প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:১৩
•
অনলাইন সংস্করণ
এই! তুমি কি কাঁদছ নাকি?
কই না তো! কাঁদব কেন?
কী হবে বলো কেঁদে?
না... বলছিলাম যে;
কেন যেন মনে হলো আমার!
ওমা সে কী কথা!
শীতের বিকেলে পল্লবেরা
রং হারায় প্রকৃতির নিয়মেই,
মধ্যবয়সে কি সতেজ থাকে মন?
তাহলে যে বলেছিলে নীলাম্বরী হবে?
বলেছিলাম নাকি?
মনে পড়ছে না তো কিছু?
আসলে কী জানো তো!
এই হার মানা হার সুতোর বাঁধন
ছিঁড়ে গেছে কবেই যেন।
নুন মাখানো মসলা ঝালে
আকায় তোলা হাঁড়ির ভাতের
ধোঁয়া ওড়ানো গল্পখানাই
কেবল আমার হৃদয় টানে।
জোড়া বিনুনির ছিপছিপে গড়ন
সেই চঞ্চলা চড়ুইর কিচিরমিচির
এখনো দেখি দৃষ্টিতে ফিরে যেতে।
ওহ! তাই বুঝি?
জানোনি বলেই হয়তো
এতটা আগ্রহ পুরোনো স্মৃতিগুলো
আঁতিপাঁতি করে খোঁজের মোহে!
এক ফাল্গুনে কেটে দিয়েছিলে চঞ্চু,
হামিংবার্ডের চঞ্চলা ডানা,
ফাঁসির মঞ্চে প্রহসনের বিচারে
সোনার জিঞ্জিরে আপাদমস্তক
সে কেবলই স্বাধীনতার
লানতের বলিদান।
এক কাপ চা নিয়ে পাশাপাশি বসে
কত দিন আগে বসেছিলাম বলো তো?
আজকাল চা পান করা
ছেড়ে দিয়েছি বললেই চলে,
একটা অসুখ হয়েছে যে!
পাকস্থলীর কী যেন একটা হয়েছে;
ডাক্তার বাবুদের কথা নাকি তোমার?
জানো তো একাই শিখেছি বৈদ্যগিরি,
ডিগ্রি ছাড়া তা প্রায় অর্ধশতক!
ঠোঁটের কোণে শ্লেষের ছোঁয়ায়।
প্রেম বহমান কোন সে সময়
হেমন্তের নবান্ন মিষ্টি সুবাস
নাকি জল থৈথৈ জোয়ার প্লাবন,
তুমিই ভাবো কোন সে লগন
খাঁচা খুলে ওড়াও পাখি আকাশনীলে
দেখবে ওটাই অবিনশ্বর বিশুদ্ধ প্রেম,
এবং;
এক জীবনের শতাব্দীর প্রেম।