তুমি
তুমি প্রিয় ফুলকলি, ভোরের শিশিরে হাসো,
তুমি বুকভরা স্বপ্ন, প্রেমে বুক ভরে চাষো।
তুমি এগিয়ে যাওয়া, বাধা ভাঙা এক পথ,
তুমি পূর্ণিমাস্নাত জোছনায় মোড়া রথ।
তুমি ফসলের মাঠ, সোনালি ধানের হাসি,
তুমি নদীর জোয়ার, কূলভাঙা সেই বাঁশি।
তুমি নীল সীমানায় অবারিত নীলাকাশ,
তুমি তপ্ত খরায় স্নিগ্ধ শীতল শ্বাস।
তুমি মৌন পাহাড়ের উঁচু চূড়ার দৃঢ়তা,
তুমি ক্লান্ত পথিকের উজ্জ্বল নীরবতা।
তুমি ঝড়ের ভেতর প্রজ্বলিত বাতিঘর,
তুমি বুকে টেনে নাও যারা চিরকাল পর।
তুমি বৃষ্টির নূপুর, মাটির ঐ স্নিগ্ধ ঘ্রাণ,
তুমি বিষণ্ন মনে গেয়ে ওঠা এক গান।
তুমি শরতের মেঘ, কাশফুল শুভ্র বন,
তুমি অবুঝ শিশুর অমলিন এক মন।
তুমি সত্য ইতিহাস, বীরত্বের আখ্যান,
তুমি মানবজমিনে মুক্তির জয়গান।
তুমি বনছায়া ঘেরা সবুজের সমারোহ,
তুমি বিকেলের রোদে মায়াভরা এক মোহ।
তুমি ধ্রুবতারা হয়ে পথ দেখাও আঁধারে,
তুমি বিজয়ের সুর উদ্দীপ্ত তলোয়ারে।
তুমি আগামীর আশা, নতুনের স্পন্দন,
তুমি চির অম্নান, মোহনীয় বন্ধন।
তুমি শেষ থেকে শুরু মায়াবী প্রাণের রেশ,
তুমি ভালোবাসাময় সুন্দর একটি দেশ।
তুমি শুরু আর শেষ, তুমি আমার পূর্ণতা,
তুমি প্রাণে বেঁচে থাকা শুদ্ধতর নীরবতা।
নিউজটি শেয়ার করুন