মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• ইয়েমেনে নতুন করে আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত : জাতিসংঘ • চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান • নেপালে আয়ুষ্মান-সারার সিনেমা প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা • বিতর্কিত জলসীমায় মার্কিন রণতরী, কড়া নজরদারিতে চীনা নৌবাহিনী • দুর্গাপূজা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্র করে : সারাহ কুক • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মিষ্টি আলুর যত গুণ • জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি : জামায়াত আমির • ডিজেলের বাড়তি খরচ সামলাতে কৃষকদের ৮ বিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের • প্রধানমন্ত্রীর এক ক্লিকেই ৩৯ হাজার কৃষক পেলেন ১২ কোটি টাকা • রোনালদোর ৪০ সেকেন্ডের বেতনেই জরিমানা পরিশোধ!

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

দুর্গাপূজা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্র করে : সারাহ কুক

দুর্গাপূজা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্র করে : সারাহ কুক

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
ঢাকার ধামরাইয়ে দুর্গাপূজা পরিদর্শন করে বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

তিনি বলেছেন, দুর্গাপূজার অন্যতম বিশেষ দিক হলো, এ উৎসব বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্র করে। শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষই নন, অন্য ধর্মের অনুসারীরাও এ উৎসবের আনন্দে অংশ নেন।

২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে ধামরাইয়ের একটি দুর্গাপূজামণ্ডপ ও ঐতিহ্যবাহী ধাতব কারুশিল্পের কর্মশালা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সারাহ কুক।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য দুর্গাপূজা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। ধামরাইয়ে এসে পূজা উদযাপন সরাসরি দেখতে পেরে আমরা আনন্দিত। এর আগে অনেকবার ধামরাইয়ে এলেও দুর্গাপূজার সময় কখনও আসা হয়নি।

বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে সারাহ কুক বলেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলিত হয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করেন। এটি বাংলাদেশের একটি বিশেষ দিক। দুর্গাপূজায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক সম্প্রীতির চিত্র আমাকে মুগ্ধ করেছে।

দুর্গাপূজা পরিদর্শনের পাশাপাশি ধামরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী ধাতব কারুশিল্পের কর্মশালাও ঘুরে দেখেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। এ শিল্পের দীর্ঘ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধাতব কারুশিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ শিল্পের ইতিহাস পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো। ধামরাইয়ের কর্মশালায় শত শত বছর ধরে এসব শিল্পসামগ্রী তৈরি হয়ে আসছে।

ধামরাইয়ের কারুশিল্পের প্রতি নিজেদের আগ্রহের কথাও তুলে ধরেন সারাহ কুক। তিনি বলেন, এর আগে আমরা বেশ কয়েকবার ধামরাইয়ে এসেছি। এখান থেকে বিভিন্ন কারুশিল্পসামগ্রী কিনেছি। সেসব সামগ্রী বর্তমানে ঢাকায় আমাদের বাসভবনে রয়েছে।

সারাহ কুক বলেন, ধামরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী ধাতব কারুশিল্প বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ঐতিহ্য সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়ে আমরা আবারও আনন্দিত।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের সমৃদ্ধির জন্য পরিচিত ধামরাইয়ে দুর্গাপূজা ও ধাতব কারুশিল্প—দুই ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্যের প্রকাশ ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার।

এ সময় হাইকমিশনারের সঙ্গে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আল মামুন ও ধামরাই পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত বণিকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ঠিকানা/এএস 
 

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz