প্রধানমন্ত্রীকে পেল নিউইয়র্ক ♦ তারেক রহমানকে পেলেন না নেতা-কর্মীরা ♦ আনন্দের সঙ্গে জমেছে অভিমান
একুশ বছর অপেক্ষা। কেউ অপেক্ষা করেছেন প্রিয় নেতাকে একনজর দেখবেন বলে। কেউ চেয়েছিলেন একটি করমর্দন। কেউবা বহু বছরের ত্যাগ, সংগ্রাম, সাফল্য-ব্যর্থতা আর জমে থাকা কথাগুলো কয়েক মিনিটের জন্য হলেও তাঁর সামনে খুলে বলবেন।
সেই নেতা এবার নিউইয়র্কে এসেছিলেন, শুধু বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে নয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে।
কিন্তু তিনি চলে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিএনপি নেতা-কর্মীদের একটি বড় অংশের মনে আনন্দের পাশাপাশি থেকে গেছে গভীর অপূর্ণতা, অভিমান এবং হতাশা।
“২১ বছর পর আমাদের নেতা নিউইয়র্কে এলেন। এত কাছে ছিলেন। অথচ একনজর সামনে থেকে দেখতেও পারলাম না। এই কষ্টটা কীভাবে বোঝাব?”- বলছিলেন কানেকটিকাট থেকে আসার বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ রহমান ।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছান। সফরকালে তিনি ম্যানহাটনের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে অবস্থান করেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম ভাষণ দেন। চার দিনের কর্মব্যস্ততায় দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকসহ প্রায় ৩০টি সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।
তারেক রহমানের এর আগের সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র সফর ছিল ২০০৫ সালে। অর্থাৎ সুদীর্ঘ ২১ বছর পর নিউইয়র্কে তাঁর আগমনকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক আবেগ ও প্রত্যাশা।
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা, ব্রঙ্কস, ব্রুকলিন, কুইন্স ও লং আইল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও নিউজার্সি, পেনসিলভানিয়া, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুসেটস, ভার্জিনিয়া, মেরিল্যান্ডসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে নেতা-কর্মীরা নিউইয়র্কে এসেছিলেন। কারও হাতে ছিল ফুল। কেউ নিয়ে এসেছিলেন ব্যানার। কেউ শুধু মোবাইল ফোন হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন, প্রিয় নেতার একটি ছবি তুলবেন বলে।
নিউইয়র্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা।
অনেকে জানতেন, প্রধানমন্ত্রীর সময় খুব সীমিত। তারপরও প্রত্যাশা ছিল, দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য অন্তত কিছুটা সময় রাখা হবে। সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি সবার।
তারেক রহমান যে হোটেলে অবস্থান করবেন, সেখানে বা আশপাশের হোটেলে অনেকে নিজেদের খরচে কক্ষ নিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল একটাই, হয়তো কোনো একসময় লবিতে দেখা হয়ে যাবে; হয়তো কয়েক মুহূর্তের জন্য কাছে যাওয়ার সুযোগ মিলবে।
নিউইয়র্কে যুবদল কর্মী আসাদুজ্জামান রনি বলেন, “আমি কোনো পদ-পদবি চাইতে যাইনি। কোনো সুবিধার কথাও বলতে চাইনি। ২০-২১ বছর ধরে যে মানুষটার রাজনীতি করি, তাঁকে সামনে থেকে সালাম দিতে চেয়েছিলাম। সেই সুযোগটুকুও হলো না।”
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক যুবদলের আরেক নেতা বলেন, “আমি ম্যারিল্যান্ড থেকে শুধু তাঁকে দেখার জন্য নিউইয়র্কে এসেছি। নিজের খরচে হোটেলে থেকেছি। মনে হয়েছিল, পাঁচ মিনিট হলেও হয়তো দেখা হবে। শেষ পর্যন্ত দূর থেকেই ফিরে যেতে হয়েছে।”
কারো কারো ভাগ্যে অবশ্য শেষ মুহূর্তে কয়েক সেকেন্ডের সাক্ষাৎ মিলেছে।
দেশে ফেরার আগে ২৫ সেপ্টেম্বর শনিবার হোটেলে কিছুসংখ্যক নেতা-কর্মীর সঙ্গে করমর্দন করেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনেকের কাছে সেটিই হয়ে ওঠে পুরো সফরের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত।
বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “হাতটা মিলিয়েছি কয়েক সেকেন্ডের জন্য। কোনো কথা বলার সুযোগ হয়নি। কিন্তু এটুকুই আমার জন্য অনেক। আবার কষ্টও আছে, এত বছর পরে দেখা, অথচ দুটো কথা বলতে পারলাম না।”
নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশ স্বীকার করছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এবারের সফর ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সরকারি হিসাবে চার কার্যদিবসে তাঁর প্রায় ৩০টি কর্মসূচি ছিল। কিন্তু কর্মীদের প্রশ্ন- এত দীর্ঘ অপেক্ষার পর কয়েক শ নেতা-কর্মীর জন্য কি একটি সীমিত পরিসরের সাক্ষাৎ বা সংবর্ধনার আয়োজন করা যেত না?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা বলেন, “আমরা বুঝি তিনি এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী। নিরাপত্তা আছে, প্রটোকল আছে, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব আছে। কিন্তু তিনি আমাদের দলের চেয়ারম্যানও। যারা ১৫-২০ বছর ধরে তাঁর জন্য এখানে রাজনীতি করেছে, তাদের সঙ্গে এক ঘণ্টার একটি অনুষ্ঠান কি রাখা যেত না?”
আরে নেতা বলেন, “আমরা তাঁর সময় নষ্ট করতে চাইনি। হাজার লোক নিয়ে অনুষ্ঠানও চাইনি। ৫০ জন, ১০০ জন, যেভাবেই হোক একটি প্রতিনিধিত্বশীল বৈঠক হতে পারত।”
সফরকালে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির অল্পসংখ্যক নেতা বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছেন। তবে কারা কী প্রক্রিয়ায় সেই সুযোগ পেয়েছেন, সেটিও অনেকের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক সৈয়দ মুরাদুল হাসান রেজা বলেন, “যারা দেখা করেছেন, তারা অবশ্যই করবেন, এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। আমাদের প্রশ্ন হলো, দলীয়ভাবে একটি ব্যবস্থা কেন হলো না? তাহলে কাউকে ব্যক্তিগত যোগাযোগের ওপর নির্ভর করতে হতো না।”
তিনি আরো বলেন, “কর্মীদের মধ্যে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে, কে দেখা পেল, কে পেল না। অথচ একটি আনুষ্ঠানিক দলীয় সাক্ষাৎ থাকলে এই অস্বস্তিটাই তৈরি হতো না।”
সৈয়দ মুরাদুল হাসান রেজা মনে করেন, এটা যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতৃত্বের ব্যর্থতা। আজ যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির যে কমিটি হয় না, এটাও তাদের ব্যর্থতার কারণে। আর এই সামগ্রিক ব্যর্থতার প্রভাব পড়েছে দলীয় প্রধানের সঙ্গে দেখা না করতে পারা। হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতের সামনে অপেক্ষমান বিএনপির কয়েকজন নেতা আরও কঠোর ভাষায় তাঁদের ক্ষোভ জানিয়েছেন।
নিউজার্সি বিএনপির কর্মী আব্দুল বলেন, “আমাদের মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে এমন একটি বলয় তৈরি হয়েছে, যেখানে সাধারণ নেতা-কর্মীদের পৌঁছানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এটি কার সিদ্ধান্ত আমরা জানি না। তবে তারেক রহমানকে তাঁর কর্মীদের কাছ থেকে দূরে রাখা হলে সেটি দলের জন্য ভালো হবে না।”
একই ধরনের অভিযোগ করে রইছ উদ্দিন বলেন, “সরকারপ্রধান হওয়ার পর দলীয় প্রধানকে যেন অতিরিক্তভাবে আড়াল করে রাখা হচ্ছে। এটি নিরাপত্তার প্রয়োজন, নাকি অন্য কারও সিদ্ধান্ত, আমরা জানি না। কিন্তু নেতা-কর্মীদের মনে যেন জনবিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা হচ্ছে এমন ধারণা তৈরি হলে সেটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।”
২১ সেপ্টেম্বর সোমবার তারেক রহমান নিউইয়র্কে পৌঁছানোর দিন জেএফকে বিমানবন্দর এবং হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রালের সামনে বিএনপির বহু নেতা-কর্মী তাঁকে স্বাগত জানাতে জড়ো হন। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর অতিক্রম করার সময় নেতা-কর্মীরা পতাকা ও পোস্টার হাতে স্লোগান দেন; প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাঁদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
ফেরার দিনও জেএফকে বিমানবন্দরের বাইরের সড়কে দলীয় নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়ে তাঁকে বিদায় জানান।
অনেকের কাছে দূর থেকে হাত নাড়ার সেই কয়েক সেকেন্ডই ছিল ২১ বছর পর তারেক রহমানকে দেখা।
বিএনপির সমর্থক আনোয়ার হোসেন বলেন, “গাড়ির কাচের ভেতর দিয়ে তাঁকে দেখেছি। তিনি হাত নেড়েছেন। আমার চোখে পানি চলে এসেছিল। আনন্দ হচ্ছিল, আবার মনে হচ্ছিল, মানুষটা এত কাছে এসেও কত দূরে।”
ঠিকানার সঙ্গে কথা বলা নেতা-কর্মীদের বক্তব্যে ক্ষোভ থাকলেও সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে অভিমান। তাঁদের অনেকেই বলেছেন, তারেক রহমানকে ঘিরে তাঁদের প্রত্যাশা অন্য যেকোনো রাজনৈতিক নেতার তুলনায় আলাদা। দীর্ঘ রাজনৈতিক অনুপস্থিতি, বিদেশে অবস্থান এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নিউইয়র্কে ফিরে আসা তাঁদের কাছে ছিল একটি আবেগঘন ঘটনা।
নিউইয়র্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে করমর্দন করছেন ড. নয়ন বাংগালি।
শফিকুল ইসলাম বলেন, “রাগ তাঁর ওপর নয়। তাঁর ওপর রাগ করতে পারি না। অভিমান হয়েছে ব্যবস্থাপনার ওপর। আমার বিশ্বাস, উনি যদি জানতেন এত মানুষ শুধু একবার তাঁকে দেখার জন্য এত দূর থেকে এসেছে, উনি নিজেই সময় বের করতেন।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির আরেকজন সমর্থক বলেন, “দলের কঠিন সময়ে আমরা এখানে রাস্তায় ছিলাম। আজ নেতা দেশের প্রধানমন্ত্রী, এটা আমাদের জন্য গর্বের। সেই গর্বের দিনে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে একটি ছবি তুলতে চেয়েছিলাম। এটুকুই।”
সফর শেষ। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে গেছেন। জাতিসংঘে তাঁর প্রথম ভাষণ, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব, সবকিছু নিয়েই নেতা-কর্মীদের মধ্যে গর্ব রয়েছে। কিন্তু নিউইয়র্কে রেখে গেছেন আরেকটি বার্তা, দীর্ঘদিনের কর্মীদের সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি যোগাযোগের আকাঙ্ক্ষা এখনো প্রবল।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কর্মী জাহিদুল ইসলাম বলেন, “প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি পৃথিবীর নেতাদের সঙ্গে দেখা করবেন, এটাই স্বাভাবিক। আমরা সেটাই চাই। কিন্তু দিনের শেষে তিনি আমাদের তারেক রহমানও। সেই মানুষটাকে যেন আমরা হারিয়ে না ফেলি।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রবীণ নেতা বলেন, “২১ বছর অপেক্ষা করেছি। আরও অপেক্ষা করতে পারব। শুধু চাই, পরেরবার তিনি যখন আসবেন, কর্মীদের জন্যও তাঁর দরজাটা একটু খোলা থাকুক।”
তারেক রহমানকে এবার কাছ থেকে দেখতে না পারা নেতা-কর্মীদের কথায় তাই অভিযোগের সঙ্গে গর্ব, হতাশার সঙ্গে ভালোবাসা এবং ক্ষোভের চেয়েও বেশি অভিমান।
“নেতা এসেছিলেন। আমরা শত শত মানুষও এসেছিলাম। দূর থেকে তাঁকে দেখেছি কেউ কেউ। কিন্তু বুকের মধ্যে যে কথাগুলো ২১ বছর ধরে জমিয়ে রেখেছিলাম, সেগুলো এবারও বলা হলো না।”
বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা না হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩০০-৪০০ নেতা-কর্মীকে হোটেলে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিলেন হোটেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বাইরে অপেক্ষমান প্রায় এক হাজার নেতা-কর্মীর ভিড় দেখে পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ আর কাউকে ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেননি। ফলে সাক্ষাতটি সীমিত হয়ে যায়। এজন্য দলের পক্ষ থেকে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে খেয়াল রাখবেন বলে জানান।
এখানে উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেতা-কর্মীদের সাক্ষাতের সময় আনোয়ার হোসেন খোকন উপস্থিত ছিলেন না। তবে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট, সাবেক সিনিয়র সগ-সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য গিয়াস আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য জিল্লুর রহমান জিল্লুর এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টন প্রধানমন্ত্রীর পাশেই ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতেই বিএনপি নেতা-কর্মীদের মাত্র ৩০-৩৫ জন দলীয় প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছেন। -