বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

এবার কমিটি হবে, আশায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা

আস্থার অভাব আগ্রহ নেই হাইকমান্ডেরও
এবার কমিটি হবে, আশায়  যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা

বিজ্ঞাপন
প্রায় দেড় দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কোনো কমিটি নেই। নেতা আছেন, কর্মী আছেন, সভা-সমাবেশ এবং দলীয় কর্মসূচিও হচ্ছে নিয়মিত; কিন্তু নেই গোটা যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিনিধিত্বকারী একটি সাংগঠনিক কাঠামো। এর মধ্যে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরেছে এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাংগঠনিক অচলাবস্থার অবসান এখনো হয়নি।
এ অবস্থায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২১ সেপ্টেম্বর প্রথমবার নিউইয়র্কে আসছেন তারেক রহমান। তাঁর এই সফরকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির পুরোনো ও বর্তমান নেতাদের মধ্যে আবারও আশার সঞ্চার হয়েছে- এবার হয়তো দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে। দলের চেয়ারম্যান নিউইয়র্ক ছাড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একটি কমিটি দিয়ে যাবেন, অথবা অন্তত কমিটি গঠনের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেবেন, এমন প্রত্যাশার কথা বলছেন দলটির একাধিক নেতা।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক কাঠামো বিলুপ্ত হয় ২০১১ সালে। এরপর আর যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী নতুন কমিটি গঠন করা হয়নি। বিভিন্ন সময়ে নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আলাদা স্টেট ও আঞ্চলিক কমিটির মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার নীতি নেওয়া হয়। ২০১৯ সালেও বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা নিউইয়র্কে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একক কমিটির পরিবর্তে স্টেটভিত্তিক কমিটির মাধ্যমে কর্মকাণ্ড পরিচালনার নীতি ছিল দলের নেতৃত্বের। 
বর্তমানেও সেই কাঠামোরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি, নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন ইউনিট, বাফেলো বা ওয়েস্টার্ন নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন এলাকায় পৃথক সাংগঠনিক কমিটি সক্রিয় রয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেও ‘ওয়েস্টার্ন নিউইয়র্ক বিএনপি’র ৬১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেছে নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির পুরোনো নেতাদের একটি বড় অংশ মনে করেন, স্টেট কমিটি থাকলেও জাতীয় পর্যায়ে কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, দায়িত্ব বণ্টন এবং চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী একটি কমিটির প্রয়োজন রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি নিয়ে অসন্তোষ নতুন নয়। কয়েক বছর আগেও দলটির নেতারা প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছিলেন, কমিটি না থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সময় সাংগঠনিক পরিচয়ের সংকটে পড়তে হয়। এমনকি ২০২০ সালের একটি দলীয় অনুষ্ঠানে নেতারা বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি ভেঙে দেওয়ার আট বছর পরও নতুন কমিটি না হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। এরপর আরও ছয় বছর পার হয়েছে। 
দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অতীতে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, তা হলো- যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতি বিবেচনায় একটি কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবর্তে পৃথক স্টেট কমিটির মাধ্যমে সংগঠন পরিচালনা অধিক কার্যকর হতে পারে। সে লক্ষ্যে নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, ওয়াশিংটন ডিসিসহ বিভিন্ন এলাকায় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনও হয়েছে। কিন্তু পুরোনো যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাদের বক্তব্য, স্টেট কমিটি থাকা আর একটি দেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাঠামো থাকা এক বিষয় নয়। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে দলীয় কর্মকাণ্ডে সমন্বয় এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের জন্য একটি স্বীকৃত জাতীয় কমিটি প্রয়োজন।
গত ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট বড় বিজয় অর্জন করে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির দীর্ঘদিনের নেতাদের অনেকের মধ্যে নির্বাচন ও সরকার গঠনের পর নতুন এক ধরনের হতাশা তৈরি হয়েছে।
তাদের বক্তব্য, দীর্ঘ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে আন্দোলন, বিক্ষোভ, লবিয়িং, সভা-সমাবেশ এবং জনমত গঠনে সক্রিয় থাকার পরও জাতীয় নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির পরিচিত নেতাদের কেউ দলীয় মনোনয়ন পাননি। সরকার গঠনের পরও এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী পুরোনো নেতাদের উল্লেখযোগ্যভাবে রাষ্ট্রীয় বা দলীয় দায়িত্বে আনার নজির তাদের চোখে পড়েনি।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে থাকা বা যুক্তরাজ্য বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি বর্তমান দল ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এসেছেন, এমন তুলনাও করছেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই প্রায় ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে অবস্থানের পর দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নেন। বর্তমান সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত যোগাযোগ রয়েছে। 
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কয়েকজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঠিকানাকে বলেন, এতে তাদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের ওপর এখনো পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছে না অথবা যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাংগঠনিক বিষয়টিকে অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখছে না।
তবে এটি নেতাদের নিজস্ব মূল্যায়ন। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের প্রতি ‘আস্থার সংকট’ রয়েছে, এমন কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তবে এবার তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফরকে আগের যেকোনো সফরের চেয়ে আলাদাভাবে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
তিনি এখন শুধু বিএনপির চেয়ারম্যান নন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর তাঁর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে তাঁর সফরের প্রস্তুতি নিশ্চিত করেছে। 
তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্ক বিএনপির নেতাকর্মীরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জ্যাকসন হাইটসসহ বিভিন্ন এলাকায় শুভেচ্ছা ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত একটি প্রস্তুতি সভায় ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে বড় ‘স্বাগত সমাবেশ’ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই সভায় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস আহমেদ এবং নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। 
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে প্রথমদিকে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর টাইমস স্কয়ারের ম্যারিয়ট মার্কি হোটেলে বড় আকারের নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতারা অনুষ্ঠানটির ব্যয় বহনের আগ্রহও জানিয়েছিলেন। সেই গণসংবর্ধনা আর হচ্ছে না বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। 
সংশ্লিষ্ট দলীয় সূত্র জানায়, সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছ্রতা এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরকে যথাসম্ভব সীমিত রাখার নীতির কারণে বড় আকারের সংবর্ধনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাননি তারেক রহমান। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা দলীয় বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুষ্ঠানের ব্যয় বহনের প্রস্তাব দিলেও তাতেও তিনি আগ্রহী হননি বলে সংশ্লিষ্ট নেতারা জানিয়েছেন।
এর আগেও নিউইয়র্কে সংবর্ধনা আয়োজন নিয়ে আলোচনার সময় বড় অঙ্কের ব্যয়ের বিষয়টি সামনে এসেছিল এবং প্রধানমন্ত্রী এত অর্থ ব্যয় করে অনুষ্ঠান আয়োজনের পক্ষে ছিলেন না বলে জানা গেছে। তবে বড় গণসংবর্ধনা না হলেও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস আহমেদ ঠিকানাকে জানিয়েছেন, দেশে ফেরার আগে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর অস্থায়ী আবাসস্থল হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়ে তারেক রহমান প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছেন।
গিয়াস আহমেদ বলেন, ওই সাক্ষাৎ হলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা দলের চেয়ারম্যানের কাছে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানাবেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কেন্দ্রীয় কোনো কমিটি নেই। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে দলের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করা এবং কেন্দ্রের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কমিটি এখন অত্যন্ত প্রয়োজন। বিষয়টি তারেক রহমানের সামনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে।
নেতাদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় কমিটির অনুমোদন দেবেন, নাকি আগের মতো স্টেটভিত্তিক সাংগঠনিক কাঠামোই বহাল রাখবেন। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি না রাখার সিদ্ধান্ত একসময় তারেক রহমানের সাংগঠনিক নীতির অংশ হিসেবেই প্রচার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বাবুল আহমেদ প্রকাশ্যে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একক কমিটির পরিবর্তে স্টেট কমিটি করার সিদ্ধান্ত ছিল তারেক রহমানের। 
অন্যদিকে সময় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিএনপি আর বিরোধী দলে নেই; দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায়। তারেক রহমান দলের চেয়ারম্যানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের অন্যতম বড় প্রবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস এবং ওয়াশিংটনকেন্দ্রিক কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক তৎপরতার গুরুত্বও দলটির কাছে আগের চেয়ে বেশি। এই বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা মনে করছেন, পুরোনো সাংগঠনিক নীতি পুনর্বিবেচনার এটিই উপযুক্ত সময়। তবে কমিটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও নেতৃত্ব বাছাই সহজ হবে না।
দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিতে কয়েকটি আলাদা নেতৃত্বের বলয় তৈরি হয়েছে। পুরোনো যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি, নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন ইউনিট, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের নেতাদের মধ্যে সাংগঠনিক অবস্থান ও নেতৃত্বের প্রশ্নে ভিন্নমত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি কমিটি হলে সেখানে পুরোনো নেতৃত্বকে কতটা রাখা হবে, বর্তমান স্টেট কমিটির নেতারা কী ভূমিকা পাবেন এবং নতুন প্রজন্মের নেতাদের কতটা জায়গা দেওয়া হবে—এসব প্রশ্নও সামনে আসবে।
দলীয় নেতাদের কেউ কেউ মনে করছেন, এ কারণেও কেন্দ্র এতদিন যুক্তরাষ্ট্র কমিটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছে। কারণ একটি কমিটি দিলে যেমন একটি অংশ সন্তুষ্ট হবে, নেতৃত্ব থেকে বাদ পড়া অন্য একটি অংশের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টির আশঙ্কা থাকবে।
সব হিসাবের পরও তারেক রহমানের এবারের সফর ঘিরে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা। 
দীর্ঘদিন পর দল রাষ্ট্রক্ষমতায়। তারেক রহমান প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিউইয়র্কে আসছেন। আর এই সফরেই প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা দলীয় চেয়ারম্যান ও সরকারপ্রধান—দুই পরিচয়ে তাঁর সামনে নিজেদের সাংগঠনিক দাবি তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। তাই ২৫ সেপ্টেম্বরের সম্ভাব্য সাক্ষাৎ শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখতে চান না নেতারা।
তাদের প্রত্যাশা, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রায় দেড় দশকের সাংগঠনিক অনিশ্চয়তার বিষয়ে এবার একটি সিদ্ধান্ত আসবে। কমিটি সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা হোক কিংবা ঢাকা ফিরে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দেওয়া হোক—নেতারা অন্তত একটি সুস্পষ্ট বার্তা চান। 
দীর্ঘ অপেক্ষার পর তাদের প্রশ্ন এখন একটাই- এবার কি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি হবে?

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz