বিশ্ব অর্থনীতির ধাক্কা সামলানোর সক্ষমতা কমছে : আইএমএফ
ঠিকানা অনলাইন
প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:২২
•
অনলাইন সংস্করণ
আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি থেকে নেওয়া
বারবার অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে গিয়ে বিশ্ব অর্থনীতির সক্ষমতা কমে আসছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারি অর্থব্যবস্থা শক্তিশালী করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
বুধবার ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জ্বালানি ও সরকারি অর্থের সংকট মোকাবিলায় দেশগুলোর হাতে থাকা সুরক্ষাব্যবস্থা ক্রমেই কমে আসছে। দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধি ঋণের সুদ পরিশোধের চাপও বাড়াচ্ছে।
জর্জিয়েভা জানান, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে। গত এপ্রিলে দেওয়া পূর্বাভাসেও একই হার উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে ২০২৫ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
তার মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন বিপরীতমুখী দুটি প্রবণতা কাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের চাহিদা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার করছে।
থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো যেসব দেশ এআই প্রযুক্তির সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত, সেগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো। যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলোর অবস্থাও তুলনামূলক শক্তিশালী।
অন্যদিকে, স্বল্প আয়ের দেশ ও দুর্বল অর্থনীতির রাষ্ট্রগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে। বিশেষ করে যেসব দেশ জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল এবং এআই প্রযুক্তির প্রসার থেকে খুব বেশি সুবিধা পাচ্ছে না, তাদের পরিস্থিতি বেশি কঠিন হয়ে উঠেছে।
এ অবস্থায় অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলায় সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করেন আইএমএফের প্রধান। সূত্র: আনাদোলু