বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

প্রার্থীদের মুখোমুখি বিতর্ক ৭ অক্টোবর

প্রার্থীদের মুখোমুখি বিতর্ক ৭ অক্টোবর

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্যতিক্রমী নির্বাচনী বিতর্ক। প্রথাগত নির্বাচনী সভা কিংবা প্রচার নয়, বরং প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নেতৃত্বের সক্ষমতা, জবাবদিহি এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরাসরি প্রশ্নোত্তরের মধ্য দিয়ে ভোটারদের সামনে প্রার্থীদের অবস্থান তুলে ধরাই এই আয়োজনের লক্ষ্য। 
৭ অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে সানাই রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে এই নির্বাচনী বিতর্কের আয়োজন করেছে ফাউন্ডেশন ফর বেটার ওয়ার্ল্ড নামে একটি সংগঠন। এই নির্বাচনী বিতর্ক সঞ্চালনা করবেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও উপস্থাপক খালেদ মুহিউদ্দীন। ‘নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা, সেবা: আমার ভবিষ্যত’-এই মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে পুরো আয়োজন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র আমন্ত্রিত অতিথির জন্য। 
বিতর্কে অংশ নেবেন মোট পাঁচজন প্রার্থী। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী আতাউর রহমান সেলিম ও আজমল হোসেন কুনু। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন মোহাম্মদ আলী, ফিরোজ আহমেদ ও রাব্বি সৈয়দ।
আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রায় এক ঘণ্টার এই বিতর্কে প্রত্যেক প্রার্থীকে সমানভাবে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীদের দায়িত্বের ভিন্নতা বিবেচনায় তাদের জন্য থাকবে আলাদা প্রশ্ন ও পৃথক পর্ব।
শুরুতেই প্রার্থীরা নিজেদের পরিচয়, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণ এবং বাংলাদেশ সোসাইটি নিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। এরপর সভাপতি পদপ্রার্থীদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, নির্বাচিত হলে তাদের মেয়াদে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কাজ কী হবে, পূর্ববর্তী নেতৃত্বের তুলনায় তারা কীভাবে ভিন্নভাবে সংগঠন পরিচালনা করবেন এবং সদস্যদের কাছে প্রশাসনের জবাবদিহি কীভাবে নিশ্চিত করবেন।
সভাপতি প্রার্থীদের জন্য বিশেষভাবে থাকছে “প্রথম ১০০ দিন” নিয়ে প্রশ্ন। নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম ১০০ দিনে তারা কোন একটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেবেন, তা সদস্যদের সামনে স্পষ্ট করার সুযোগ পাবেন দুই প্রার্থী।
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের কাছেও থাকবে দায়িত্ব ও নেতৃত্বকেন্দ্রিক সরাসরি প্রশ্ন। 
বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে পাঁচ প্রার্থীকে নিয়ে যৌথ প্রশ্নোত্তর পর্ব। এখানে বাংলাদেশ সোসাইটির আর্থিক স্বচ্ছতা, সদস্যপদ প্রক্রিয়া, সক্রিয় সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি, নতুন প্রজন্মকে সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং সদস্যদের সরাসরি উপকারে আসে, এমন নতুন কর্মসূচি নিয়ে প্রার্থীদের অবস্থান জানতে চাওয়া হবে।
বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রশ্নে। প্রার্থীদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, নির্বাচিত হলে সংগঠনের আর্থিক কর্মকাণ্ড আরও স্বচ্ছ করতে তারা কী ধরনের বাস্তব পদক্ষেপ নেবেন এবং সদস্যদের নিয়মিত আর্থিক প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয়ে তাদের অবস্থান কী।
নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ নিয়েও থাকবে পৃথক আলোচনা 
আয়োজকরা জানিয়েছেন, পুরো বিতর্কে সমান সময়, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্মান নিশ্চিত করা হবে। পুরো বিতর্কের নিয়ন্ত্রণ থাকবে সঞ্চালকের হাতে।
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ঘিরে সাধারণত প্রচারণা, সভা-সমাবেশ ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের ওপরই বেশি জোর দেখা যায়। সে জায়গায় প্রার্থীদের একই মঞ্চে এনে তাদের পরিকল্পনা ও নেতৃত্বের ধারণা সরাসরি যাচাইয়ের এই উদ্যোগ ভোটারদের সামনে নতুন একটি সুযোগ তৈরি করবে। 
 

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz