ পরিকল্পনার তথ্য তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। ফলে এটিকে চূড়ান্ত বিনিয়োগ চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।<br />
<br />
তারেক রহমানের টোকিও সফরে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কারণে এ সম্ভাবনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে সম্ভাব্য বিনিয়োগ বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প নির্বাচন, অর্থায়ন, নীতিগত নিশ্চয়তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন হবে।<br />
<br />
অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা<br />
বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত এ চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানো এবং বাংলাদেশি পণ্যের জন্য জাপানের বাজারে প্রবেশের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।<br />
<br />
বাংলাদেশের রপ্তানি খাত দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাকশিল্পের ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল। জাপানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে পোশাকের পাশাপাশি কৃষিপণ্য, মৎস্যজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, চামড়াজাত পণ্য ও অন্যান্য উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে জাপানের মান, নিরাপত্তা, প্যাকেজিং ও আমদানি-সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে।<br />
<br />
অন্যদিকে, জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের বাজার, শ্রমশক্তি এবং আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ হতে পারে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ভারসাম্য বাড়াতে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং জাপানের বাজার সম্পর্কে তথ্যপ্রাপ্তিও জরুরি।<br />
<br />
গভীর সমুদ্রবন্দর ও আঞ্চলিক যোগাযোগ<br />
দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র গভীর সমুদ্রবন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামো। বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পণ্য পরিবহনের ব্যয় কমানো এবং আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থায় দেশের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য বন্দর অবকাঠামোর উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ।<br />
<br />
বিশেষ করে মাতারবাড়ীকে ঘিরে বন্দর ও সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক যোগাযোগ ও শিল্পায়নের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।<br />
<br />
জাপানের মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলবিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গেও আঞ্চলিক যোগাযোগ, অবকাঠামো এবং সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়টি সম্পর্কিত। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সহযোগিতা শুধু দ্বিপক্ষীয় উন্নয়নেই নয়, বৃহত্তর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংযোগেও ভূমিকা রাখতে পারে।<br />
<br />
তবে এ ধরনের বড় প্রকল্পে বিনিয়োগের পাশাপাশি ঋণের শর্ত, অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রকল্পের সুফল নিশ্চিত করতে স্বচ্ছতা ও কার্যকর বাস্তবায়নও গুরুত্বপূর্ণ।<br />
<br />
জাইকা ও জাপানি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক<br />
চার দিনের সরকারি সফরে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান। জাপান সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁদের স্বাগত জানান।<br />
<br />
সফরের প্রথম দিনেই জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের সভাপতি তারো আসোর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।<br />
<br />
এ ছাড়া জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকা এবং জাপান-বাংলাদেশ যৌথ অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির সভাপতি ও মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকির সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন তারেক রহমান।<br />
<br />
এসব বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে জাপানি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা, অনুমোদনপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরেন। জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।<br />
<br />
পরীক্ষিত বন্ধুত্ব থেকে ভবিষ্যতের অংশীদারত্ব<br />
বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের ভিত্তি দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের সমন্বয়। বাংলাদেশের অবকাঠামো ও শিল্পায়নে জাপানের ভূমিকা দুই দেশের সম্পর্ককে বিশেষ মাত্রা দিয়েছে। এখন সেই সম্পর্ককে নতুন প্রযুক্তি, বেসরকারি বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও কার্যকর করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরের গুরুত্ব তাই আনুষ্ঠানিক বৈঠক বা সমঝোতা স্মারক বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সফরে ঘোষিত উদ্যোগগুলো বাস্তব প্রকল্পে রূপান্তর, বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন এবং দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে তোলাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।<br />
<br />
জাপানকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান যে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, তার বাস্তব সাফল্য নির্ভর করবে অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয় তার ওপর। বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ সুফল পেলে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব আরও গভীর ও অর্থবহ হয়ে উঠবে।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5262.jpg?v=1793080212" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5262.jpg?v=1793080212" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[‘যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরান আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেছে’: ট্রাম্প]]></title>
            <link>https://thikananews.com/americar-ondhore/5261</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/americar-ondhore/5261</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 10:24:06 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[আমেরিকার অন্দরে]]></category>
                        <description><![CDATA[‘যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরান আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেছে’: ট্রাম্প]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[<strong>ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জন্য তেহরানকে দায়ী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করেনি; বরং ইরানই প্রথম যুদ্ধ শুরু করেছে। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী যুদ্ধবিরতিকে সময়ের অপচয় হিসেবে উল্লেখ করে সামরিক অভিযানের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি। তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি প্রস্তুত ছিলেন বলে জানিয়েছেন।</strong><br />
<br />
সোমবার (২৬ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের করিন্থ শহরে এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন ট্রাম্প। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন তিনি। ইরান যুদ্ধ, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষের মধ্যে তাঁর এই বক্তব্য রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ।<br />
<br />
ট্রাম্প বলেন, &lsquo;আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করিনি। ইরান আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেছে।&rsquo; তাঁর ভাষ্য, ইরানের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ আরও আগেই নেওয়া উচিত ছিল। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কা থাকলেও তিনি সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত ছিলেন বলে দাবি করেন।<br />
<br />
যুদ্ধবিরতি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, &lsquo;আমরা একটি ছোট যুদ্ধবিরতি করেছিলাম, যা আমি কখনো খুব একটা পছন্দ করিনি। আমরা ভালো হতে চেয়েছি, তবে যতদূর আমি মনে করি, এটি কেবল সময়ের অপচয় ছিল।&rsquo;<br />
<br />
ট্রাম্পের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রশ্নে তিনি আপাতত কঠোর অবস্থান বজায় রাখতে চান। তবে তাঁর বক্তব্যে যুদ্ধবিরতি কেন কার্যকর হয়নি, ভবিষ্যতে নতুন কোনো সমঝোতার সুযোগ রয়েছে কি না কিংবা সামরিক অভিযান কোন পর্যায়ে গিয়ে শেষ হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়নি।<br />
<br />
<strong>ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে উদ্বেগ</strong><br />
ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, তেহরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে, যেগুলো ইউরোপে আঘাত হানতে সক্ষম। অদূর ভবিষ্যতে এসব ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করতে পারত বলে মন্তব্য করেন তিনি।<br />
<br />
ট্রাম্প বলেন, &lsquo;তারা সান ডিয়েগোতে আঘাত হানত, তারা লস অ্যাঞ্জেলেসে আঘাত হানত, তারা আমাদের শহরগুলোতেও আঘাত হানত।&rsquo;<br />
<br />
তবে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা, সক্ষমতা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে হামলার আশঙ্কার পক্ষে তিনি সমাবেশে কী নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য উপস্থাপন করেছেন, তা তাঁর এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট নয়। ফলে তাঁর দাবিকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্যের পরিবর্তে প্রেসিডেন্টের নিজস্ব বক্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।<br />
<br />
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার যুক্তি তুলে ধরে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। মিসিসিপির সমাবেশেও যুদ্ধের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরার পাশাপাশি ট্রাম্প দাবি করেন, সংঘাতের অবসান হলে তেলের দাম আবার কমতে পারে।<br />
<br />
<strong>তেলের দাম ও অর্থনৈতিক চাপ</strong><br />
ইরান যুদ্ধের প্রভাব এখন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। খাদ্যপণ্য, পরিবহন ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয়ের চাপের মধ্যে তেলের মূল্যবৃদ্ধি সরকারের অর্থনৈতিক নীতির ওপরও প্রশ্ন তৈরি করছে।<br />
<br />
২৬ অক্টোবর প্রকাশিত রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির প্রভাব নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ রিপাবলিকানদের নির্বাচনী অবস্থানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ট্রাম্প অবশ্য দাবি করেছেন, অর্থনীতি শক্তিশালী থাকলে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা ভালো ফল করবে। তাঁর পূর্বাভাস, যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে এবং তেলের দাম কমে আসবে।<br />
<br />
তবে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে এবং জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল হয়ে উঠবে&mdash;ট্রাম্পের এই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নির্ভর করছে সংঘাতের গতিপ্রকৃতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং তেল সরবরাহের ওপর। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানির বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।<br />
<br />
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধের রাজনৈতিক গুরুত্ব<br />
ট্রাম্পের মিসিসিপি সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার চালানো। সেখানে তিনি রিপাবলিকান সিনেটর সিন্ডি হাইড-স্মিথের প্রতি সমর্থন জানান। ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মিসিসিপিতেও এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রত্যাশার তুলনায় কঠিন হয়ে উঠেছে।<br />
<br />
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের সব ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের ৩৫টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে, নাকি ডেমোক্র্যাটরা শক্তিশালী অবস্থানে ফিরবে&mdash;তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, ইরান যুদ্ধ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগুলো নির্বাচনী প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।<br />
<br />
এই প্রেক্ষাপটে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পক্ষে ট্রাম্পের বক্তব্যকে শুধু সামরিক নীতির ব্যাখ্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এর সঙ্গে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাবও জড়িত। একদিকে তিনি ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরছেন, অন্যদিকে যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে ভোটারদের উদ্বেগ প্রশমনের চেষ্টা করছেন।<br />
<br />
তবে যুদ্ধের যৌক্তিকতা তুলে ধরার পাশাপাশি এর অর্থনৈতিক মূল্যও যে প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে, তা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সংঘাতের দ্রুত অবসান ঘটানো সম্ভব না হলে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ওপর চাপ বাড়তে পারে।<br />
<br />
সব মিলিয়ে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যে সামরিক কঠোরতা, জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি এবং অর্থনৈতিক প্রত্যাশা&mdash;তিনটি বিষয়ই সামনে এসেছে। তিনি সংঘাতের দায় ইরানের ওপর চাপিয়ে সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান ধরে রেখেছেন। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত পরিণতি নির্ভর করবে সামরিক পরিস্থিতি, কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তার ওপর।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5261.jpg?v=1793077311" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5261.jpg?v=1793077311" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[‘আমি এই দেশে আর নাই’, দেশ ছাড়ার দাবি শিশুটির বাবা রুমির]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5260</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5260</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 10:20:35 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[‘আমি এই দেশে আর নাই’, দেশ ছাড়ার দাবি শিশুটির বাবা রুমির]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার এক শিক্ষককের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। আলোচিত এই ঘটনার মধ্যে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি দাবি করেছেন, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক খুদেবার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। তবে তিনি বর্তমানে কোন দেশে অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।<br />
<br />
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো খুদেবার্তায় শাহজালাল রুমি লেখেন, &lsquo;আমি এই দেশে আর নাই। এগুলা নিয়ে আর ভাবছি না, যা হয় হোক, আপনারা ভালো থাকেন।&rsquo;<br />
<br />
একই বার্তায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগও তোলেন তিনি। রুমি লেখেন, &lsquo;একজন আলেম হয়েও তিনি অনেক মিথ্যা বলেছেন এবং এখনো বলে যাচ্ছেন।&rsquo;<br />
<br />
ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অক্টোবর। টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক ও উপাধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী ওই শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পর ক্ষুব্ধ হয়ে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন।<br />
<br />
খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষক মোসলেম উদ্দিনকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। পরে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় মোসলেম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।<br />
<br />
এরপর শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনাও বিতর্কের জন্ম দেয়।<br />
<br />
এদিকে মোসলেম উদ্দিন কারাগারে যাওয়ার পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধে টঙ্গী পশ্চিম থানায় পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদ্রাসায় অনধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর এবং ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।<br />
<br />
পাল্টা মামলা দায়েরের পর থেকেই জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছিল না শাহজালাল রুমিকে। এ অবস্থায় তাঁর অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই সোমবার রাতে গণমাধ্যমে খুদেবার্তা পাঠিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে যাওয়ার দাবি করেন।<br />
<br />
তবে রুমি সত্যিই দেশ ছেড়েছেন কি না, কিংবা ছেড়ে থাকলে বর্তমানে কোন দেশে অবস্থান করছেন, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। তাঁর দেশত্যাগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো দায়িত্বশীল সূত্র থেকেও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।<br />
<br />
শিশুটির ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনা এবং পরবর্তী পাল্টা মামলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে রুমির দেশ ছাড়ার দাবি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও মামলাগুলোর অগ্রগতি নির্ধারণে তদন্ত এবং আইনগত প্রক্রিয়ার ফলাফলই হবে গুরুত্বপূর্ণ।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5260.jpg?v=1793074835" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5260.jpg?v=1793074835" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[‘আমি এই দেশে আর নাই’, দেশ ছাড়ার দাবি শিশুটির বাবা রুমির]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5259</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5259</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 10:20:35 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[‘আমি এই দেশে আর নাই’, দেশ ছাড়ার দাবি শিশুটির বাবা রুমির]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার এক শিক্ষককের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। আলোচিত এই ঘটনার মধ্যে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি দাবি করেছেন, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক খুদেবার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। তবে তিনি বর্তমানে কোন দেশে অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।<br />
<br />
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো খুদেবার্তায় শাহজালাল রুমি লেখেন, &lsquo;আমি এই দেশে আর নাই। এগুলা নিয়ে আর ভাবছি না, যা হয় হোক, আপনারা ভালো থাকেন।&rsquo;<br />
<br />
একই বার্তায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগও তোলেন তিনি। রুমি লেখেন, &lsquo;একজন আলেম হয়েও তিনি অনেক মিথ্যা বলেছেন এবং এখনো বলে যাচ্ছেন।&rsquo;<br />
<br />
ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অক্টোবর। টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক ও উপাধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী ওই শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পর ক্ষুব্ধ হয়ে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন।<br />
<br />
খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষক মোসলেম উদ্দিনকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। পরে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় মোসলেম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।<br />
<br />
এরপর শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনাও বিতর্কের জন্ম দেয়।<br />
<br />
এদিকে মোসলেম উদ্দিন কারাগারে যাওয়ার পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধে টঙ্গী পশ্চিম থানায় পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদ্রাসায় অনধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর এবং ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।<br />
<br />
পাল্টা মামলা দায়েরের পর থেকেই জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছিল না শাহজালাল রুমিকে। এ অবস্থায় তাঁর অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই সোমবার রাতে গণমাধ্যমে খুদেবার্তা পাঠিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে যাওয়ার দাবি করেন।<br />
<br />
তবে রুমি সত্যিই দেশ ছেড়েছেন কি না, কিংবা ছেড়ে থাকলে বর্তমানে কোন দেশে অবস্থান করছেন, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। তাঁর দেশত্যাগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো দায়িত্বশীল সূত্র থেকেও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।<br />
<br />
শিশুটির ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনা এবং পরবর্তী পাল্টা মামলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে রুমির দেশ ছাড়ার দাবি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও মামলাগুলোর অগ্রগতি নির্ধারণে তদন্ত এবং আইনগত প্রক্রিয়ার ফলাফলই হবে গুরুত্বপূর্ণ।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5259.jpg?v=1793074835" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5259.jpg?v=1793074835" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[‘আমি এই দেশে আর নাই’, দেশ ছাড়ার দাবি শিশুটির বাবা রুমির]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5258</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5258</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 10:20:35 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[‘আমি এই দেশে আর নাই’, দেশ ছাড়ার দাবি শিশুটির বাবা রুমির]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার এক শিক্ষককের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। আলোচিত এই ঘটনার মধ্যে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি দাবি করেছেন, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক খুদেবার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। তবে তিনি বর্তমানে কোন দেশে অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।<br />
<br />
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো খুদেবার্তায় শাহজালাল রুমি লেখেন, &lsquo;আমি এই দেশে আর নাই। এগুলা নিয়ে আর ভাবছি না, যা হয় হোক, আপনারা ভালো থাকেন।&rsquo;<br />
<br />
একই বার্তায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগও তোলেন তিনি। রুমি লেখেন, &lsquo;একজন আলেম হয়েও তিনি অনেক মিথ্যা বলেছেন এবং এখনো বলে যাচ্ছেন।&rsquo;<br />
<br />
ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অক্টোবর। টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক ও উপাধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী ওই শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পর ক্ষুব্ধ হয়ে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন।<br />
<br />
খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষক মোসলেম উদ্দিনকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। পরে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় মোসলেম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।<br />
<br />
এরপর শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনাও বিতর্কের জন্ম দেয়।<br />
<br />
এদিকে মোসলেম উদ্দিন কারাগারে যাওয়ার পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধে টঙ্গী পশ্চিম থানায় পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদ্রাসায় অনধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর এবং ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।<br />
<br />
পাল্টা মামলা দায়েরের পর থেকেই জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছিল না শাহজালাল রুমিকে। এ অবস্থায় তাঁর অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই সোমবার রাতে গণমাধ্যমে খুদেবার্তা পাঠিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে যাওয়ার দাবি করেন।<br />
<br />
তবে রুমি সত্যিই দেশ ছেড়েছেন কি না, কিংবা ছেড়ে থাকলে বর্তমানে কোন দেশে অবস্থান করছেন, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। তাঁর দেশত্যাগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো দায়িত্বশীল সূত্র থেকেও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।<br />
<br />
শিশুটির ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনা এবং পরবর্তী পাল্টা মামলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে রুমির দেশ ছাড়ার দাবি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও মামলাগুলোর অগ্রগতি নির্ধারণে তদন্ত এবং আইনগত প্রক্রিয়ার ফলাফলই হবে গুরুত্বপূর্ণ।<br />
<br />
ঠিকানা/এসআর]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5258.jpg?v=1793074835" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5258.jpg?v=1793074835" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5257</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5257</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 01:31:31 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকটি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাপানের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।<br />
<br />
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় &lsquo;কান্তেইয়ে&rsquo; তারা বৈঠক করবেন।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বিভিন্ন খাতে জাপানের সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হবে।<br />
<br />
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে টোকিও পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা।<br />
<br />
বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার, বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর এবং দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।<br />
<br />
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর &nbsp;অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন (আশিক চৌধুরী), বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম, সচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত-প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও আমজনতার দলের সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক রহমান।<br />
<br />
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।<br />
<br />
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বিদেশ সফর। এর আগে তিনি রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া ও চীন গেছেন। গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফর করেন তিনি।<br />
<br />
ঠিকানা/এনআই]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5257.jpg?v=1793056559" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5257.jpg?v=1793056559" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন চিন্তাভাবনা কেন?]]></title>
            <link>https://thikananews.com/interview/5256</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/interview/5256</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 01:18:24 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[সাক্ষাৎকার]]></category>
                        <description><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন চিন্তাভাবনা কেন?]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন ধ্যান-ধারণার কথা সামনে আনা হচ্ছে এখন। আপিল বিভাগ যে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী ফিরিয়ে আনার রায় দিয়েছে, সেটা কি আর সামনে চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কার্যকর হচ্ছে না? এ প্রসঙ্গে ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কিন্তু বাতিল হচ্ছে না। তবে এই সরকারের প্রধান কে হবেন, তা আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করতে হবে। কারণ অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে বিচার বিভাগকে এই প্রক্রিয়ার বাইরে রাখাই ভালো হবে। এই অঙ্গন বিতর্কমুক্ত রাখাই ভালো হবে। তাই বিচার বিভাগকে দূরে রেখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নির্ধারণের বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।<br />
<br />
এই বিএনপি নেতা আরও বলেন, &lsquo;সংস্কার প্রশ্নে বিএনপি সরকার পিছিয়ে যাবে না। শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা আমাদের সবার জন্য শিক্ষা হয়ে রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ঘটনা আমাদের সবার মধ্যে অটো-সংস্কার করে দিয়ে গেছে।&rsquo;<br />
<br />
২৬ অক্টোবর সোমবারের এই টকশোতে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন শেরপুর-১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয় &lsquo;ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন&rsquo; ইউটিউব চ্যানেলে। দেশের সমসাময়িক নানা বিষয়ে কথা বলেন দুই অতিথি।<br />
<br />
শিশু নির্যাতনসহ মাদ্রাসা অঙ্গনে কিছু সমস্যা যে আছে, এ কথা স্বীকার করলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। তিনি বলেন, &lsquo;আমি নিজেও কওমি মাদ্রাসায় পড়েছি। সেখানে আমরা যেসব সমস্যা ফেস করেছি, সেই জায়গা থেকে চাই, এগুলোকে রেগুলেশনের আওতায় আনা হোক। মাদ্রাসার সমস্যাগুলোকে শুধু বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে এগুলোকে সামাজিক সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।&rsquo;<br />
<br />
তিনি আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসাগুলোকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির আওতায় আনা জরুরি। এগুলোর ক্ষেত্রে এমন একটি প্রশাসনিক কাঠামো থাকা দরকার, যার দায়িত্ব শুধু পরীক্ষা পরিচালনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে বেফাক মূলত পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় দেখভাল করে। মাদ্রাসাগুলোর কার্যক্রম তদারকির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, মন্তব্য করেন জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।<br />
<br />
এদিকে পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে চিকিৎসক ও তরুণ রাজনীতিক তাসনিম জারা ফেসবুকে লিখেছেন, &lsquo;বিরোধী দলে থাকতেই নিজের বসতভিটায় কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ওনাদের হাতে গেলে কী করবেন?&rsquo; এ বিষয়ে টকশোর অতিথি জামায়াত সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীন। এর জবাবে হাফেজ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, পিরোজপুরে লাশের কবর হবে না&mdash;এ ধরনের বক্তব্য জামায়াতের প্রকৃত অবস্থান নয়। এটি মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক বক্তব্য, দাবি করেন তিনি।<br />
<br />
সম্প্রতি বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে সেই পদ ছাড়তে হয়েছে। একইভাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হয়েছে ইশরাক হোসেনকে। এসব ক্ষেত্রে অভিযোগ সত্যি হলে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কেন আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে না, জানতে চাইলে বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, পুলিশ যদি মনে করে কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধ করেছেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। জামায়াতও চাইলে মামলা করতে পারে।<br />
<br />
&lsquo;তবে যেভাবে ছিনতাই হচ্ছে। বিভিন্ন অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের যে ভূমিকা দেখা যাচ্ছে। তাদের অতটা সক্রিয় মনে হচ্ছে না। এটা নিয়ে আমিও হতাশ&rsquo;, বলেন শাহাদাত হোসেন সেলিম।<br />
<br />
ঠিকানা/এনআই]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5256.jpg?v=1793056558" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5256.jpg?v=1793056558" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[কনি আইল্যান্ডে ‘কস্ট অব লিভিং ক্ল্যাসিক’ ফুটবল টুর্নামেন্ট]]></title>
            <link>https://thikananews.com/americar-ondhore/5255</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/americar-ondhore/5255</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 00:41:40 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[আমেরিকার অন্দরে]]></category>
                        <description><![CDATA[কনি আইল্যান্ডে ‘কস্ট অব লিভিং ক্ল্যাসিক’ ফুটবল টুর্নামেন্ট]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[ব্রুকলিনের কনি আইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হলো মেয়র জোহরান মামদানির আয়োজনে দ্বিতীয় বার্ষিক &lsquo;কস্ট অব লিভিং ক্ল্যাসিক&rsquo; ফুটবল টুর্নামেন্ট। রোববার (২৫ অক্টোবর) মাইমোনিডিস পার্কের এই আয়োজনে নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন এলাকার খেলোয়াড়েরা অংশ নেন।<br />
<br />
মেয়রের অফিস অব মাস এনগেজমেন্টের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে খেলোয়াড় নিবন্ধনের ব্যবস্থা করে এনওয়াইসি ফুটী। অংশগ্রহণের জন্য কোনো ফি রাখা হয়নি। খেলোয়াড়েরা ব্যক্তিগতভাবে নিবন্ধন করেন এবং দক্ষতার ভিত্তিতে তাঁদের নিয়ে দল গঠনের দায়িত্ব নেয় আয়োজকেরা।<br />
<br />
নতুন ও অভিজ্ঞ&mdash;উভয় ধরনের খেলোয়াড়ের জন্য সুযোগ রাখতে প্রতিযোগিতায় দুটি বিভাগ রাখা হয়। প্রাথমিক ও মাঝারি দক্ষতার খেলোয়াড়দের জন্য ছিল &lsquo;ক্যাজুয়াল&rsquo; বিভাগ। তুলনামূলক অভিজ্ঞদের জন্য রাখা হয় &lsquo;কম্পিটিটিভ&rsquo; বিভাগ।<br />
<br />
টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি দলে পাঁচজন করে মাঠে খেলার ব্যবস্থা ছিল। নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিটি দলের অন্তত দুজন নারী খেলোয়াড়কে মাঠে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়।<br />
<br />
প্রকাশিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রতিটি বিভাগে ১৬টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করার পরিকল্পনা ছিল। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দলের জন্য ২০ মিনিটের তিনটি ম্যাচ নির্ধারিত ছিল। প্রতি গ্রুপের সেরা দুটি দলের নকআউট পর্বে ওঠার ব্যবস্থা রাখা হয়।<br />
<br />
দর্শকদের জন্যও প্রবেশ ছিল বিনা মূল্যে। ব্রুকলিন ফুটবল ক্লাবের সহযোগিতায় শিশুদের জন্য বিভিন্ন খেলা ও ফুটবলের দক্ষতা অনুশীলনের আয়োজনের কথাও জানানো হয়েছিল।<br />
<br />
প্রতিযোগিতার পাশাপাশি এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল সাশ্রয়ী নিউইয়র্ক গড়ে তোলা এবং সবার নাগালে খেলাধুলার সুযোগ রাখার বার্তা। নিজ নিজ বরোর প্রতিনিধিত্ব করা, স্থানীয় খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেওয়া এবং ফুটবলের মাধ্যমে নগরবাসীকে একত্র হওয়ার আমন্ত্রণ জানান আয়োজকেরা।<br />
<br />
ঠিকানা/এনআই]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5255.jpg?v=1793056559" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5255.jpg?v=1793056559" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[নিউইয়র্ক সিটির ৩ হাজার গাড়িতে থাকবে গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি]]></title>
            <link>https://thikananews.com/americar-ondhore/5254</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/americar-ondhore/5254</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 00:35:44 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[আমেরিকার অন্দরে]]></category>
                        <description><![CDATA[নিউইয়র্ক সিটির ৩ হাজার গাড়িতে থাকবে গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[সড়কে অতিরিক্ত গতি কমাতে আরও ২ হাজার সরকারি গাড়িতে গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি যুক্ত করবে নিউইয়র্ক সিটি। আগামী তিন বছরে এই সম্প্রসারণের মাধ্যমে সিটির মোট ৩ হাজার গাড়ি &lsquo;ইন্টেলিজেন্ট স্পিড অ্যাসিস্ট্যান্স&rsquo; বা আইএসএ প্রযুক্তির আওতায় আসবে।<br />
<br />
মেয়র জোহরান মামদানি এবং ডিপার্টমেন্ট অব সিটিওয়াইড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেসের (ডিসিএএস) কমিশনার ইউমে কিতাসেই এ ঘোষণা দিয়েছেন। পথচারী, সাইকেল আরোহী ও গাড়িচালকদের নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সিটির নিজস্ব গাড়িবহরে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো কমানো এই উদ্যোগের লক্ষ্য।<br />
<br />
আইএসএ প্রযুক্তি যেভাবে কাজ করে, তা হলো&mdash;কোনো গাড়ি স্থানীয় গতিসীমা অথবা ডিসিএএস নির্ধারিত গতির সীমা অতিক্রম করলে প্রযুক্তিটি গাড়ির আরও গতি বাড়ানোর ক্ষমতা সীমিত করে দেয়।<br />
<br />
কুইন্স থিয়েটারে আয়োজিত সিটির ১১তম বার্ষিক ভিশন জিরো ফ্লিট সেফটি ফোরামে এই সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে ১০০টি স্কুলবাসে পরীক্ষামূলকভাবে পথচারীদের সতর্ক করার প্রযুক্তি যুক্ত করার কথাও জানানো হয়।<br />
<br />
নিউইয়র্ক সিটি স্কুল বাস আমব্রেলা সার্ভিসেসের (এনওয়াইসিএসবিইউএস) সঙ্গে যৌথভাবে এই পরীক্ষা চালাবে ডিসিএএস। বাস মোড় নেওয়ার সময় আশপাশের মানুষকে সতর্ক করার ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হবে এই পরীক্ষায়।<br />
<br />
মেয়র মামদানি বলেন, সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সব নিউইয়র্কবাসীর কাছে যে উচ্চ মান প্রত্যাশা করা হয়, সিটির কর্মীদেরও তা মেনে চলতে হবে। সিটির নিজস্ব গাড়িবহর থেকেই সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় প্রশাসন।<br />
<br />
ডিসিএএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে মাত্র ৫০টি গাড়ি নিয়ে আইএসএ কর্মসূচির পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এক হাজারের বেশি সিটি গাড়িতে এই প্রযুক্তি রয়েছে। প্রযুক্তিসংবলিত গাড়িগুলো সম্মিলিতভাবে এক কোটির বেশি মাইল চলেছে।<br />
<br />
ডিসিএএস এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগের ভলপি ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেমস সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, আইএসএযুক্ত গাড়িগুলোতে গতিসীমা লঙ্ঘন ৬৪ শতাংশ কমেছে। মহাসড়কসহ বেশি গতিতে চলাচলের সড়কগুলোতে তা কমেছে ৮২ শতাংশ।<br />
<br />
নতুন এই সম্প্রসারণ মেয়রের ১০ বছর মেয়াদি সড়ক নিরাপত্তা পরিকল্পনা &lsquo;ভিশন জিরো রিইম্যাজিনড&rsquo;-এর অংশ। এটি ২০২৬ সালের জুলাইয়ে স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশ ১৯-এর উদ্যোগকেও এগিয়ে নেবে।<br />
<br />
ওই আদেশে জরুরি সেবার বাইরে ব্যবহৃত সিটির সব ট্রাকে পথচারীদের সতর্ক করার ব্যবস্থা যুক্ত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন কেনা অজরুরি সেবার গাড়ি ও ট্রাকে পথচারী সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং আইএসএ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।<br />
<br />
ডিসিএএসের ফ্লিট অফিস অব রিয়েল টাইম ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ৩০ হাজারের বেশি সিটি গাড়ি ও স্কুলবাসের অবস্থান এবং গতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। আইএসএ পরিচালনায় প্রয়োজনীয় গতিসীমার মানচিত্র, ট্র্যাকিং ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তিও তদারক করে এই দপ্তর।<br />
<br />
সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। অতিরিক্ত গতির গাড়ির ধাক্কায় ছেলে স্যামিকে হারানো &lsquo;ফ্যামিলিজ ফর সেফ স্ট্রিটস&rsquo;-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অ্যামি কোহেন বলেন, এ ধরনের প্রযুক্তি একই রকম মর্মান্তিক ঘটনা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।<br />
<br />
ঘোষিত সম্প্রসারণটি সিটির নিজস্ব গাড়ির জন্য প্রযোজ্য। পাশাপাশি বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালানো ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত গাড়িতেও এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক নিরাপত্তাকর্মী ও সিটি কাউন্সিল সদস্য লিংকন রেস্টলার।<br />
<br />
ঠিকানা/এনআই]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5254.jpg?v=1793056559" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5254.jpg?v=1793056559" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[স্ন্যাপ ও মেডিকেইড সুবিধা ধরে রাখতে নিউইয়র্ক সিটির নতুন ওয়েবসাইট]]></title>
            <link>https://thikananews.com/americar-ondhore/5253</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/americar-ondhore/5253</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 00:29:20 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[আমেরিকার অন্দরে]]></category>
                        <description><![CDATA[স্ন্যাপ ও মেডিকেইড সুবিধা ধরে রাখতে নিউইয়র্ক সিটির নতুন ওয়েবসাইট]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[স্ন্যাপের খাদ্যসহায়তা ও মেডিকেইডের স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা ধরে রাখতে নিউইয়র্কবাসীকে সহায়তার জন্য নতুন একটি ওয়েবপেজ চালু করেছেন মেয়র জোহরান মামদানি। ফেডারেল সরকারের নতুন নিয়ম কার ওপর প্রযোজ্য, কারা কাজের শর্ত থেকে ছাড় পেতে পারেন এবং সুবিধা চালু রাখতে কী করতে হবে&mdash;এসব বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে **NYC.gov/workrules** ঠিকানায়।<br />
<br />
ওয়েবপেজে বয়স, চাকরি, পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি সম্পর্কে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ব্যবহারকারীরা জানতে পারবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কাজের শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে কি না। পাশাপাশি ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা এবং যোগ্যতার প্রমাণ জমা দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পর্কেও নির্দেশনা পাওয়া যাবে।<br />
<br />
এ ছাড়া স্ন্যাপ ও মেডিকেইড সহায়তার হটলাইন, চাকরির সুযোগ, অনুমোদিত স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ এবং নগরীর পাঁচ বরোর খাদ্যসহায়তার তথ্য যুক্ত করা হয়েছে। যাঁরা সুবিধা হারিয়েছেন বা স্ন্যাপ কিংবা মেডিকেইডের যোগ্য নন, তাঁরা NYC Health + Hospitals-এর *NYC Care* কর্মসূচির মাধ্যমে কম খরচে বা বিনা খরচে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার তথ্যও জানতে পারবেন।<br />
<br />
মেয়রের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ মার্চ থেকে স্ন্যাপের সম্প্রসারিত ফেডারেল কাজের শর্ত কার্যকর হয়েছে। এতে ফেডারেল নিয়মে &lsquo;নির্ভরশীল সদস্যবিহীন কর্মক্ষম প্রাপ্তবয়স্ক&rsquo; বা ABAWD হিসেবে চিহ্নিত কিছু মানুষের ওপর নতুন শর্ত প্রযোজ্য হয়েছে। আগে ছাড় পাওয়া হাজারো নিউইয়র্কবাসীকে এখন সুবিধা ধরে রাখতে কাজের শর্ত পূরণ করতে হচ্ছে।<br />
<br />
সিটি প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মেডিকেইডে নতুন কাজের শর্ত ও অতিরিক্ত নথিপত্রের নিয়ম চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে নিউইয়র্ক সিটির প্রায় ৯ লাখ বাসিন্দা স্বাস্থ্যবিমা হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।<br />
<br />
কর্মকর্তাদের মতে, অনেক মানুষ ছাড় পাওয়ার যোগ্য হলেও তা জানেন না। নতুন ওয়েবপেজ তাঁদের সম্ভাব্য ছাড় শনাক্ত করতে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করবে।<br />
<br />
মেয়র মামদানি বলেছেন, পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। ফেডারেল পরিবর্তনের মধ্যে নগরবাসী যেন প্রয়োজনীয় সুবিধা ধরে রাখতে পারেন, সে জন্য তাঁর প্রশাসন কাজ করছে। স্বাস্থ্য ও মানবসেবাবিষয়ক ডেপুটি মেয়র ডা. হেলেন আর্টিয়াগা বলেছেন, শুধু জটিল প্রক্রিয়া বুঝতে না পারার কারণে কেউ যেন জরুরি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের লক্ষ্য।<br />
<br />
নতুন ওয়েবপেজটি সিটির চলমান জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ। প্রশাসনের হিসাবে, জানুয়ারি থেকে মেয়রের পাবলিক এনগেজমেন্ট ইউনিট ১০ হাজার বাড়িতে গিয়ে এবং সরাসরি ৪০ হাজার ফোনকলের মাধ্যমে ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।<br />
<br />
এ ছাড়া ফেডারেল কাজের শর্ত পূরণে সহায়ক স্বেচ্ছাসেবা, প্রশিক্ষণ ও কাজের সুযোগ তৈরি করতে শতাধিক কমিউনিটি সংগঠনের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে সিটি।<br />
<br />
প্রশাসনের দাবি, এসব উদ্যোগে স্ন্যাপ হারানোর ঝুঁকিতে থাকা ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি নিউইয়র্কবাসীকে সহায়তা করা হয়েছে। এতে সম্ভাব্য সুবিধা হারানো মানুষের পূর্বানুমান করা সংখ্যা ৬৫ শতাংশ কমেছে।<br />
<br />
স্ন্যাপ ও মেডিকেইডের পরিবর্তিত নিয়ম বুঝতে বাসিন্দাদের সহায়তার জন্য সম্প্রতি *হেলথ অ্যান্ড অ্যাফোর্ডেবিলিটি রিসোর্স টিম&mdash;হার্ট (HART)* নামের একটি নতুন দলও চালু করেছে সিটি।<br />
<br />
যাঁরা স্ন্যাপ সুবিধা হারিয়েছেন, তাঁদের ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর শুরু হওয়া নতুন আবেদনপর্বে পুনরায় আবেদন করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কাজের শর্ত, সম্ভাব্য ছাড় এবং বিকল্প সহায়তা সম্পর্কে জানতে নগরবাসী **[NYC.gov/workrules](https://www.nyc.gov/workrules)** ওয়েবপেজে যেতে পারেন।<br />
<br />
ঠিকানা/এনআই]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5253.jpg?v=1793056558" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5253.jpg?v=1793056558" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শুরু হলেও ইউক্রেনে সামরিক অভিযান থামবে না : রাশিয়া]]></title>
            <link>https://thikananews.com/world-culture/5252</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/world-culture/5252</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 22:05:07 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বিশ্বচরাচর]]></category>
                        <description><![CDATA[ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শুরু হলেও ইউক্রেনে সামরিক অভিযান থামবে না : রাশিয়া]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্তের অর্থ এই নয় যে সামরিক অভিযান সীমিত করা হবে। ২৬ অক্টোবর (সোমবার) এ কথা জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। খবর আনাদোলু এজেন্সির।<br />
<br />
মস্কোয় এক সংবাদ সম্মেলনে পেসকভ বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রচেষ্টায় ভূখণ্ডসংক্রান্ত বিষয়সহ বিভিন্ন ইস্যু আলোচনায় আসতে পারে। তবে আলোচনা শুরু হলেও রাশিয়ার সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।<br />
<br />
তিনি বলেন, &lsquo;ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরুর সিদ্ধান্তের অর্থ সামরিক অভিযানের ওপর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা নয়। আপনারা জানেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো এবং সামরিক ও সামরিক-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক ও ধারাবাহিক হামলাও অব্যাহত রয়েছে।&rsquo;<br />
<br />
আলোচনার বিস্তারিত বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চায় না মস্কো; এমনটিও জানান পেসকভ। তার মতে, এ বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা হবে। সেগুলো প্রকাশ্যে আনলে ভবিষ্যতে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।<br />
<br />
মানবিক উদ্যোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র বলেন, এসব উদ্যোগ ভবিষ্যতে দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকদের পাশাপাশি দেশটির ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের ইতিবাচক ও সমন্বয়মূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।<br />
<br />
পেসকভ বলেন, &lsquo;আমরা এসব প্রচেষ্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখি।&rsquo; আলোচকদের সরাসরি অংশগ্রহণে হওয়া সব সমঝোতা ইউক্রেন বাস্তবায়ন করবে বলেও মস্কো আশা করছে। <strong>সূত্র</strong> : <strong>আনাদোলু</strong> <strong>এজেন্সি</strong><br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5252.jpg?v=1793056558" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5252.jpg?v=1793056558" type="image/jpeg" />
                    </item>
                        <item>
            <title><![CDATA[জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি]]></title>
            <link>https://thikananews.com/bangladesh/5251</link>
            <guid isPermaLink="true">https://thikananews.com/bangladesh/5251</guid>
            <dc:creator><![CDATA[ঠিকানা অনলাইন]]></dc:creator>
            <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 21:44:18 +0600</pubDate>
                        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                        <description><![CDATA[জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি]]></description>
            <content:encoded><![CDATA[রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে নতুন তিনজনকে মনোনয়ন দিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে দুজন বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা।<br />
<br />
অপরদিকে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খানের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের আগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে তিনি আরও এক বছর এ ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।<br />
<br />
২৬ অক্টোবর (সোমবার) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে পৃথক চিঠি দিয়ে নতুন এমডি মনোনয়নের বিষয়টি জানিয়েছে। মনোনীত তিনজনকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নিতে ব্যাংকগুলোর পর্ষদকে বলা হয়েছে।<br />
<br />
সাউথইস্ট ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) মাহবুব আলম জনতা ব্যাংকের এমডি, জনতা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) নূরুল হুদা বেসিক ব্যাংকের এমডি এবং যমুনা ব্যাংকের ডিএমডি নূর মোহাম্মদ অগ্রণী ব্যাংকের এমডি পদে মনোনয়ন পান।<br />
<br />
সোনালী ব্যাংকের এমডি হিসেবে শওকত আলী খানের অবশিষ্ট মেয়াদ যে বাতিল করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার হওয়ায় তিনি আরও এক বছর এ ব্যাংকের এমডি থাকবেন। বাকি তিনজনের প্রত্যেককে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে ব্যাংকগুলোর পর্ষদকে বলা হয়েছে।<br />
<br />
বিডিবিএল ও রূপালী ব্যাংকের এমডি পদে কারও নাম আজ পর্যন্ত মনোনয়ন দেয়নি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।<br />
<br />
ঠিকানা/এএস]]></content:encoded>
                        <media:content url="https://thikananews.com/media/og/5251.jpg?v=1793056557" medium="image" />
            <enclosure url="https://thikananews.com/media/og/5251.jpg?v=1793056557" type="image/jpeg" />
                    </item>
            </channel>
</rss>